২২ গজে ‘বৈশাখী ঝড়’ তুললেন রানা

২২ গজে ‘বৈশাখী ঝড়’ তুললেন রানা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের কোনো পেসার ১৫০ বা তার বেশি গতিতে বল করবেন, এটা ছিল কল্পনাতীত। সেটি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন নাহিদ রানা। চাপাইনবাবগঞ্জে জন্ম নেওয়া নাহিদ ১৮ বছর বয়সে অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হন। অর্থাৎ এর আগে কাঠের বল হাতে নেওয়া হয়নি তার। সেখান থেকে গতি দিয়ে নজর কেড়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সুযোগ পান। সেই নাহিদ সব ফরম্যাট মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এরই মধ্যে খেলে ফেলেছেন ২১টি ম্যাচ।
২৩ বছরের এই তরুণের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার মাত্র শুরু বললেও ভুল হবে না। প্রথম থেকেই নাহিদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়ার কথা বলছেন অনেকে। সেই তালিকায় আছেন ইয়ান বিশপ, শাহিন শাহ আফ্রিদিসহ আরও অনেকে।
তার প্রতি কেন যত্নবান হওয়ার কথা বলছেন বড় বড় ক্রিকেটাররা সোমবার (২০ এপ্রিল) আবারও সেই প্রমাণ দিলেন নাহিদ। এদিন মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইপআপ রীতিমত ধসিয়ে দিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার।
সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১০ ওভার বল করে ৩২ রান দিয়ে ৫ উইকেট দখল করেন নাহিদ। দশম ওয়ানডে খেলতে নামা নাহিদের এটি দ্বিতীয়বার পাঁচ উইকেট শিকার। তাতে দারুণ এক কীর্তিও গড়েছেন।
ওয়ানডেতে প্রথম ১০ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে একাধিক ফাইফার নেওয়া দ্বিতীয় বোলার নাহিদ রানা। ১০ ওয়ানডেতে মোস্তাফিজুর রহমান ৩ বার ফাইফার নিয়েছিলেন।
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের পেসাররা ওয়ানডেতে মোট ১৬ বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। তালিকায় সবার ওপরে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান, কাটার মাস্টার পাঁচবার ‘ফাইফার’ নিয়েছেন। তার পরেই আছেন তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা-দুজনেরই ঝুলিতে রয়েছে দুটি করে পাঁচ উইকেট।
এছাড়া একবার করে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন আবু জায়েদ রাহী, ফরহাদ রেজা, হাসান মাহমুদ, আফতাব আহমেদ, জিয়াউর রহমান, রুবেল হোসেন এবং মাশরাফি বিন মর্তুজা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ২৮ জন বোলার ওয়ানডেতে ইনিংসে ফাইফার নিয়েছেন।
৫ উইকেট তো আরও কত বোলারই নেন। নহিদকে নিয়ে কেন এতো আলোচনা? নাহিদের গতি আছে। তার গতি বাংলাদেশ দলের জন্য আশীর্বাদ।
আজ ইনিংসের অষ্টম ওভারে তাকে প্রথম আক্রমণে আনেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম বলেই ১৪৪.৭ কিমি গতিতে স্টাম্পে ফুল লেংথে করা বলটা হঠাৎ ভেতরে ঢুকে যায়, লাইন ক্রস করে খেলতে গিয়ে রানার পেসে কুপোকাত হন ব্যাটার হেনরি নিকোলস। বল লাগে পায়ে, এলবিডাব্লিউর আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার।
ধারাভাষ্যকার বললেন, ‘কী অসাধারণ ডেলিভারি, দুর্দান্ত শুরু!’ দ্বিতীয় উইকেট ভয়ংকর এক বাউন্সারে! ১৪৬.৮ কিমি গতির বাউন্সার উইল ইয়ংকে চমকে দেয়।
নাহিদকে প্রথম স্পেলে টানা ৫ ওভার বোলিং করিয়েছেন অধিনায়ক মিরাজ। এই সময়ে মাত্র ১০ রান খরচাতেই জোড়া উইকেট নিয়েছেন চাপাইনবাবগঞ্জ এক্সপ্রেস।
দ্বিতীয় স্পেলে ২৯তম ওভারে রানাকে আক্রমণে ফেরান মিরাজ। এই স্পেলেও প্রথম ওভারেই উইকেট নেন। ওভারের তৃতীয় বলে মোহাম্মদ আব্বাসকে ফেরান তিনি। এই স্পেলে ৩ ওভার বোলিং ১০ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন রানা।
এরপর এক ওভার করে দুই স্পেলে বোলিং করেন এই পেসার। দুইবারই পান উইকেটের দেখা। ৪৩তম ওভারের প্রথম বলে রানার শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন ডিন ফক্সক্রফট। নিজের শেষ ওভারের তৃতীয় বল, ঘণ্টায় ১৪১.৬ কিলোমিটার গতির দুর্দান্ত এক ইয়র্কার উড়ে যায় জেইডন ল্যানক্সের উইকেট। তাতে ৫ উইকেট পূর্ণ হয় নাহিদের।
