ব্রাজিল জেতার জন্য লড়বে: আনচেলত্তি

ব্রাজিল জেতার জন্য লড়বে: আনচেলত্তি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ দুই যুগের খরা কাটানোর গুরুভার কাঁধে নিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নিউজার্সির রেড বুল মাঠে টানা আড়াই ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার কঠোর অনুশীলন শেষে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলনে করেছেন সেলেসাওদের ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড কার্লো আনচেলত্তি। ২০২৫ সালের মে মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর হাইপ্রোফাইল কোনো জাতীয় দলের ডাগআউটে এটিই এই বর্ষীয়ান কোচের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। আফ্রিকার শক্তিশালী দল মরক্কোর বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে তার আসল পরীক্ষা।
ক্লাব ফুটবলে সম্ভাব্য সব সাফল্য পাওয়া এ কোচের ওপর শুধু ব্রাজিলের ২২ কোটি মানুষই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ভক্তের নজর। মরক্কোর মুখোমুখি হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে একের পর এক কঠিন ও তীক্ষ্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে আনচেলত্তি বাস্তবতা ও আশাবাদের এক দারুণ সংমিশ্রণ ফুটিয়ে তোলেন। ২০০২ সালের পর আর ট্রফি না পাওয়ার আক্ষেপ ঘোচানোর প্রশ্নে তিনি বলেন, ব্রাজিল এমন একটি দল যা টেকনিক্যাল এবং অভিজ্ঞতার দিক থেকে সমৃদ্ধ এবং বিশ্বের যেকোনো দলের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করার পূর্ণ আত্মবিশ্বাস তাদের রয়েছে।
কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোকে নিয়ে ব্রাজিল দল কোনো মনস্তাত্ত্বিক চাপে বা ভয়ে আছে কিনা প্রশ্নের জবাবে ৬৭ বছর বয়সী কোচ জীবনের এক গভীর দর্শন টেনে আনেন। তিনি বলেন, ভয় জীবনের একটি অত্যন্ত মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা মূলত জীবন বাঁচায়। কারণ ভয় না থাকলে সামনে সিংহ পড়লেও তাকে বিড়াল মনে হতে পারে। এ ভীতিই মূলত দলকে সতর্ক ও চিন্তাভাবনা করতে বাধ্য করে, যাতে মাঠে সম্ভাব্য সেরা খেলাটি উপহার দেওয়া যায়। স্বভাবগতভাবেই চরম আশাবাদী এই ইতালিয়ান কোচ দাবি করেন, তার দল প্রথম ম্যাচসহ পুরো বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
জাতীয় দলের ডাগআউটে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার প্রশ্নে তিনি অত্যন্ত বিনীতভাবে উত্তর দেন। আনচেলত্তি জানান, এ অসাধারণ দেশটির প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে তিনি সম্মানিত ও আনন্দিত বোধ করছেন এবং দলকে সফল করতে প্রয়োজনীয় সবটুকুই করবেন। দল নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি তার ভেতরের মানবিক দিকটি লুকাতে পারেননি। শেষ মুহূর্তে গুরুতর চোটের কারণে তারকা খেলোয়াড় ওয়েসলির বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়াটাকে দুঃখজনক বলে আখ্যা দেন তিনি। সেলেসাওদের এ মাস্টারমইন্ড বলেন, কোনো খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া তার কাজের সবচেয়ে অপ্রিয় দিক। তবে মাঝমাঠকে আরও নিরেট ও শক্তিশালী করতে তারা দলে এনেছেন এদেরসনকে, যিনি ক্লাবের হয়ে মরশুমের শেষভাগে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন।
বিশ্বকাপের ট্রফি জয়ের অলৌকিক কোনো নিশ্চয়তা না দিলেও জেতার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আনচেলত্তি। খুঁটিনাটি বিষয়ে নিখুঁত মনোযোগ দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, দলের বর্তমান অনুভূতি অত্যন্ত ইতিবাচক এবং তারা কেবল প্রথম ম্যাচ নয়, পুরো টুর্নামেন্ট নিয়েই আত্মবিশ্বাসী। প্রতিপক্ষ মরক্কোকে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে খেলা সফল ও উচ্চমানের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত একটি সুসংগঠিত দল হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন তিনি।
আধুনিক ফুটবলে কোনো দলই ছোট নয় উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন, রক্ষণভাগ, আক্রমণভাগ কিংবা ট্রানজিশন সব বিভাগেই ব্রাজিলকে একটি নিখুঁত ম্যাচ খেলতে হবে। বিশেষ করে সেট পিসে নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাড়তি নজর দিতে চান তিনি, যাতে মাঠে দুই দলের সমর্থকরাই একটি দারুণ উপভোগ্য ম্যাচ দেখতে পান। সবশেষে চলমান বিশ্বকাপে স্পেনকে মূল ফেভারিট ধরার প্রবণতার সঙ্গে কিছুটা দ্বিমত পোষণ করেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই গুরু। তার মতে, এবারের বিশ্বকাপটি হতে যাচ্ছে অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ, যেখানে একক কোনো ফেবারিট নেই এবং বেশ কয়েকটি দলেরই শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সমান সম্ভাবনা রয়েছে।

