ভিনিসিয়ুসকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত রোমারিও

ভিনিসিয়ুসকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত রোমারিও
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

মরক্কোর সঙ্গে ড্রর পর ব্রাজিল দলের খেলা নিয়ে চারদিকে কী গেল গেল রবটাই না উঠেছিল! সেই ম্যাচেও অসাধারণ একটি গোল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এরপর হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিল জয় পেলেও তাদের খেলায় তেমন ছন্দ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিল জিতেছে দারুণ ছন্দময় ফুটবল খেলে।
হাইতির বিপক্ষে একটি গোল করার পাশাপাশি স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন ভিনি। কার্লো আনচেলত্তির দলকে ছন্দে ফিরতে দেখায় বেজার খুশি ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য রোমারিও। তিনি উচ্ছ্বসিত ভিনিসিয়ুসকে নিয়েও।
চোট কাটিয়ে প্রায় তিন বছর পর ব্রাজিলের জার্সিতে নেইমার আবার মাঠে ফিরেছেন। এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত ভিনিসিয়ুস স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘আমরা আমাদের আদর্শকে ফিরে পেয়েছি। এখন আর কোনো দুশ্চিন্তা নেই।’ ভিনি নেইমারকে নিয়ে খুশি হলেও রোমারিও খুশি ভিনিসিয়ুসের খেলায়।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’তে লেখা নিজের এক কলামে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলিয়ানদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে রোমারিও বলেছেন, ‘ব্রাজিল আবার ব্রাজিল হয়ে উঠছে। আনন্দ নিয়ে খেলা, আক্রমণাত্মক ফুটবল, আর বুকে থাকা পাঁচ তারকার মর্যাদা প্রমাণ করা– সবই ছিল এই ম্যাচে। এখনো আমাদের সামনে পাঁচটি ম্যাচ এবং অনেক চ্যালেঞ্জ বাকি।’রোমারিও এরপর তার কলামে লিখেছেন, ‘স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিল দারুণ একটি ম্যাচ খেলেছে! এটি ছিল আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর একটি ম্যাচ, যা নকআউট পর্বে যাওয়ার আগে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের লক্ষ্য হলো প্রতিটি ম্যাচে আরও উন্নতি করা। বিশ্বকাপের ইতিহাস বলে, যারা প্রথম ম্যাচ থেকেই আধিপত্য দেখায় তারা সাধারণত চ্যাম্পিয়ন হয় না। বরং তারাই হয়, যারা টুর্নামেন্ট গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।’
গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই ম্যাচসেরা হয়েছেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ভিনিকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত রোমারিও লিখেছেন, ‘ভিনি দুর্দান্ত ফর্মে আছে। চারটি গোল নিয়ে এখন নিঃসন্দেহে সে আমাদের সবচেয়ে বড় তারকা। বিশেষ করে রাফিনিয়া চোটে থাকায় সে দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে, যেমনটা বড় খেলোয়াড়দের করা উচিত এবং গোল করার অসাধারণ ক্ষমতা দেখিয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে সে-ই আমাদের প্রধান ভরসা।’
নিজের কলামে কোচ আনচেলত্তিরও প্রশংসা করেছেন রোমারিও, ‘একজন ভালো ইতালিয়ানের মতো তিনিও খুব বাস্তববাদী। তার হাতে কী খেলোয়াড় আছে এবং কোন পরিস্থিতিতে কাকে ব্যবহার করতে হবে, তা তিনি খুব ভালো বোঝেন। তিনি খুব বেশি চিৎকার করেন না, কিন্তু তার ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদার কারণে সবাই তাকে সম্মান করে। ব্রাজিলকে ষষ্ঠ শিরোপা জেতানোর জন্য তার সব গুণই রয়েছে।’

মরক্কোর সঙ্গে ড্রর পর ব্রাজিল দলের খেলা নিয়ে চারদিকে কী গেল গেল রবটাই না উঠেছিল! সেই ম্যাচেও অসাধারণ একটি গোল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এরপর হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিল জয় পেলেও তাদের খেলায় তেমন ছন্দ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিল জিতেছে দারুণ ছন্দময় ফুটবল খেলে।
হাইতির বিপক্ষে একটি গোল করার পাশাপাশি স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন ভিনি। কার্লো আনচেলত্তির দলকে ছন্দে ফিরতে দেখায় বেজার খুশি ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য রোমারিও। তিনি উচ্ছ্বসিত ভিনিসিয়ুসকে নিয়েও।
চোট কাটিয়ে প্রায় তিন বছর পর ব্রাজিলের জার্সিতে নেইমার আবার মাঠে ফিরেছেন। এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত ভিনিসিয়ুস স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘আমরা আমাদের আদর্শকে ফিরে পেয়েছি। এখন আর কোনো দুশ্চিন্তা নেই।’ ভিনি নেইমারকে নিয়ে খুশি হলেও রোমারিও খুশি ভিনিসিয়ুসের খেলায়।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’তে লেখা নিজের এক কলামে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলিয়ানদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে রোমারিও বলেছেন, ‘ব্রাজিল আবার ব্রাজিল হয়ে উঠছে। আনন্দ নিয়ে খেলা, আক্রমণাত্মক ফুটবল, আর বুকে থাকা পাঁচ তারকার মর্যাদা প্রমাণ করা– সবই ছিল এই ম্যাচে। এখনো আমাদের সামনে পাঁচটি ম্যাচ এবং অনেক চ্যালেঞ্জ বাকি।’রোমারিও এরপর তার কলামে লিখেছেন, ‘স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিল দারুণ একটি ম্যাচ খেলেছে! এটি ছিল আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর একটি ম্যাচ, যা নকআউট পর্বে যাওয়ার আগে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের লক্ষ্য হলো প্রতিটি ম্যাচে আরও উন্নতি করা। বিশ্বকাপের ইতিহাস বলে, যারা প্রথম ম্যাচ থেকেই আধিপত্য দেখায় তারা সাধারণত চ্যাম্পিয়ন হয় না। বরং তারাই হয়, যারা টুর্নামেন্ট গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।’
গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই ম্যাচসেরা হয়েছেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ভিনিকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত রোমারিও লিখেছেন, ‘ভিনি দুর্দান্ত ফর্মে আছে। চারটি গোল নিয়ে এখন নিঃসন্দেহে সে আমাদের সবচেয়ে বড় তারকা। বিশেষ করে রাফিনিয়া চোটে থাকায় সে দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে, যেমনটা বড় খেলোয়াড়দের করা উচিত এবং গোল করার অসাধারণ ক্ষমতা দেখিয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে সে-ই আমাদের প্রধান ভরসা।’
নিজের কলামে কোচ আনচেলত্তিরও প্রশংসা করেছেন রোমারিও, ‘একজন ভালো ইতালিয়ানের মতো তিনিও খুব বাস্তববাদী। তার হাতে কী খেলোয়াড় আছে এবং কোন পরিস্থিতিতে কাকে ব্যবহার করতে হবে, তা তিনি খুব ভালো বোঝেন। তিনি খুব বেশি চিৎকার করেন না, কিন্তু তার ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদার কারণে সবাই তাকে সম্মান করে। ব্রাজিলকে ষষ্ঠ শিরোপা জেতানোর জন্য তার সব গুণই রয়েছে।’

