আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: ম্যাচ শেষে কান্নায় ভাসলেন নেইমার

আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: ম্যাচ শেষে কান্নায় ভাসলেন নেইমার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ সময় পর ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি গায়ে জড়িয়ে অবশেষে মাঠে ফিরলেন নেইমার জুনিয়র। ইনজুরি আর হতাশার দীর্ঘ লড়াই শেষে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচে তার এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি সাধারণ ম্যাচ ছিল না। বরং এটি ছিল এক আবেগঘন অধ্যায়ের মহিমান্বিত সমাপ্তি। ফিটনেস না থাকলে দলে জায়গা হবে না, কোচ কার্লো আনচেলত্তির এমন কড়া হুঁশিয়ারি পেরিয়ে চূড়ান্ত দলে ঠাঁই পাওয়া নেইমার মাঠে ফেরার আনন্দে ও কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত হয়ে পড়েন।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচে নেইমারের খেলার বিষয়ে প্রধান কোচ আগেই আভাস দিয়েছিলেন। তবে ম্যাচের শুরুতে তাকে রাখা হয়েছিল সাইডবেঞ্চে। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার বদলি হিসেবে যখন এই তারকা ফরোয়ার্ড মাঠে নামেন, তখন পুরো গ্যালারি সমর্থকদের করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। ডান পায়ের কাফ ইনজুরি কাটিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ফেরা নেইমার মাঠে নেমে এক অনন্য ইতিহাসও স্পর্শ করেছেন। টানা চতুর্থ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের অভিজাত তালিকায় এখন উজ্জ্বল তার নাম।
রেফারি যখন ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজালেন, তখন আর নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। দীর্ঘদিনের সংগ্রাম আর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জাতীয় দলে ফেরার অনুভূতি তাকে এতটাই ছুঁয়ে গিয়েছিল, তিনি মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে কিছুক্ষণ পর মাঠের পাশে স্ত্রী ও কন্যার দেখা মিলতেই নেইমারের সেই সুখের অশ্রু রূপ নেয় চিরচেনা হাসিতে। দেশের হয়ে ১২৯ ম্যাচে ৭৯ গোল করা এ তারকা ফরোয়ার্ড প্রমাণ করলেন কেন তিনি এখনও ব্রাজিলের ফুটবলের অন্যতম বড় চালিকাশক্তি।
নেইমারের ফেরার এ স্মরণীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা। ব্রাজিলের দাপুটে জয়ে জোড়া গোল করে বড় ভূমিকা রাখেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর প্রথমার্ধের শেষদিকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। দলের হয়ে বাকি গোলটি আসে মাতেউস কুনিয়ার পা থেকে। নেইমারের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন আর দলের দাপুটে জয়, সব মিলিয়ে দিনটি ছিল ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের জন্য দারুণ এক উদযাপনের।

দীর্ঘ সময় পর ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি গায়ে জড়িয়ে অবশেষে মাঠে ফিরলেন নেইমার জুনিয়র। ইনজুরি আর হতাশার দীর্ঘ লড়াই শেষে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচে তার এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি সাধারণ ম্যাচ ছিল না। বরং এটি ছিল এক আবেগঘন অধ্যায়ের মহিমান্বিত সমাপ্তি। ফিটনেস না থাকলে দলে জায়গা হবে না, কোচ কার্লো আনচেলত্তির এমন কড়া হুঁশিয়ারি পেরিয়ে চূড়ান্ত দলে ঠাঁই পাওয়া নেইমার মাঠে ফেরার আনন্দে ও কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত হয়ে পড়েন।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচে নেইমারের খেলার বিষয়ে প্রধান কোচ আগেই আভাস দিয়েছিলেন। তবে ম্যাচের শুরুতে তাকে রাখা হয়েছিল সাইডবেঞ্চে। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার বদলি হিসেবে যখন এই তারকা ফরোয়ার্ড মাঠে নামেন, তখন পুরো গ্যালারি সমর্থকদের করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। ডান পায়ের কাফ ইনজুরি কাটিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ফেরা নেইমার মাঠে নেমে এক অনন্য ইতিহাসও স্পর্শ করেছেন। টানা চতুর্থ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের অভিজাত তালিকায় এখন উজ্জ্বল তার নাম।
রেফারি যখন ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজালেন, তখন আর নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। দীর্ঘদিনের সংগ্রাম আর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জাতীয় দলে ফেরার অনুভূতি তাকে এতটাই ছুঁয়ে গিয়েছিল, তিনি মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে কিছুক্ষণ পর মাঠের পাশে স্ত্রী ও কন্যার দেখা মিলতেই নেইমারের সেই সুখের অশ্রু রূপ নেয় চিরচেনা হাসিতে। দেশের হয়ে ১২৯ ম্যাচে ৭৯ গোল করা এ তারকা ফরোয়ার্ড প্রমাণ করলেন কেন তিনি এখনও ব্রাজিলের ফুটবলের অন্যতম বড় চালিকাশক্তি।
নেইমারের ফেরার এ স্মরণীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা। ব্রাজিলের দাপুটে জয়ে জোড়া গোল করে বড় ভূমিকা রাখেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর প্রথমার্ধের শেষদিকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। দলের হয়ে বাকি গোলটি আসে মাতেউস কুনিয়ার পা থেকে। নেইমারের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন আর দলের দাপুটে জয়, সব মিলিয়ে দিনটি ছিল ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের জন্য দারুণ এক উদযাপনের।

আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: ম্যাচ শেষে কান্নায় ভাসলেন নেইমার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ সময় পর ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি গায়ে জড়িয়ে অবশেষে মাঠে ফিরলেন নেইমার জুনিয়র। ইনজুরি আর হতাশার দীর্ঘ লড়াই শেষে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচে তার এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি সাধারণ ম্যাচ ছিল না। বরং এটি ছিল এক আবেগঘন অধ্যায়ের মহিমান্বিত সমাপ্তি। ফিটনেস না থাকলে দলে জায়গা হবে না, কোচ কার্লো আনচেলত্তির এমন কড়া হুঁশিয়ারি পেরিয়ে চূড়ান্ত দলে ঠাঁই পাওয়া নেইমার মাঠে ফেরার আনন্দে ও কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত হয়ে পড়েন।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচে নেইমারের খেলার বিষয়ে প্রধান কোচ আগেই আভাস দিয়েছিলেন। তবে ম্যাচের শুরুতে তাকে রাখা হয়েছিল সাইডবেঞ্চে। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার বদলি হিসেবে যখন এই তারকা ফরোয়ার্ড মাঠে নামেন, তখন পুরো গ্যালারি সমর্থকদের করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। ডান পায়ের কাফ ইনজুরি কাটিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ফেরা নেইমার মাঠে নেমে এক অনন্য ইতিহাসও স্পর্শ করেছেন। টানা চতুর্থ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের অভিজাত তালিকায় এখন উজ্জ্বল তার নাম।
রেফারি যখন ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজালেন, তখন আর নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। দীর্ঘদিনের সংগ্রাম আর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জাতীয় দলে ফেরার অনুভূতি তাকে এতটাই ছুঁয়ে গিয়েছিল, তিনি মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে কিছুক্ষণ পর মাঠের পাশে স্ত্রী ও কন্যার দেখা মিলতেই নেইমারের সেই সুখের অশ্রু রূপ নেয় চিরচেনা হাসিতে। দেশের হয়ে ১২৯ ম্যাচে ৭৯ গোল করা এ তারকা ফরোয়ার্ড প্রমাণ করলেন কেন তিনি এখনও ব্রাজিলের ফুটবলের অন্যতম বড় চালিকাশক্তি।
নেইমারের ফেরার এ স্মরণীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা। ব্রাজিলের দাপুটে জয়ে জোড়া গোল করে বড় ভূমিকা রাখেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর প্রথমার্ধের শেষদিকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। দলের হয়ে বাকি গোলটি আসে মাতেউস কুনিয়ার পা থেকে। নেইমারের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন আর দলের দাপুটে জয়, সব মিলিয়ে দিনটি ছিল ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের জন্য দারুণ এক উদযাপনের।

৯৮১ দিন পর ব্রাজিলের জার্সিতে কেমন খেললেন নেইমার