দীর্ঘ দুই যুগের খরা কাটানোর গুরুভার কাঁধে নিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নিউজার্সির রেড বুল মাঠে টানা আড়াই ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার কঠোর অনুশীলন শেষে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলনে করেছেন সেলেসাওদের ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড কার্লো আনচেলত্তি। ২০২৫ সালের মে মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর হাইপ্রোফাইল কোনো জাতীয় দলের ডাগআউটে এটিই এই বর্ষীয়ান কোচের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। আফ্রিকার শক্তিশালী দল মরক্কোর বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে তার আসল পরীক্ষা।
ক্লাব ফুটবলে সম্ভাব্য সব সাফল্য পাওয়া এ কোচের ওপর শুধু ব্রাজিলের ২২ কোটি মানুষই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ভক্তের নজর। মরক্কোর মুখোমুখি হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে একের পর এক কঠিন ও তীক্ষ্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে আনচেলত্তি বাস্তবতা ও আশাবাদের এক দারুণ সংমিশ্রণ ফুটিয়ে তোলেন। ২০০২ সালের পর আর ট্রফি না পাওয়ার আক্ষেপ ঘোচানোর প্রশ্নে তিনি বলেন, ব্রাজিল এমন একটি দল যা টেকনিক্যাল এবং অভিজ্ঞতার দিক থেকে সমৃদ্ধ এবং বিশ্বের যেকোনো দলের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করার পূর্ণ আত্মবিশ্বাস তাদের রয়েছে।
কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোকে নিয়ে ব্রাজিল দল কোনো মনস্তাত্ত্বিক চাপে বা ভয়ে আছে কিনা প্রশ্নের জবাবে ৬৭ বছর বয়সী কোচ জীবনের এক গভীর দর্শন টেনে আনেন। তিনি বলেন, ভয় জীবনের একটি অত্যন্ত মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা মূলত জীবন বাঁচায়। কারণ ভয় না থাকলে সামনে সিংহ পড়লেও তাকে বিড়াল মনে হতে পারে। এ ভীতিই মূলত দলকে সতর্ক ও চিন্তাভাবনা করতে বাধ্য করে, যাতে মাঠে সম্ভাব্য সেরা খেলাটি উপহার দেওয়া যায়। স্বভাবগতভাবেই চরম আশাবাদী এই ইতালিয়ান কোচ দাবি করেন, তার দল প্রথম ম্যাচসহ পুরো বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
জাতীয় দলের ডাগআউটে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার প্রশ্নে তিনি অত্যন্ত বিনীতভাবে উত্তর দেন। আনচেলত্তি জানান, এ অসাধারণ দেশটির প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে তিনি সম্মানিত ও আনন্দিত বোধ করছেন এবং দলকে সফল করতে প্রয়োজনীয় সবটুকুই করবেন। দল নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি তার ভেতরের মানবিক দিকটি লুকাতে পারেননি। শেষ মুহূর্তে গুরুতর চোটের কারণে তারকা খেলোয়াড় ওয়েসলির বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়াটাকে দুঃখজনক বলে আখ্যা দেন তিনি। সেলেসাওদের এ মাস্টারমইন্ড বলেন, কোনো খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া তার কাজের সবচেয়ে অপ্রিয় দিক। তবে মাঝমাঠকে আরও নিরেট ও শক্তিশালী করতে তারা দলে এনেছেন এদেরসনকে, যিনি ক্লাবের হয়ে মরশুমের শেষভাগে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন।
বিশ্বকাপের ট্রফি জয়ের অলৌকিক কোনো নিশ্চয়তা না দিলেও জেতার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আনচেলত্তি। খুঁটিনাটি বিষয়ে নিখুঁত মনোযোগ দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, দলের বর্তমান অনুভূতি অত্যন্ত ইতিবাচক এবং তারা কেবল প্রথম ম্যাচ নয়, পুরো টুর্নামেন্ট নিয়েই আত্মবিশ্বাসী। প্রতিপক্ষ মরক্কোকে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে খেলা সফল ও উচ্চমানের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত একটি সুসংগঠিত দল হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন তিনি।
আধুনিক ফুটবলে কোনো দলই ছোট নয় উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন, রক্ষণভাগ, আক্রমণভাগ কিংবা ট্রানজিশন সব বিভাগেই ব্রাজিলকে একটি নিখুঁত ম্যাচ খেলতে হবে। বিশেষ করে সেট পিসে নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাড়তি নজর দিতে চান তিনি, যাতে মাঠে দুই দলের সমর্থকরাই একটি দারুণ উপভোগ্য ম্যাচ দেখতে পান। সবশেষে চলমান বিশ্বকাপে স্পেনকে মূল ফেভারিট ধরার প্রবণতার সঙ্গে কিছুটা দ্বিমত পোষণ করেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই গুরু। তার মতে, এবারের বিশ্বকাপটি হতে যাচ্ছে অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ, যেখানে একক কোনো ফেবারিট নেই এবং বেশ কয়েকটি দলেরই শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সমান সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্রাজিল জেতার জন্য লড়বে: আনচেলত্তি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ দুই যুগের খরা কাটানোর গুরুভার কাঁধে নিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নিউজার্সির রেড বুল মাঠে টানা আড়াই ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার কঠোর অনুশীলন শেষে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলনে করেছেন সেলেসাওদের ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড কার্লো আনচেলত্তি। ২০২৫ সালের মে মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর হাইপ্রোফাইল কোনো জাতীয় দলের ডাগআউটে এটিই এই বর্ষীয়ান কোচের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। আফ্রিকার শক্তিশালী দল মরক্কোর বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে তার আসল পরীক্ষা।
