আর্টেমিস-২ থেকে পৃথিবীর চোখধাঁধানো ছবি পাঠালো নভোচারীরা

আর্টেমিস-২ থেকে পৃথিবীর চোখধাঁধানো ছবি পাঠালো নভোচারীরা
সিটিজেন ডেস্ক

চাঁদ আর পৃথিবীর মাঝামাঝি দূরত্বে পৌঁছে মহাকাশযান ওরিয়ন থেকে পৃথিবীর বেশ কিছু চোখধাঁধানো ও উচ্চমানের ছবি পাঠিয়েছেন আর্টেমিস টু মিশনের নভোচারীরা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই ছবিগুলো প্রকাশ করেছে। ছবিগুলো মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান তার লেন্সবন্দি করেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সফলভাবে 'ট্রান্স-লুনার ইনজেকশন বার্ন' সম্পন্ন করার পরই ওরিয়ন ক্যাপসুলটি পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে বেরিয়ে চাঁদের পথে যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশ সময় শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টা পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, নভোচারীরা পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিলেন, যেখানে চাঁদ থেকে তাদের দূরত্ব ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের কিছু কম।
নাসার প্রকাশিত ‘হ্যালো, ওয়ার্ল্ড’ নামক একটি ছবিতে আটলান্টিক মহাসাগরের বিশাল নীল জলরাশি এবং দুই মেরুর উজ্জ্বল সবুজ আলোকচ্ছটা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। মহাকাশ থেকে তোলা এ ছবিতে বাম দিকে সাহারা মরুভূমি ও আইবেরিয়ান উপদ্বীপ এবং ডানে দক্ষিণ আমেরিকার পূর্বাংশ দেখা যাচ্ছে, যার এক কোণে উজ্জ্বল শুক্র গ্রহের উপস্থিতি দৃশ্যমান।
আরেকটি ছবিতে পৃথিবীর দিন ও রাতের বিভাজক রেখা বা ‘টার্মিনেটর’ রেখাটি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এছাড়া নাসা আরও একটি ছবি প্রকাশ করেছে যেখানে অন্ধকার পৃথিবীতে টিমটিম করে জ্বলছে মানবসৃষ্ট বৈদ্যুতিক আলো। ১৯৭২ সালের পর এই প্রথম মানুষ পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে পা রাখলো, যা মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক।
মিশন স্পেশালিস্ট জেরেমি হ্যানসেন হিউস্টনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে জানান, ইঞ্জিন বার্ন শেষ হওয়ার পর চাঁদের আলোয় আলোকিত পৃথিবীকে দেখার জন্য নভোচারীরা জানালার কাছে ভিড় জমান। কমান্ডার ওয়াইজম্যান জানান, দূর মহাকাশ থেকে পৃথিবীর এক্সপোজার ঠিক করে ছবি তোলা কিছুটা কষ্টসাধ্য ছিল। এদিকে, নাসা এই ছবিগুলোর সঙ্গে ৫৪ বছর আগের অ্যাপোলো-১৭ মিশনের তোলা ছবির একটি তুলনামূলক চিত্রও প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করেছে, গত ৫ দশকে প্রযুক্তির অনেক পরিবর্তন হলেও মহাকাশ থেকে পৃথিবীর সৌন্দর্য এখনো অমলিন। বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, সোমবার (৬ এপ্রিল) চাঁদের উল্টো পিঠ প্রদক্ষিণ শেষে আগামী ১০ এপ্রিল পৃথিবীতে ফিরে আসার কথা রয়েছে ৪ নভোচারীর।
সূত্র: বিবিসি

