শিরোনাম

রোনালদিনহোকে ছাড়িয়ে গেলেন ভিনিসিয়ুস

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
রোনালদিনহোকে ছাড়িয়ে গেলেন ভিনিসিয়ুস
ব্রাজিলের সাবেক ফুটবলার রোনালদিনহো ও বর্তমান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ছবি: সিএনএন

হাইতির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানের দাপুটে জয়ে মাঠ মাতিয়েছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সেলেসাওদের এ নাম্বার সেভেন শুধু দলকে জেতাননি, বরং বিশ্বকাপে গোল সংখ্যায় ছাড়িয়ে গেছেন কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদিনহোকে। একই সঙ্গে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে ২০০২ সালের বিশ্বজয়ীর মোট গোল কন্ট্রিবিউশনের অনন্য কীর্তিও স্পর্শ করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ভিনিসিয়ুস মরক্কোর পর হাইতির বিপক্ষেও গোলের দেখা পেয়েছেন। ফলে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে তার মোট গোল সংখ্যা এখন ৩টি, যার প্রথমটি এসেছিল ২০২২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে। অন্যদিকে রোনালদিনহো তার পুরো বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে গোল করতে পেরেছিলেন ২টি, যার দুটিই এসেছিল ২০০২ সালের সফল মিশনে। শুধু গোল করাই নয়, হাইতি ম্যাচে মাতেউস কুনিয়াকে দিয়ে গোল করিয়ে বিশ্বকাপে নিজের অ্যাসিস্টের সংখ্যা তিনে নিয়ে গেছেন ভিনি। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ৩ গোল ও ৩ অ্যাসিস্টে সরাসরি ৬টি গোলে অবদান রাখলেন তিনি। এর মাধ্যমে তিনি রোনালদিনহোর মোট ৬টি গোল কন্ট্রিবিউশনের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেললেন। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আর মাত্র একটি গোল বা অ্যাসিস্ট করলেই সাবেক এ তারকাকে পুরোপুরি ছাড়িয়ে যাবেন ভিনি।

মরক্কো ম্যাচের পর হাইতির বিপক্ষেও টানা দ্বিতীয়বারের মতো ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হয়েছেন ভিনিসিয়ুস। চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের করা ৪টি গোলের সবকটিতেই জড়িয়ে আছে তার নাম। এর মধ্যে ২টি গোল, ১টি অ্যাসিস্ট এবং অপর গোলটি তার শট গোলরক্ষক ফিরিয়ে দেওয়ার পর রিবাউন্ড থেকে আসে। ম্যাচ শেষে হাসিমুখে ভিনিসিয়ুস জানান, ব্রাজিলের বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তির একটি বিশেষ টেকনিক্যাল পরামর্শের কারণেই ই ম্যাচে তার পজিশন বদলেছে এবং গোল এসেছে। কোচের নির্দেশনায় প্রথাগত উইং ছেড়ে ভেতরে ঢুকে দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারের মাঝখানে খেলার কারণেই সাফল্য এসেছে বলে মনে করেন তিনি।

কোচ আনচেলত্তি অবশ্য স্বভাবসুলভ গুরুগম্ভীরভাবে এ ট্যাকটিক্যাল পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, ভিনিসিয়ুস ভেতরেও সমান বিপজ্জনক। তাকে কিছুটা সেন্ট্রাল পজিশনে খেলানো হয়েছে, যদিও খেলার মাঝে সে উইংয়ের দিকেও চলে যাচ্ছিল। শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করা ভিনিসিয়ুস অবশ্য নিজের চেয়ে দলের সাফল্যকেই বড় করে দেখছেন। ম্যাচে সতীর্থ মাতেউস কুনিয়ার প্রশংসা করে তিনি জানান, প্রতিপক্ষ বুঝে কোচের এমন কৌশল এবং কুনিয়ার কিছুটা নিচে নেমে মিডফিল্ডারের মতো খেলা রক্ষণভাগ ভাঙতে তাদের দারুণ সাহায্য করেছে।

/এমএকে/