তিনি যে ৫টি উইকেট নিয়েছেন, সেই ডেলিভারিগুলোর গতির হিসেবটা এমন- ১৪৪.৭, ১৪৬.৮, ১৪৬.১, ১৪৪.১ এবং ১৪১.৬ কিলোমিটার।
এর আগে গত মার্চে এই মিরপুরেই পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২৪ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন নাহিদ রানা। তখন পাকিস্তানি অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য নাহিদ সম্ভাবনাময় প্রতিভা। বাংলাদেশের উচিত তার যত্ন নেওয়া। প্রতিটি ম্যাচে তাকে ব্যবহার না করে, শুধু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে খেলানো উচিত।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই ৫ উইকেট নেওয়ার পর মাঝে তিন ম্যাচে রান দিলেও (৫৯, ৬২ ও ৬৫) আজ ফিরলেন রানা ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপে। বৈশাখের তপ্ত গরমে ২২ গজে তুললেন ঝড়।
এছাড়া ১০ টেস্টে, ১৭ ইনিংসে এরই মধ্যে নাহিদ দখল করেছেন ২৭ উইকেট, সেখানেও ৫ উইকেট আছে একবার। ওয়ানডেতে নাহিদের উইকেট সংখ্যা এখন ১৯টি। একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি খেলে নিয়েছেন ২ উইকেট।

বাংলাদেশের কোনো পেসার ১৫০ বা তার বেশি গতিতে বল করবেন, এটা ছিল কল্পনাতীত। সেটি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন নাহিদ রানা। চাপাইনবাবগঞ্জে জন্ম নেওয়া নাহিদ ১৮ বছর বয়সে অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হন। অর্থাৎ এর আগে কাঠের বল হাতে নেওয়া হয়নি তার। সেখান থেকে গতি দিয়ে নজর কেড়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সুযোগ পান। সেই নাহিদ সব ফরম্যাট মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এরই মধ্যে খেলে ফেলেছেন ২১টি ম্যাচ।
২৩ বছরের এই তরুণের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার মাত্র শুরু বললেও ভুল হবে না। প্রথম থেকেই নাহিদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়ার কথা বলছেন অনেকে। সেই তালিকায় আছেন ইয়ান বিশপ, শাহিন শাহ আফ্রিদিসহ আরও অনেকে।
তার প্রতি কেন যত্নবান হওয়ার কথা বলছেন বড় বড় ক্রিকেটাররা সোমবার (২০ এপ্রিল) আবারও সেই প্রমাণ দিলেন নাহিদ। এদিন মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইপআপ রীতিমত ধসিয়ে দিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার।
সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১০ ওভার বল করে ৩২ রান দিয়ে ৫ উইকেট দখল করেন নাহিদ। দশম ওয়ানডে খেলতে নামা নাহিদের এটি দ্বিতীয়বার পাঁচ উইকেট শিকার। তাতে দারুণ এক কীর্তিও গড়েছেন।
ওয়ানডেতে প্রথম ১০ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে একাধিক ফাইফার নেওয়া দ্বিতীয় বোলার নাহিদ রানা। ১০ ওয়ানডেতে মোস্তাফিজুর রহমান ৩ বার ফাইফার নিয়েছিলেন।
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের পেসাররা ওয়ানডেতে মোট ১৬ বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। তালিকায় সবার ওপরে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান, কাটার মাস্টার পাঁচবার ‘ফাইফার’ নিয়েছেন। তার পরেই আছেন তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা-দুজনেরই ঝুলিতে রয়েছে দুটি করে পাঁচ উইকেট।
এছাড়া একবার করে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন আবু জায়েদ রাহী, ফরহাদ রেজা, হাসান মাহমুদ, আফতাব আহমেদ, জিয়াউর রহমান, রুবেল হোসেন এবং মাশরাফি বিন মর্তুজা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ২৮ জন বোলার ওয়ানডেতে ইনিংসে ফাইফার নিয়েছেন।
৫ উইকেট তো আরও কত বোলারই নেন। নহিদকে নিয়ে কেন এতো আলোচনা? নাহিদের গতি আছে। তার গতি বাংলাদেশ দলের জন্য আশীর্বাদ।
