ফোনের ব্যাটারি দ্রুত কমে গেলে কী করবেন

ফোনের ব্যাটারি দ্রুত কমে গেলে কী করবেন
সিটিজেন ডেস্ক

মুঠোফোনের ব্যাটারির চার্জ হঠাৎ আগের চেয়ে অনেক দ্রুত কমতে শুরু করতে পারে। এতে বেশিরভাগ মানুষই চিন্তিত হয়েছে। প্রথমেই তারা মনে করে ব্যাটারিতে কোনো সমস্যা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো সব সময় ব্যাটারিই সমস্যার মূল নয়। মুঠোফোনের পর্দা ও অ্যাপগুলো বেশি সময় ধরে চালু থাকা, ডিভাইস গরম হয়ে যাওয়া, এমনকি কিছু সিস্টেম সেটিংসও দ্রুত চার্জ কমিয়ে দিতে পারে।
ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমে যাওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর একটি হলো মুঠোফোনের পর্দা। পর্দা যত বেশি সময় চালু থাকে, ব্যাটারির ওপর চাপও ততো বাড়ে। অ্যাপল তাদের ব্যাটারি ব্যবহারের নির্দেশিকায় “অন স্ক্রিন” সময়কে চার্জ কমে যাওয়ার বড় কারণ বলে উল্লেখ করেছে। পর্দার উজ্জ্বলতা বেশি থাকলেও চার্জ দ্রুত কমে যেতে পারে।
আরেকটি বড় কারণ ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অ্যাপ। অনেক সময় আপনি অ্যাপ বন্ধ করেছেন ভেবে বসে থাকেন, কিন্তু সেটি পেছনে ছবি সিঙ্ক করছে, মেইল টানছে, লোকেশন ব্যবহার করছে বা নোটিফিকেশন পাঠাচ্ছে। অ্যাপল ‘ব্যাকগ্রাউন্ড এক্টিভিটিস’ এবং গুগল ‘ব্যাটারি ব্যবহার’ দেখে এমন অ্যাপ শনাক্ত করার পরামর্শ দেয়। স্যামসাংও কম ব্যবহৃত অ্যাপকে বন্ধ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকলেও ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হতে পারে। কারণ তখন ডিভাইসটি বারবার সিগনাল খোঁজে। অ্যাপল কম সিগনাল বা নো কাভারেজকে ব্যাটারির চার্জ কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। স্যামসাংও বলছে, দুর্বল নেটওয়ার্কে ফোন বেশি শক্তি খরচ করে।
ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে সমস্যাটা আরও বাড়ে। গুগল পিক্সেলের গ্রাহক সেবা কেন্দ্র বলছে, মুঠোফোন গরম থাকলে ব্যবহার না করলেও চার্জ দ্রুত কমতে পারে। স্যামসাংও গরম হলে উজ্জ্বলতা কমানো, অপ্রয়োজনীয় ওয়াই-ফাই, জিপিএস, ব্লুটুথ বন্ধ রাখা এবং বেশি শক্তি খাওয়া অ্যাপ বন্ধ করার পরামর্শ দেয়।
কখনও কখনও সফটওয়্যার বা সিস্টেম প্রসেসের কারণেও ব্যাটারির চার্জ কমতে পারে। আইফোনের সেটিংসের ব্যাটারির রিসেন্ট ইনসাইটস গিয়ে দেখা যায়, যেখানে ফোন নিজেই ইঙ্গিত দেয় কোন ধরনের ব্যবহার বা অবস্থা ব্যাটারিকে প্রভাবিত করছে।
এ ছাড়া আছে ব্যাটারির আয়ু। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সময়ের সঙ্গে ক্ষমতা হারায়, তাই পুরোনো ফোনে একই চার্জে আগের মতো ব্যাকআপ না-ও মিলতে পারে। আইফোনে ব্যাটারি হেলথ দেখা যায়, আর গুগল পিক্সেল-এ ব্যাটারি হেলথ সংক্রান্ত সেটিংস ও সহায়তা রয়েছে।
