প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলো তুরস্ক

প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলো তুরস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

সান ফ্রান্সিসকোতে নাটকীয় ম্যাচে তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের আশা বাঁচিয়ে রাখলো লাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ে। ম্যাচের মাত্র ৬৪ সেকেন্ডে মাতিয়াস গালারজার করা একমাত্র গোলটিই ১০ জনের প্যারাগুয়েকে এনে দেয় অবিশ্বাস্য এক জয়। বিপরীতে, পুরো ম্যাচজুড়ে ৮২ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেও গোলমুখে চরম ব্যর্থতায় বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে ভিনচেনজো মনতেয়ার তুরস্ক।
সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই বড় ধাক্কা খায় তুরস্ক। হুলিও এনসিসোর চমৎকার ফ্লিক থেকে বল পেয়ে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান গালারজা। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে সেলসো আয়ালার ৫২ সেকেন্ডের গোলের পর এটিই বিশ্বকাপে কোনো দক্ষিণ আমেরিকান দলের দ্রুততম গোল। এ ধাক্কা সামলে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তুরস্ক। হাকান চালহানোলু, আরদা গুলের, কেনান ইলদিজ ও মুলদুররা বারবার প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগে আক্রমণ চালান। প্রথমার্ধের ৩৪ মিনিটে চালহানোলু ফ্রি-কিক থেকে মুলদুরের হেড প্রথমে ক্রসবার ও পরে পোস্টে লেগে ফিরে এলে ভাগ্য দেবী মুখ ফিরিয়ে নেয় তুরস্কের কাছ থেকে।
ম্যাচের সবচেয়ে বড় নাটকীয়তা তৈরি হয় প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে। মাঠে মুখ ঢেকে কথা বলার নতুন ফিফা নির্দেশ অমান্য করায় ভিএআর পর্যালোচনার পর প্যারাগুয়ের তারকা মিগেল আলমিরনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া প্যারাগুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে তুরস্কের ঘুরে দাঁড়ানো সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। তবে একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়েও গোলের দেখা পাননি ভিনচেনজো মনতেয়ার শিষ্যরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করেও কেনান ইলদিজ, চালহানোলু ও বদলি নামা দেনিজ গুলের নিশ্চিত সুযোগগুলো হাতছাড়া করেন। ৭৪ মিনিটে আবদুলকেরিম বারদাকচির দূরপাল্লার শট এবং ৮৯ মিনিটে ইউনুস আকগুনের জোরালো শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে প্যারাগুয়ের জয়ের অন্যতম নায়ক বনে যান গোলরক্ষক অরলান্দো হিল। শেষ মুহূর্তে ৯৭ মিনিটে আরদা গুলের ক্রস থেকে দেমিরালের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে তুরস্কের শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায়। পুরো ম্যাচে ২৪টিরও বেশি শট নিয়েও তুরস্কের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতা এবং প্যারাগুয়ের ইস্পাতকঠিন রক্ষণ শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে। এই লড়াকু জয়ে প্যারাগুয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের আশা টিকিয়ে রাখলেও, শেষ ম্যাচে জিতলেও তুরস্কের নকআউট পর্বে যাওয়ার আর কোনো সমীকরণ অবশিষ্ট নেই।

সান ফ্রান্সিসকোতে নাটকীয় ম্যাচে তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের আশা বাঁচিয়ে রাখলো লাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ে। ম্যাচের মাত্র ৬৪ সেকেন্ডে মাতিয়াস গালারজার করা একমাত্র গোলটিই ১০ জনের প্যারাগুয়েকে এনে দেয় অবিশ্বাস্য এক জয়। বিপরীতে, পুরো ম্যাচজুড়ে ৮২ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেও গোলমুখে চরম ব্যর্থতায় বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে ভিনচেনজো মনতেয়ার তুরস্ক।
সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই বড় ধাক্কা খায় তুরস্ক। হুলিও এনসিসোর চমৎকার ফ্লিক থেকে বল পেয়ে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান গালারজা। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে সেলসো আয়ালার ৫২ সেকেন্ডের গোলের পর এটিই বিশ্বকাপে কোনো দক্ষিণ আমেরিকান দলের দ্রুততম গোল। এ ধাক্কা সামলে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তুরস্ক। হাকান চালহানোলু, আরদা গুলের, কেনান ইলদিজ ও মুলদুররা বারবার প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগে আক্রমণ চালান। প্রথমার্ধের ৩৪ মিনিটে চালহানোলু ফ্রি-কিক থেকে মুলদুরের হেড প্রথমে ক্রসবার ও পরে পোস্টে লেগে ফিরে এলে ভাগ্য দেবী মুখ ফিরিয়ে নেয় তুরস্কের কাছ থেকে।
ম্যাচের সবচেয়ে বড় নাটকীয়তা তৈরি হয় প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে। মাঠে মুখ ঢেকে কথা বলার নতুন ফিফা নির্দেশ অমান্য করায় ভিএআর পর্যালোচনার পর প্যারাগুয়ের তারকা মিগেল আলমিরনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া প্যারাগুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে তুরস্কের ঘুরে দাঁড়ানো সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। তবে একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়েও গোলের দেখা পাননি ভিনচেনজো মনতেয়ার শিষ্যরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করেও কেনান ইলদিজ, চালহানোলু ও বদলি নামা দেনিজ গুলের নিশ্চিত সুযোগগুলো হাতছাড়া করেন। ৭৪ মিনিটে আবদুলকেরিম বারদাকচির দূরপাল্লার শট এবং ৮৯ মিনিটে ইউনুস আকগুনের জোরালো শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে প্যারাগুয়ের জয়ের অন্যতম নায়ক বনে যান গোলরক্ষক অরলান্দো হিল। শেষ মুহূর্তে ৯৭ মিনিটে আরদা গুলের ক্রস থেকে দেমিরালের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে তুরস্কের শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায়। পুরো ম্যাচে ২৪টিরও বেশি শট নিয়েও তুরস্কের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতা এবং প্যারাগুয়ের ইস্পাতকঠিন রক্ষণ শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে। এই লড়াকু জয়ে প্যারাগুয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের আশা টিকিয়ে রাখলেও, শেষ ম্যাচে জিতলেও তুরস্কের নকআউট পর্বে যাওয়ার আর কোনো সমীকরণ অবশিষ্ট নেই।