আজ ইনিংসের অষ্টম ওভারে তাকে প্রথম আক্রমণে আনেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম বলেই ১৪৪.৭ কিমি গতিতে স্টাম্পে ফুল লেংথে করা বলটা হঠাৎ ভেতরে ঢুকে যায়, লাইন ক্রস করে খেলতে গিয়ে রানার পেসে কুপোকাত হন ব্যাটার হেনরি নিকোলস। বল লাগে পায়ে, এলবিডাব্লিউর আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার।
ধারাভাষ্যকার বললেন, ‘কী অসাধারণ ডেলিভারি, দুর্দান্ত শুরু!’ দ্বিতীয় উইকেট ভয়ংকর এক বাউন্সারে! ১৪৬.৮ কিমি গতির বাউন্সার উইল ইয়ংকে চমকে দেয়।
নাহিদকে প্রথম স্পেলে টানা ৫ ওভার বোলিং করিয়েছেন অধিনায়ক মিরাজ। এই সময়ে মাত্র ১০ রান খরচাতেই জোড়া উইকেট নিয়েছেন চাপাইনবাবগঞ্জ এক্সপ্রেস।
দ্বিতীয় স্পেলে ২৯তম ওভারে রানাকে আক্রমণে ফেরান মিরাজ। এই স্পেলেও প্রথম ওভারেই উইকেট নেন। ওভারের তৃতীয় বলে মোহাম্মদ আব্বাসকে ফেরান তিনি। এই স্পেলে ৩ ওভার বোলিং ১০ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন রানা।
এরপর এক ওভার করে দুই স্পেলে বোলিং করেন এই পেসার। দুইবারই পান উইকেটের দেখা। ৪৩তম ওভারের প্রথম বলে রানার শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন ডিন ফক্সক্রফট। নিজের শেষ ওভারের তৃতীয় বল, ঘণ্টায় ১৪১.৬ কিলোমিটার গতির দুর্দান্ত এক ইয়র্কার উড়ে যায় জেইডন ল্যানক্সের উইকেট। তাতে ৫ উইকেট পূর্ণ হয় নাহিদের।
তিনি যে ৫টি উইকেট নিয়েছেন, সেই ডেলিভারিগুলোর গতির হিসেবটা এমন- ১৪৪.৭, ১৪৬.৮, ১৪৬.১, ১৪৪.১ এবং ১৪১.৬ কিলোমিটার।
এর আগে গত মার্চে এই মিরপুরেই পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২৪ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন নাহিদ রানা। তখন পাকিস্তানি অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য নাহিদ সম্ভাবনাময় প্রতিভা। বাংলাদেশের উচিত তার যত্ন নেওয়া। প্রতিটি ম্যাচে তাকে ব্যবহার না করে, শুধু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে খেলানো উচিত।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই ৫ উইকেট নেওয়ার পর মাঝে তিন ম্যাচে রান দিলেও (৫৯, ৬২ ও ৬৫) আজ ফিরলেন রানা ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপে। বৈশাখের তপ্ত গরমে ২২ গজে তুললেন ঝড়।
এছাড়া ১০ টেস্টে, ১৭ ইনিংসে এরই মধ্যে নাহিদ দখল করেছেন ২৭ উইকেট, সেখানেও ৫ উইকেট আছে একবার। ওয়ানডেতে নাহিদের উইকেট সংখ্যা এখন ১৯টি। একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি খেলে নিয়েছেন ২ উইকেট।

২২ গজে ‘বৈশাখী ঝড়’ তুললেন রানা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের কোনো পেসার ১৫০ বা তার বেশি গতিতে বল করবেন, এটা ছিল কল্পনাতীত। সেটি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন নাহিদ রানা। চাপাইনবাবগঞ্জে জন্ম নেওয়া নাহিদ ১৮ বছর বয়সে অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হন। অর্থাৎ এর আগে কাঠের বল হাতে নেওয়া হয়নি তার। সেখান থেকে গতি দিয়ে নজর কেড়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সুযোগ পান। সেই নাহিদ সব ফরম্যাট মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এরই মধ্যে খেলে ফেলেছেন ২১টি ম্যাচ।
২৩ বছরের এই তরুণের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার মাত্র শুরু বললেও ভুল হবে না। প্রথম থেকেই নাহিদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়ার কথা বলছেন অনেকে। সেই তালিকায় আছেন ইয়ান বিশপ, শাহিন শাহ আফ্রিদিসহ আরও অনেকে।
তার প্রতি কেন যত্নবান হওয়ার কথা বলছেন বড় বড় ক্রিকেটাররা সোমবার (২০ এপ্রিল) আবারও সেই প্রমাণ দিলেন নাহিদ। এদিন মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইপআপ রীতিমত ধসিয়ে দিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার।
সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১০ ওভার বল করে ৩২ রান দিয়ে ৫ উইকেট দখল করেন নাহিদ। দশম ওয়ানডে খেলতে নামা নাহিদের এটি দ্বিতীয়বার পাঁচ উইকেট শিকার। তাতে দারুণ এক কীর্তিও গড়েছেন।
