মাঠে হ্যাটট্রিকের পর অন্য গল্প শোনালেন মেসি

মাঠে হ্যাটট্রিকের পর অন্য গল্প শোনালেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

কাতার বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী আর্জেন্টিনা আবারও মেতেছে লিওনেল মেসির জাদুতে। যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে নতুন এক বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করলেন ৩৮ বছর বয়সী এ ফুটবল মহাতারকা। মাঠে তার অতিমানবীয় পারফরম্যান্স ও রেকর্ডের বন্যার পর ম্যাচ শেষে অবশ্য এক অন্য মেসির দেখা মিলল, যিনি মাঠের বাইরের মানসিক লড়াইয়ের গল্প ভাগ করে নিলেন সবার সঙ্গে।
ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক স্বীকার করেন, এ টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তিনি মানসিকভাবে বেশ কঠিন একটা সময় পার করছিলেন। ফুটবলের বাইরে থাকার কারণে তৈরি হওয়া সেই দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য কোচিং স্টাফ ও সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে জয় নিয়ে মেসি বলেন, প্রতিপক্ষ দলটিতে বেশ কিছু দ্রুতগতির ও পরিশ্রমী খেলোয়াড় থাকায় ম্যাচটি সহজ ছিল না। তবে শুরুতে গোল পেয়ে যাওয়ায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয়েছে। কাতার বিশ্বকাপের শিক্ষা মনে করিয়ে তিনি জানান, এ মঞ্চে কোনো দলই কাউকে কিছু উপহার দেয় না, তাই আগামীর প্রতিটি ম্যাচই হবে চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
বয়স ৩৯ ছুঁইছুঁই হলেও মাঠে মেসির খেলায় সেই চিরচেনা ক্ষুধা ও ধার কমেনি। এ বয়সেও মাঠে সেরাটা দেওয়ার অনুপ্রেরণা সম্পর্কে তিনি জানান, ফুটবলের প্রতি আজন্ম ভালোবাসাই তাকে তাগিদ জোগায়। টেনিস কিংবদন্তি রাফায়েল নাদালের নাদালের মানসিকতার সাথে তিনি নিজের মিল খুঁজে পান। সবসময় নিজের সর্বস্ব দেওয়ার এবং খেলা উপভোগ করার চেষ্টা থাকে। যতদিন শরীর ফিট থাকবে, ততদিন মাঠে থাকার ইচ্ছের কথাও জানান তিনি।
এ ম্যাচে তিন গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় আরও ওপরে উঠে এসেছেন মেসি। তবে ব্যক্তিগত রেকর্ড নিয়ে তার তেমন কোনো মাথা ব্যথা নেই। মিরোস্লাভ ক্লোসা, কিলিয়ান এমবাপ্পের পাশাপাশি ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদোকে স্মরণ করে তিনি বলেন, শৈশবের আদর্শ রোনালদোর মতো কিংবদন্তির পাশে নাম থাকাটা সম্মানের এবং এটি বিশ্বকাপের সমৃদ্ধ ইতিহাসকেই প্রমাণ করে। তবে রেকর্ড বা তালিকায় কে ওপরে থাকল, তা তার কাছে কিছু পরিসংখ্যান ছাড়া আর কিছুই নয়।