ব্যাটারির সমস্যা সমাধান পেতে প্রথমেই দেখে নিতে হবে, আসলে শক্তি খাচ্ছে কে। আইফোন সেটিংস > ব্যাটারি, গুগল পিক্সেলে ব্যাটারি ইউসেজ বা ব্যাটারি ডায়াগনস্টিক, আর স্যামসংয়ে ব্যাটারি বা ডিভাইস কেয়ার মেনুতে গেলে সমস্যার দিকটা ধরা পড়ে। কোন অ্যাপ বেশি চার্জ খাচ্ছে ব্যাকগ্রাউন্ড ইউসেজ কেমন, পাওয়ার সেভিং দরকার কি না, সেগুলো সেখান থেকেই বোঝা যায়।
চার্জ বাঁচাতে কয়েকটি সহজ কাজ করা যায়। স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমানো, জিপেএস ও অকারণে চালু না রাখা, চলা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করা, আর দুর্বল সিগনাল এলাকায় দীর্ঘ সময় থাকলে দরকারে এয়ারপ্লেন মোড ব্যবহার করা কাজে দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, ফোনের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া মানেই ব্যাটারি শেষ হয়ে গেছে-এমন না। অনেক সময় ফোনই ইশারা দেয় কোথায় শক্তি খরচ হচ্ছে। সেই ইশারা ধরতে পারলেই বোঝা যায় সমস্যা অ্যাপে, নেটওয়ার্কে, গরমে, নাকি সত্যিই ব্যাটারি বদলানোর সময় এসে গেছে।

মুঠোফোনের ব্যাটারির চার্জ হঠাৎ আগের চেয়ে অনেক দ্রুত কমতে শুরু করতে পারে। এতে বেশিরভাগ মানুষই চিন্তিত হয়েছে। প্রথমেই তারা মনে করে ব্যাটারিতে কোনো সমস্যা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো সব সময় ব্যাটারিই সমস্যার মূল নয়। মুঠোফোনের পর্দা ও অ্যাপগুলো বেশি সময় ধরে চালু থাকা, ডিভাইস গরম হয়ে যাওয়া, এমনকি কিছু সিস্টেম সেটিংসও দ্রুত চার্জ কমিয়ে দিতে পারে।
ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমে যাওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর একটি হলো মুঠোফোনের পর্দা। পর্দা যত বেশি সময় চালু থাকে, ব্যাটারির ওপর চাপও ততো বাড়ে। অ্যাপল তাদের ব্যাটারি ব্যবহারের নির্দেশিকায় “অন স্ক্রিন” সময়কে চার্জ কমে যাওয়ার বড় কারণ বলে উল্লেখ করেছে। পর্দার উজ্জ্বলতা বেশি থাকলেও চার্জ দ্রুত কমে যেতে পারে।
আরেকটি বড় কারণ ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অ্যাপ। অনেক সময় আপনি অ্যাপ বন্ধ করেছেন ভেবে বসে থাকেন, কিন্তু সেটি পেছনে ছবি সিঙ্ক করছে, মেইল টানছে, লোকেশন ব্যবহার করছে বা নোটিফিকেশন পাঠাচ্ছে। অ্যাপল ‘ব্যাকগ্রাউন্ড এক্টিভিটিস’ এবং গুগল ‘ব্যাটারি ব্যবহার’ দেখে এমন অ্যাপ শনাক্ত করার পরামর্শ দেয়। স্যামসাংও কম ব্যবহৃত অ্যাপকে বন্ধ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকলেও ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হতে পারে। কারণ তখন ডিভাইসটি বারবার সিগনাল খোঁজে। অ্যাপল কম সিগনাল বা নো কাভারেজকে ব্যাটারির চার্জ কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। স্যামসাংও বলছে, দুর্বল নেটওয়ার্কে ফোন বেশি শক্তি খরচ করে।
ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে সমস্যাটা আরও বাড়ে। গুগল পিক্সেলের গ্রাহক সেবা কেন্দ্র বলছে, মুঠোফোন গরম থাকলে ব্যবহার না করলেও চার্জ দ্রুত কমতে পারে। স্যামসাংও গরম হলে উজ্জ্বলতা কমানো, অপ্রয়োজনীয় ওয়াই-ফাই, জিপিএস, ব্লুটুথ বন্ধ রাখা এবং বেশি শক্তি খাওয়া অ্যাপ বন্ধ করার পরামর্শ দেয়।
কখনও কখনও সফটওয়্যার বা সিস্টেম প্রসেসের কারণেও ব্যাটারির চার্জ কমতে পারে। আইফোনের সেটিংসের ব্যাটারির রিসেন্ট ইনসাইটস গিয়ে দেখা যায়, যেখানে ফোন নিজেই ইঙ্গিত দেয় কোন ধরনের ব্যবহার বা অবস্থা ব্যাটারিকে প্রভাবিত করছে।
এ ছাড়া আছে ব্যাটারির আয়ু। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সময়ের সঙ্গে ক্ষমতা হারায়, তাই পুরোনো ফোনে একই চার্জে আগের মতো ব্যাকআপ না-ও মিলতে পারে। আইফোনে ব্যাটারি হেলথ দেখা যায়, আর গুগল পিক্সেল-এ ব্যাটারি হেলথ সংক্রান্ত সেটিংস ও সহায়তা রয়েছে।
ব্যাটারির সমস্যা সমাধান পেতে প্রথমেই দেখে নিতে হবে, আসলে শক্তি খাচ্ছে কে। আইফোন সেটিংস > ব্যাটারি, গুগল পিক্সেলে ব্যাটারি ইউসেজ বা ব্যাটারি ডায়াগনস্টিক, আর স্যামসংয়ে ব্যাটারি বা ডিভাইস কেয়ার মেনুতে গেলে সমস্যার দিকটা ধরা পড়ে। কোন অ্যাপ বেশি চার্জ খাচ্ছে ব্যাকগ্রাউন্ড ইউসেজ কেমন, পাওয়ার সেভিং দরকার কি না, সেগুলো সেখান থেকেই বোঝা যায়।
চার্জ বাঁচাতে কয়েকটি সহজ কাজ করা যায়। স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমানো, জিপেএস ও অকারণে চালু না রাখা, চলা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করা, আর দুর্বল সিগনাল এলাকায় দীর্ঘ সময় থাকলে দরকারে এয়ারপ্লেন মোড ব্যবহার করা কাজে দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, ফোনের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া মানেই ব্যাটারি শেষ হয়ে গেছে-এমন না। অনেক সময় ফোনই ইশারা দেয় কোথায় শক্তি খরচ হচ্ছে। সেই ইশারা ধরতে পারলেই বোঝা যায় সমস্যা অ্যাপে, নেটওয়ার্কে, গরমে, নাকি সত্যিই ব্যাটারি বদলানোর সময় এসে গেছে।

ফোনের ব্যাটারি দ্রুত কমে গেলে কী করবেন
সিটিজেন ডেস্ক

মুঠোফোনের ব্যাটারির চার্জ হঠাৎ আগের চেয়ে অনেক দ্রুত কমতে শুরু করতে পারে। এতে বেশিরভাগ মানুষই চিন্তিত হয়েছে। প্রথমেই তারা মনে করে ব্যাটারিতে কোনো সমস্যা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো সব সময় ব্যাটারিই সমস্যার মূল নয়। মুঠোফোনের পর্দা ও অ্যাপগুলো বেশি সময় ধরে চালু থাকা, ডিভাইস গরম হয়ে যাওয়া, এমনকি কিছু সিস্টেম সেটিংসও দ্রুত চার্জ কমিয়ে দিতে পারে।
ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমে যাওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর একটি হলো মুঠোফোনের পর্দা। পর্দা যত বেশি সময় চালু থাকে, ব্যাটারির ওপর চাপও ততো বাড়ে। অ্যাপল তাদের ব্যাটারি ব্যবহারের নির্দেশিকায় “অন স্ক্রিন” সময়কে চার্জ কমে যাওয়ার বড় কারণ বলে উল্লেখ করেছে। পর্দার উজ্জ্বলতা বেশি থাকলেও চার্জ দ্রুত কমে যেতে পারে।