ক্লাব ফুটবলে সম্ভাব্য সব সাফল্য পাওয়া এ কোচের ওপর শুধু ব্রাজিলের ২২ কোটি মানুষই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ভক্তের নজর। মরক্কোর মুখোমুখি হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে একের পর এক কঠিন ও তীক্ষ্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে আনচেলত্তি বাস্তবতা ও আশাবাদের এক দারুণ সংমিশ্রণ ফুটিয়ে তোলেন। ২০০২ সালের পর আর ট্রফি না পাওয়ার আক্ষেপ ঘোচানোর প্রশ্নে তিনি বলেন, ব্রাজিল এমন একটি দল যা টেকনিক্যাল এবং অভিজ্ঞতার দিক থেকে সমৃদ্ধ এবং বিশ্বের যেকোনো দলের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করার পূর্ণ আত্মবিশ্বাস তাদের রয়েছে।
কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোকে নিয়ে ব্রাজিল দল কোনো মনস্তাত্ত্বিক চাপে বা ভয়ে আছে কিনা প্রশ্নের জবাবে ৬৭ বছর বয়সী কোচ জীবনের এক গভীর দর্শন টেনে আনেন। তিনি বলেন, ভয় জীবনের একটি অত্যন্ত মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা মূলত জীবন বাঁচায়। কারণ ভয় না থাকলে সামনে সিংহ পড়লেও তাকে বিড়াল মনে হতে পারে। এ ভীতিই মূলত দলকে সতর্ক ও চিন্তাভাবনা করতে বাধ্য করে, যাতে মাঠে সম্ভাব্য সেরা খেলাটি উপহার দেওয়া যায়। স্বভাবগতভাবেই চরম আশাবাদী এই ইতালিয়ান কোচ দাবি করেন, তার দল প্রথম ম্যাচসহ পুরো বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
জাতীয় দলের ডাগআউটে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার প্রশ্নে তিনি অত্যন্ত বিনীতভাবে উত্তর দেন। আনচেলত্তি জানান, এ অসাধারণ দেশটির প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে তিনি সম্মানিত ও আনন্দিত বোধ করছেন এবং দলকে সফল করতে প্রয়োজনীয় সবটুকুই করবেন। দল নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি তার ভেতরের মানবিক দিকটি লুকাতে পারেননি। শেষ মুহূর্তে গুরুতর চোটের কারণে তারকা খেলোয়াড় ওয়েসলির বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়াটাকে দুঃখজনক বলে আখ্যা দেন তিনি। সেলেসাওদের এ মাস্টারমইন্ড বলেন, কোনো খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া তার কাজের সবচেয়ে অপ্রিয় দিক। তবে মাঝমাঠকে আরও নিরেট ও শক্তিশালী করতে তারা দলে এনেছেন এদেরসনকে, যিনি ক্লাবের হয়ে মরশুমের শেষভাগে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন।
বিশ্বকাপের ট্রফি জয়ের অলৌকিক কোনো নিশ্চয়তা না দিলেও জেতার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আনচেলত্তি। খুঁটিনাটি বিষয়ে নিখুঁত মনোযোগ দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, দলের বর্তমান অনুভূতি অত্যন্ত ইতিবাচক এবং তারা কেবল প্রথম ম্যাচ নয়, পুরো টুর্নামেন্ট নিয়েই আত্মবিশ্বাসী। প্রতিপক্ষ মরক্কোকে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে খেলা সফল ও উচ্চমানের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত একটি সুসংগঠিত দল হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন তিনি।
আধুনিক ফুটবলে কোনো দলই ছোট নয় উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন, রক্ষণভাগ, আক্রমণভাগ কিংবা ট্রানজিশন সব বিভাগেই ব্রাজিলকে একটি নিখুঁত ম্যাচ খেলতে হবে। বিশেষ করে সেট পিসে নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাড়তি নজর দিতে চান তিনি, যাতে মাঠে দুই দলের সমর্থকরাই একটি দারুণ উপভোগ্য ম্যাচ দেখতে পান। সবশেষে চলমান বিশ্বকাপে স্পেনকে মূল ফেভারিট ধরার প্রবণতার সঙ্গে কিছুটা দ্বিমত পোষণ করেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই গুরু। তার মতে, এবারের বিশ্বকাপটি হতে যাচ্ছে অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ, যেখানে একক কোনো ফেবারিট নেই এবং বেশ কয়েকটি দলেরই শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সমান সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ইংল্যান্ড দলের অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি
বসনিয়ার সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে বিশ্বকাপ শুরু কানাডার