ওয়ানডেতে প্রথম ১০ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে একাধিক ফাইফার নেওয়া দ্বিতীয় বোলার নাহিদ রানা। ১০ ওয়ানডেতে মোস্তাফিজুর রহমান ৩ বার ফাইফার নিয়েছিলেন।
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের পেসাররা ওয়ানডেতে মোট ১৬ বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। তালিকায় সবার ওপরে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান, কাটার মাস্টার পাঁচবার ‘ফাইফার’ নিয়েছেন। তার পরেই আছেন তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা-দুজনেরই ঝুলিতে রয়েছে দুটি করে পাঁচ উইকেট।
এছাড়া একবার করে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন আবু জায়েদ রাহী, ফরহাদ রেজা, হাসান মাহমুদ, আফতাব আহমেদ, জিয়াউর রহমান, রুবেল হোসেন এবং মাশরাফি বিন মর্তুজা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ২৮ জন বোলার ওয়ানডেতে ইনিংসে ফাইফার নিয়েছেন।
৫ উইকেট তো আরও কত বোলারই নেন। নহিদকে নিয়ে কেন এতো আলোচনা? নাহিদের গতি আছে। তার গতি বাংলাদেশ দলের জন্য আশীর্বাদ।
আজ ইনিংসের অষ্টম ওভারে তাকে প্রথম আক্রমণে আনেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম বলেই ১৪৪.৭ কিমি গতিতে স্টাম্পে ফুল লেংথে করা বলটা হঠাৎ ভেতরে ঢুকে যায়, লাইন ক্রস করে খেলতে গিয়ে রানার পেসে কুপোকাত হন ব্যাটার হেনরি নিকোলস। বল লাগে পায়ে, এলবিডাব্লিউর আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার।
ধারাভাষ্যকার বললেন, ‘কী অসাধারণ ডেলিভারি, দুর্দান্ত শুরু!’ দ্বিতীয় উইকেট ভয়ংকর এক বাউন্সারে! ১৪৬.৮ কিমি গতির বাউন্সার উইল ইয়ংকে চমকে দেয়।
নাহিদকে প্রথম স্পেলে টানা ৫ ওভার বোলিং করিয়েছেন অধিনায়ক মিরাজ। এই সময়ে মাত্র ১০ রান খরচাতেই জোড়া উইকেট নিয়েছেন চাপাইনবাবগঞ্জ এক্সপ্রেস।
দ্বিতীয় স্পেলে ২৯তম ওভারে রানাকে আক্রমণে ফেরান মিরাজ। এই স্পেলেও প্রথম ওভারেই উইকেট নেন। ওভারের তৃতীয় বলে মোহাম্মদ আব্বাসকে ফেরান তিনি। এই স্পেলে ৩ ওভার বোলিং ১০ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন রানা।
এরপর এক ওভার করে দুই স্পেলে বোলিং করেন এই পেসার। দুইবারই পান উইকেটের দেখা। ৪৩তম ওভারের প্রথম বলে রানার শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন ডিন ফক্সক্রফট। নিজের শেষ ওভারের তৃতীয় বল, ঘণ্টায় ১৪১.৬ কিলোমিটার গতির দুর্দান্ত এক ইয়র্কার উড়ে যায় জেইডন ল্যানক্সের উইকেট। তাতে ৫ উইকেট পূর্ণ হয় নাহিদের।
তিনি যে ৫টি উইকেট নিয়েছেন, সেই ডেলিভারিগুলোর গতির হিসেবটা এমন- ১৪৪.৭, ১৪৬.৮, ১৪৬.১, ১৪৪.১ এবং ১৪১.৬ কিলোমিটার।
এর আগে গত মার্চে এই মিরপুরেই পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২৪ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন নাহিদ রানা। তখন পাকিস্তানি অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য নাহিদ সম্ভাবনাময় প্রতিভা। বাংলাদেশের উচিত তার যত্ন নেওয়া। প্রতিটি ম্যাচে তাকে ব্যবহার না করে, শুধু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে খেলানো উচিত।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই ৫ উইকেট নেওয়ার পর মাঝে তিন ম্যাচে রান দিলেও (৫৯, ৬২ ও ৬৫) আজ ফিরলেন রানা ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপে। বৈশাখের তপ্ত গরমে ২২ গজে তুললেন ঝড়।
এছাড়া ১০ টেস্টে, ১৭ ইনিংসে এরই মধ্যে নাহিদ দখল করেছেন ২৭ উইকেট, সেখানেও ৫ উইকেট আছে একবার। ওয়ানডেতে নাহিদের উইকেট সংখ্যা এখন ১৯টি। একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি খেলে নিয়েছেন ২ উইকেট।

শিশুদের বড় একটি অংশ হামে আক্রান্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ হান্নান মাসউদের
১৯ দিনেই এলো ২১২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স