আরেকটি বড় কারণ ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অ্যাপ। অনেক সময় আপনি অ্যাপ বন্ধ করেছেন ভেবে বসে থাকেন, কিন্তু সেটি পেছনে ছবি সিঙ্ক করছে, মেইল টানছে, লোকেশন ব্যবহার করছে বা নোটিফিকেশন পাঠাচ্ছে। অ্যাপল ‘ব্যাকগ্রাউন্ড এক্টিভিটিস’ এবং গুগল ‘ব্যাটারি ব্যবহার’ দেখে এমন অ্যাপ শনাক্ত করার পরামর্শ দেয়। স্যামসাংও কম ব্যবহৃত অ্যাপকে বন্ধ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকলেও ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হতে পারে। কারণ তখন ডিভাইসটি বারবার সিগনাল খোঁজে। অ্যাপল কম সিগনাল বা নো কাভারেজকে ব্যাটারির চার্জ কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। স্যামসাংও বলছে, দুর্বল নেটওয়ার্কে ফোন বেশি শক্তি খরচ করে।
ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে সমস্যাটা আরও বাড়ে। গুগল পিক্সেলের গ্রাহক সেবা কেন্দ্র বলছে, মুঠোফোন গরম থাকলে ব্যবহার না করলেও চার্জ দ্রুত কমতে পারে। স্যামসাংও গরম হলে উজ্জ্বলতা কমানো, অপ্রয়োজনীয় ওয়াই-ফাই, জিপিএস, ব্লুটুথ বন্ধ রাখা এবং বেশি শক্তি খাওয়া অ্যাপ বন্ধ করার পরামর্শ দেয়।
কখনও কখনও সফটওয়্যার বা সিস্টেম প্রসেসের কারণেও ব্যাটারির চার্জ কমতে পারে। আইফোনের সেটিংসের ব্যাটারির রিসেন্ট ইনসাইটস গিয়ে দেখা যায়, যেখানে ফোন নিজেই ইঙ্গিত দেয় কোন ধরনের ব্যবহার বা অবস্থা ব্যাটারিকে প্রভাবিত করছে।
এ ছাড়া আছে ব্যাটারির আয়ু। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সময়ের সঙ্গে ক্ষমতা হারায়, তাই পুরোনো ফোনে একই চার্জে আগের মতো ব্যাকআপ না-ও মিলতে পারে। আইফোনে ব্যাটারি হেলথ দেখা যায়, আর গুগল পিক্সেল-এ ব্যাটারি হেলথ সংক্রান্ত সেটিংস ও সহায়তা রয়েছে।
ব্যাটারির সমস্যা সমাধান পেতে প্রথমেই দেখে নিতে হবে, আসলে শক্তি খাচ্ছে কে। আইফোন সেটিংস > ব্যাটারি, গুগল পিক্সেলে ব্যাটারি ইউসেজ বা ব্যাটারি ডায়াগনস্টিক, আর স্যামসংয়ে ব্যাটারি বা ডিভাইস কেয়ার মেনুতে গেলে সমস্যার দিকটা ধরা পড়ে। কোন অ্যাপ বেশি চার্জ খাচ্ছে ব্যাকগ্রাউন্ড ইউসেজ কেমন, পাওয়ার সেভিং দরকার কি না, সেগুলো সেখান থেকেই বোঝা যায়।
চার্জ বাঁচাতে কয়েকটি সহজ কাজ করা যায়। স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমানো, জিপেএস ও অকারণে চালু না রাখা, চলা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করা, আর দুর্বল সিগনাল এলাকায় দীর্ঘ সময় থাকলে দরকারে এয়ারপ্লেন মোড ব্যবহার করা কাজে দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, ফোনের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া মানেই ব্যাটারি শেষ হয়ে গেছে-এমন না। অনেক সময় ফোনই ইশারা দেয় কোথায় শক্তি খরচ হচ্ছে। সেই ইশারা ধরতে পারলেই বোঝা যায় সমস্যা অ্যাপে, নেটওয়ার্কে, গরমে, নাকি সত্যিই ব্যাটারি বদলানোর সময় এসে গেছে।