ভিনিসিয়ুসকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত রোমারিও
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

মরক্কোর সঙ্গে ড্রর পর ব্রাজিল দলের খেলা নিয়ে চারদিকে কী গেল গেল রবটাই না উঠেছিল! সেই ম্যাচেও অসাধারণ একটি গোল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এরপর হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিল জয় পেলেও তাদের খেলায় তেমন ছন্দ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিল জিতেছে দারুণ ছন্দময় ফুটবল খেলে।
হাইতির বিপক্ষে একটি গোল করার পাশাপাশি স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন ভিনি। কার্লো আনচেলত্তির দলকে ছন্দে ফিরতে দেখায় বেজার খুশি ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য রোমারিও। তিনি উচ্ছ্বসিত ভিনিসিয়ুসকে নিয়েও।
চোট কাটিয়ে প্রায় তিন বছর পর ব্রাজিলের জার্সিতে নেইমার আবার মাঠে ফিরেছেন। এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত ভিনিসিয়ুস স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘আমরা আমাদের আদর্শকে ফিরে পেয়েছি। এখন আর কোনো দুশ্চিন্তা নেই।’ ভিনি নেইমারকে নিয়ে খুশি হলেও রোমারিও খুশি ভিনিসিয়ুসের খেলায়।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’তে লেখা নিজের এক কলামে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলিয়ানদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে রোমারিও বলেছেন, ‘ব্রাজিল আবার ব্রাজিল হয়ে উঠছে। আনন্দ নিয়ে খেলা, আক্রমণাত্মক ফুটবল, আর বুকে থাকা পাঁচ তারকার মর্যাদা প্রমাণ করা– সবই ছিল এই ম্যাচে। এখনো আমাদের সামনে পাঁচটি ম্যাচ এবং অনেক চ্যালেঞ্জ বাকি।’রোমারিও এরপর তার কলামে লিখেছেন, ‘স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিল দারুণ একটি ম্যাচ খেলেছে! এটি ছিল আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর একটি ম্যাচ, যা নকআউট পর্বে যাওয়ার আগে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের লক্ষ্য হলো প্রতিটি ম্যাচে আরও উন্নতি করা। বিশ্বকাপের ইতিহাস বলে, যারা প্রথম ম্যাচ থেকেই আধিপত্য দেখায় তারা সাধারণত চ্যাম্পিয়ন হয় না। বরং তারাই হয়, যারা টুর্নামেন্ট গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।’
গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই ম্যাচসেরা হয়েছেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ভিনিকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত রোমারিও লিখেছেন, ‘ভিনি দুর্দান্ত ফর্মে আছে। চারটি গোল নিয়ে এখন নিঃসন্দেহে সে আমাদের সবচেয়ে বড় তারকা। বিশেষ করে রাফিনিয়া চোটে থাকায় সে দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে, যেমনটা বড় খেলোয়াড়দের করা উচিত এবং গোল করার অসাধারণ ক্ষমতা দেখিয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে সে-ই আমাদের প্রধান ভরসা।’
নিজের কলামে কোচ আনচেলত্তিরও প্রশংসা করেছেন রোমারিও, ‘একজন ভালো ইতালিয়ানের মতো তিনিও খুব বাস্তববাদী। তার হাতে কী খেলোয়াড় আছে এবং কোন পরিস্থিতিতে কাকে ব্যবহার করতে হবে, তা তিনি খুব ভালো বোঝেন। তিনি খুব বেশি চিৎকার করেন না, কিন্তু তার ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদার কারণে সবাই তাকে সম্মান করে। ব্রাজিলকে ষষ্ঠ শিরোপা জেতানোর জন্য তার সব গুণই রয়েছে।’

আমাদের আইডল ফিরে এসেছে: ভিনিসিয়ুস