প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলো তুরস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

সান ফ্রান্সিসকোতে নাটকীয় ম্যাচে তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের আশা বাঁচিয়ে রাখলো লাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ে। ম্যাচের মাত্র ৬৪ সেকেন্ডে মাতিয়াস গালারজার করা একমাত্র গোলটিই ১০ জনের প্যারাগুয়েকে এনে দেয় অবিশ্বাস্য এক জয়। বিপরীতে, পুরো ম্যাচজুড়ে ৮২ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেও গোলমুখে চরম ব্যর্থতায় বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে ভিনচেনজো মনতেয়ার তুরস্ক।
সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই বড় ধাক্কা খায় তুরস্ক। হুলিও এনসিসোর চমৎকার ফ্লিক থেকে বল পেয়ে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান গালারজা। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে সেলসো আয়ালার ৫২ সেকেন্ডের গোলের পর এটিই বিশ্বকাপে কোনো দক্ষিণ আমেরিকান দলের দ্রুততম গোল। এ ধাক্কা সামলে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তুরস্ক। হাকান চালহানোলু, আরদা গুলের, কেনান ইলদিজ ও মুলদুররা বারবার প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগে আক্রমণ চালান। প্রথমার্ধের ৩৪ মিনিটে চালহানোলু ফ্রি-কিক থেকে মুলদুরের হেড প্রথমে ক্রসবার ও পরে পোস্টে লেগে ফিরে এলে ভাগ্য দেবী মুখ ফিরিয়ে নেয় তুরস্কের কাছ থেকে।
ম্যাচের সবচেয়ে বড় নাটকীয়তা তৈরি হয় প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে। মাঠে মুখ ঢেকে কথা বলার নতুন ফিফা নির্দেশ অমান্য করায় ভিএআর পর্যালোচনার পর প্যারাগুয়ের তারকা মিগেল আলমিরনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া প্যারাগুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে তুরস্কের ঘুরে দাঁড়ানো সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। তবে একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়েও গোলের দেখা পাননি ভিনচেনজো মনতেয়ার শিষ্যরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করেও কেনান ইলদিজ, চালহানোলু ও বদলি নামা দেনিজ গুলের নিশ্চিত সুযোগগুলো হাতছাড়া করেন। ৭৪ মিনিটে আবদুলকেরিম বারদাকচির দূরপাল্লার শট এবং ৮৯ মিনিটে ইউনুস আকগুনের জোরালো শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে প্যারাগুয়ের জয়ের অন্যতম নায়ক বনে যান গোলরক্ষক অরলান্দো হিল। শেষ মুহূর্তে ৯৭ মিনিটে আরদা গুলের ক্রস থেকে দেমিরালের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে তুরস্কের শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায়। পুরো ম্যাচে ২৪টিরও বেশি শট নিয়েও তুরস্কের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতা এবং প্যারাগুয়ের ইস্পাতকঠিন রক্ষণ শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে। এই লড়াকু জয়ে প্যারাগুয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের আশা টিকিয়ে রাখলেও, শেষ ম্যাচে জিতলেও তুরস্কের নকআউট পর্বে যাওয়ার আর কোনো সমীকরণ অবশিষ্ট নেই।

ফিফার নতুন নিয়মে প্রথম লাল কার্ড পেল প্যারাগুয়ে

