এমবাপ্পের রেকর্ড গোলে জয়ে বিশ্বকাপ শুরু ফ্রান্সের

এমবাপ্পের রেকর্ড গোলে জয়ে বিশ্বকাপ শুরু ফ্রান্সের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের মঞ্চে ২৪ বছর পর আবার মুখোমুখি ফ্রান্স ও সেনেগাল। ২০০২ সালে গ্রুপ পর্বের সেই ম্যাচে হেরেছিল ফরাসিরা। তবে এবার কিলিয়ান এমবাপ্পে করলেন জোড়া গোল। তাতে শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দিদিয়ের দেশমের দল।
‘আই’ গ্রুপে ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচে ৬০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও গোল পাচ্ছিলো না ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ করে যাচ্ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে-মাইকেল ওলিসেরা। ৬৬ মিনিটে ভাঙে ডেডলক। এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে গেছে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মাইকেল ওলিসের অ্যাসিস্টে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল ফ্রান্স অধিনায়ক।
এই গোলে মাইলফলক স্পর্শ করেন এমবাপ্পে। জাতীয় দলের জার্সিতে তার গোলসংখ্যা হয়েছে ৫৭। ফলে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুকে ছুঁয়েছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপেও বেড়েছে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা। এই গোল নিয়ে বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোল ১৩টি হয়।
এমবাপ্পের এই গোলের পরপর বল জালে জড়িয়েছিল সেনেগালও। তবে গোলটি বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। অবশ্য দ্বিতীয় গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ফ্রান্সকে। ৭৯ মিনিটে উসমান দেম্বেলের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ব্র্যাডলি বারকোলা। ৮২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বারকোলা।
নাটকের তখনও বাকি। যোগকরা সময়ের পঞ্চম মিনিটে এক গোল শোধ করেন সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়ে। পরের মিনিটেই ব্যবধান বাড়ান এমবাপ্পে। ৫৮ গোলে জিরুকে ছাড়িয়ে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন এমবাপ্পে। আর বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ তে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁতে এমবাপ্পের প্রয়োজন আর মাত্র দুটি গোল।
এর আগে ম্যাচের ৬০ মিনিটে বক্সের ভেতর কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ট্যাকল করেন সাদিও মানে। রেফারি শুরুতে পেনাল্টি না দিলেও পরে ভিএআর যাচাই করেন। তাতেও সিদ্ধান্ত বদলাননি।
প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে গোল বঞ্চিত রাখেন সেনেগালের গোলকিপার এদুয়ার্দ মেন্দি। প্রথমার্ধে ফ্রান্স লক্ষ্যে কোনো শটও নিতে পারেনি। ফ্রান্সের চেয়ে সেনেগাল বরং বেশি উজ্জ্বল ছিল। ২৫ মিনিটে সেনেগালের নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ২৪ বছর পর আবার মুখোমুখি ফ্রান্স ও সেনেগাল। ২০০২ সালে গ্রুপ পর্বের সেই ম্যাচে হেরেছিল ফরাসিরা। তবে এবার কিলিয়ান এমবাপ্পে করলেন জোড়া গোল। তাতে শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দিদিয়ের দেশমের দল।
‘আই’ গ্রুপে ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচে ৬০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও গোল পাচ্ছিলো না ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ করে যাচ্ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে-মাইকেল ওলিসেরা। ৬৬ মিনিটে ভাঙে ডেডলক। এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে গেছে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মাইকেল ওলিসের অ্যাসিস্টে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল ফ্রান্স অধিনায়ক।
এই গোলে মাইলফলক স্পর্শ করেন এমবাপ্পে। জাতীয় দলের জার্সিতে তার গোলসংখ্যা হয়েছে ৫৭। ফলে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুকে ছুঁয়েছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপেও বেড়েছে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা। এই গোল নিয়ে বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোল ১৩টি হয়।
এমবাপ্পের এই গোলের পরপর বল জালে জড়িয়েছিল সেনেগালও। তবে গোলটি বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। অবশ্য দ্বিতীয় গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ফ্রান্সকে। ৭৯ মিনিটে উসমান দেম্বেলের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ব্র্যাডলি বারকোলা। ৮২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বারকোলা।
নাটকের তখনও বাকি। যোগকরা সময়ের পঞ্চম মিনিটে এক গোল শোধ করেন সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়ে। পরের মিনিটেই ব্যবধান বাড়ান এমবাপ্পে। ৫৮ গোলে জিরুকে ছাড়িয়ে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন এমবাপ্পে। আর বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ তে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁতে এমবাপ্পের প্রয়োজন আর মাত্র দুটি গোল।
এর আগে ম্যাচের ৬০ মিনিটে বক্সের ভেতর কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ট্যাকল করেন সাদিও মানে। রেফারি শুরুতে পেনাল্টি না দিলেও পরে ভিএআর যাচাই করেন। তাতেও সিদ্ধান্ত বদলাননি।
প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে গোল বঞ্চিত রাখেন সেনেগালের গোলকিপার এদুয়ার্দ মেন্দি। প্রথমার্ধে ফ্রান্স লক্ষ্যে কোনো শটও নিতে পারেনি। ফ্রান্সের চেয়ে সেনেগাল বরং বেশি উজ্জ্বল ছিল। ২৫ মিনিটে সেনেগালের নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