কাতার বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী আর্জেন্টিনা আবারও মেতেছে লিওনেল মেসির জাদুতে। যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে নতুন এক বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করলেন ৩৮ বছর বয়সী এ ফুটবল মহাতারকা। মাঠে তার অতিমানবীয় পারফরম্যান্স ও রেকর্ডের বন্যার পর ম্যাচ শেষে অবশ্য এক অন্য মেসির দেখা মিলল, যিনি মাঠের বাইরের মানসিক লড়াইয়ের গল্প ভাগ করে নিলেন সবার সঙ্গে।
ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক স্বীকার করেন, এ টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তিনি মানসিকভাবে বেশ কঠিন একটা সময় পার করছিলেন। ফুটবলের বাইরে থাকার কারণে তৈরি হওয়া সেই দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য কোচিং স্টাফ ও সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে জয় নিয়ে মেসি বলেন, প্রতিপক্ষ দলটিতে বেশ কিছু দ্রুতগতির ও পরিশ্রমী খেলোয়াড় থাকায় ম্যাচটি সহজ ছিল না। তবে শুরুতে গোল পেয়ে যাওয়ায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয়েছে। কাতার বিশ্বকাপের শিক্ষা মনে করিয়ে তিনি জানান, এ মঞ্চে কোনো দলই কাউকে কিছু উপহার দেয় না, তাই আগামীর প্রতিটি ম্যাচই হবে চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
বয়স ৩৯ ছুঁইছুঁই হলেও মাঠে মেসির খেলায় সেই চিরচেনা ক্ষুধা ও ধার কমেনি। এ বয়সেও মাঠে সেরাটা দেওয়ার অনুপ্রেরণা সম্পর্কে তিনি জানান, ফুটবলের প্রতি আজন্ম ভালোবাসাই তাকে তাগিদ জোগায়। টেনিস কিংবদন্তি রাফায়েল নাদালের নাদালের মানসিকতার সাথে তিনি নিজের মিল খুঁজে পান। সবসময় নিজের সর্বস্ব দেওয়ার এবং খেলা উপভোগ করার চেষ্টা থাকে। যতদিন শরীর ফিট থাকবে, ততদিন মাঠে থাকার ইচ্ছের কথাও জানান তিনি।
এ ম্যাচে তিন গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় আরও ওপরে উঠে এসেছেন মেসি। তবে ব্যক্তিগত রেকর্ড নিয়ে তার তেমন কোনো মাথা ব্যথা নেই। মিরোস্লাভ ক্লোসা, কিলিয়ান এমবাপ্পের পাশাপাশি ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদোকে স্মরণ করে তিনি বলেন, শৈশবের আদর্শ রোনালদোর মতো কিংবদন্তির পাশে নাম থাকাটা সম্মানের এবং এটি বিশ্বকাপের সমৃদ্ধ ইতিহাসকেই প্রমাণ করে। তবে রেকর্ড বা তালিকায় কে ওপরে থাকল, তা তার কাছে কিছু পরিসংখ্যান ছাড়া আর কিছুই নয়।

মাঠে হ্যাটট্রিকের পর অন্য গল্প শোনালেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

কাতার বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী আর্জেন্টিনা আবারও মেতেছে লিওনেল মেসির জাদুতে। যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে নতুন এক বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করলেন ৩৮ বছর বয়সী এ ফুটবল মহাতারকা। মাঠে তার অতিমানবীয় পারফরম্যান্স ও রেকর্ডের বন্যার পর ম্যাচ শেষে অবশ্য এক অন্য মেসির দেখা মিলল, যিনি মাঠের বাইরের মানসিক লড়াইয়ের গল্প ভাগ করে নিলেন সবার সঙ্গে।
ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক স্বীকার করেন, এ টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তিনি মানসিকভাবে বেশ কঠিন একটা সময় পার করছিলেন। ফুটবলের বাইরে থাকার কারণে তৈরি হওয়া সেই দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য কোচিং স্টাফ ও সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে জয় নিয়ে মেসি বলেন, প্রতিপক্ষ দলটিতে বেশ কিছু দ্রুতগতির ও পরিশ্রমী খেলোয়াড় থাকায় ম্যাচটি সহজ ছিল না। তবে শুরুতে গোল পেয়ে যাওয়ায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয়েছে। কাতার বিশ্বকাপের শিক্ষা মনে করিয়ে তিনি জানান, এ মঞ্চে কোনো দলই কাউকে কিছু উপহার দেয় না, তাই আগামীর প্রতিটি ম্যাচই হবে চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
বয়স ৩৯ ছুঁইছুঁই হলেও মাঠে মেসির খেলায় সেই চিরচেনা ক্ষুধা ও ধার কমেনি। এ বয়সেও মাঠে সেরাটা দেওয়ার অনুপ্রেরণা সম্পর্কে তিনি জানান, ফুটবলের প্রতি আজন্ম ভালোবাসাই তাকে তাগিদ জোগায়। টেনিস কিংবদন্তি রাফায়েল নাদালের নাদালের মানসিকতার সাথে তিনি নিজের মিল খুঁজে পান। সবসময় নিজের সর্বস্ব দেওয়ার এবং খেলা উপভোগ করার চেষ্টা থাকে। যতদিন শরীর ফিট থাকবে, ততদিন মাঠে থাকার ইচ্ছের কথাও জানান তিনি।
এ ম্যাচে তিন গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় আরও ওপরে উঠে এসেছেন মেসি। তবে ব্যক্তিগত রেকর্ড নিয়ে তার তেমন কোনো মাথা ব্যথা নেই। মিরোস্লাভ ক্লোসা, কিলিয়ান এমবাপ্পের পাশাপাশি ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদোকে স্মরণ করে তিনি বলেন, শৈশবের আদর্শ রোনালদোর মতো কিংবদন্তির পাশে নাম থাকাটা সম্মানের এবং এটি বিশ্বকাপের সমৃদ্ধ ইতিহাসকেই প্রমাণ করে। তবে রেকর্ড বা তালিকায় কে ওপরে থাকল, তা তার কাছে কিছু পরিসংখ্যান ছাড়া আর কিছুই নয়।

রোনালদোর পাশে থাকতে পারাটা অনেক সম্মানের: মেসি