এমবাপ্পের রেকর্ড গোলে জয়ে বিশ্বকাপ শুরু ফ্রান্সের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের মঞ্চে ২৪ বছর পর আবার মুখোমুখি ফ্রান্স ও সেনেগাল। ২০০২ সালে গ্রুপ পর্বের সেই ম্যাচে হেরেছিল ফরাসিরা। তবে এবার কিলিয়ান এমবাপ্পে করলেন জোড়া গোল। তাতে শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দিদিয়ের দেশমের দল।
‘আই’ গ্রুপে ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচে ৬০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও গোল পাচ্ছিলো না ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ করে যাচ্ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে-মাইকেল ওলিসেরা। ৬৬ মিনিটে ভাঙে ডেডলক। এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে গেছে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মাইকেল ওলিসের অ্যাসিস্টে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল ফ্রান্স অধিনায়ক।
এই গোলে মাইলফলক স্পর্শ করেন এমবাপ্পে। জাতীয় দলের জার্সিতে তার গোলসংখ্যা হয়েছে ৫৭। ফলে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুকে ছুঁয়েছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপেও বেড়েছে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা। এই গোল নিয়ে বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোল ১৩টি হয়।
এমবাপ্পের এই গোলের পরপর বল জালে জড়িয়েছিল সেনেগালও। তবে গোলটি বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। অবশ্য দ্বিতীয় গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ফ্রান্সকে। ৭৯ মিনিটে উসমান দেম্বেলের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ব্র্যাডলি বারকোলা। ৮২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বারকোলা।
নাটকের তখনও বাকি। যোগকরা সময়ের পঞ্চম মিনিটে এক গোল শোধ করেন সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়ে। পরের মিনিটেই ব্যবধান বাড়ান এমবাপ্পে। ৫৮ গোলে জিরুকে ছাড়িয়ে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন এমবাপ্পে। আর বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ তে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁতে এমবাপ্পের প্রয়োজন আর মাত্র দুটি গোল।
এর আগে ম্যাচের ৬০ মিনিটে বক্সের ভেতর কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ট্যাকল করেন সাদিও মানে। রেফারি শুরুতে পেনাল্টি না দিলেও পরে ভিএআর যাচাই করেন। তাতেও সিদ্ধান্ত বদলাননি।
প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে গোল বঞ্চিত রাখেন সেনেগালের গোলকিপার এদুয়ার্দ মেন্দি। প্রথমার্ধে ফ্রান্স লক্ষ্যে কোনো শটও নিতে পারেনি। ফ্রান্সের চেয়ে সেনেগাল বরং বেশি উজ্জ্বল ছিল। ২৫ মিনিটে সেনেগালের নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

যে ‘অভিশাপ’ আজ কাটাতে চাইবেন মেসিরা
আর্জেন্টিনা ভক্তকে বানানো হলো ব্রাজিলের সমর্থক, থানায় অভিযোগ