চাঁদ আর পৃথিবীর মাঝামাঝি দূরত্বে পৌঁছে মহাকাশযান ওরিয়ন থেকে পৃথিবীর বেশ কিছু চোখধাঁধানো ও উচ্চমানের ছবি পাঠিয়েছেন আর্টেমিস টু মিশনের নভোচারীরা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই ছবিগুলো প্রকাশ করেছে। ছবিগুলো মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান তার লেন্সবন্দি করেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সফলভাবে 'ট্রান্স-লুনার ইনজেকশন বার্ন' সম্পন্ন করার পরই ওরিয়ন ক্যাপসুলটি পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে বেরিয়ে চাঁদের পথে যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশ সময় শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টা পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, নভোচারীরা পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিলেন, যেখানে চাঁদ থেকে তাদের দূরত্ব ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের কিছু কম।
নাসার প্রকাশিত ‘হ্যালো, ওয়ার্ল্ড’ নামক একটি ছবিতে আটলান্টিক মহাসাগরের বিশাল নীল জলরাশি এবং দুই মেরুর উজ্জ্বল সবুজ আলোকচ্ছটা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। মহাকাশ থেকে তোলা এ ছবিতে বাম দিকে সাহারা মরুভূমি ও আইবেরিয়ান উপদ্বীপ এবং ডানে দক্ষিণ আমেরিকার পূর্বাংশ দেখা যাচ্ছে, যার এক কোণে উজ্জ্বল শুক্র গ্রহের উপস্থিতি দৃশ্যমান।
আরেকটি ছবিতে পৃথিবীর দিন ও রাতের বিভাজক রেখা বা ‘টার্মিনেটর’ রেখাটি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এছাড়া নাসা আরও একটি ছবি প্রকাশ করেছে যেখানে অন্ধকার পৃথিবীতে টিমটিম করে জ্বলছে মানবসৃষ্ট বৈদ্যুতিক আলো। ১৯৭২ সালের পর এই প্রথম মানুষ পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে পা রাখলো, যা মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক।
মিশন স্পেশালিস্ট জেরেমি হ্যানসেন হিউস্টনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে জানান, ইঞ্জিন বার্ন শেষ হওয়ার পর চাঁদের আলোয় আলোকিত পৃথিবীকে দেখার জন্য নভোচারীরা জানালার কাছে ভিড় জমান। কমান্ডার ওয়াইজম্যান জানান, দূর মহাকাশ থেকে পৃথিবীর এক্সপোজার ঠিক করে ছবি তোলা কিছুটা কষ্টসাধ্য ছিল। এদিকে, নাসা এই ছবিগুলোর সঙ্গে ৫৪ বছর আগের অ্যাপোলো-১৭ মিশনের তোলা ছবির একটি তুলনামূলক চিত্রও প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করেছে, গত ৫ দশকে প্রযুক্তির অনেক পরিবর্তন হলেও মহাকাশ থেকে পৃথিবীর সৌন্দর্য এখনো অমলিন। বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, সোমবার (৬ এপ্রিল) চাঁদের উল্টো পিঠ প্রদক্ষিণ শেষে আগামী ১০ এপ্রিল পৃথিবীতে ফিরে আসার কথা রয়েছে ৪ নভোচারীর।
সূত্র: বিবিসি

আর্টেমিস-২ থেকে পৃথিবীর চোখধাঁধানো ছবি পাঠালো নভোচারীরা
সিটিজেন ডেস্ক

চাঁদ আর পৃথিবীর মাঝামাঝি দূরত্বে পৌঁছে মহাকাশযান ওরিয়ন থেকে পৃথিবীর বেশ কিছু চোখধাঁধানো ও উচ্চমানের ছবি পাঠিয়েছেন আর্টেমিস টু মিশনের নভোচারীরা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই ছবিগুলো প্রকাশ করেছে। ছবিগুলো মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান তার লেন্সবন্দি করেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সফলভাবে 'ট্রান্স-লুনার ইনজেকশন বার্ন' সম্পন্ন করার পরই ওরিয়ন ক্যাপসুলটি পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে বেরিয়ে চাঁদের পথে যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশ সময় শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টা পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, নভোচারীরা পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিলেন, যেখানে চাঁদ থেকে তাদের দূরত্ব ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের কিছু কম।
নাসার প্রকাশিত ‘হ্যালো, ওয়ার্ল্ড’ নামক একটি ছবিতে আটলান্টিক মহাসাগরের বিশাল নীল জলরাশি এবং দুই মেরুর উজ্জ্বল সবুজ আলোকচ্ছটা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। মহাকাশ থেকে তোলা এ ছবিতে বাম দিকে সাহারা মরুভূমি ও আইবেরিয়ান উপদ্বীপ এবং ডানে দক্ষিণ আমেরিকার পূর্বাংশ দেখা যাচ্ছে, যার এক কোণে উজ্জ্বল শুক্র গ্রহের উপস্থিতি দৃশ্যমান।
আরেকটি ছবিতে পৃথিবীর দিন ও রাতের বিভাজক রেখা বা ‘টার্মিনেটর’ রেখাটি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এছাড়া নাসা আরও একটি ছবি প্রকাশ করেছে যেখানে অন্ধকার পৃথিবীতে টিমটিম করে জ্বলছে মানবসৃষ্ট বৈদ্যুতিক আলো। ১৯৭২ সালের পর এই প্রথম মানুষ পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে পা রাখলো, যা মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক।
মিশন স্পেশালিস্ট জেরেমি হ্যানসেন হিউস্টনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে জানান, ইঞ্জিন বার্ন শেষ হওয়ার পর চাঁদের আলোয় আলোকিত পৃথিবীকে দেখার জন্য নভোচারীরা জানালার কাছে ভিড় জমান। কমান্ডার ওয়াইজম্যান জানান, দূর মহাকাশ থেকে পৃথিবীর এক্সপোজার ঠিক করে ছবি তোলা কিছুটা কষ্টসাধ্য ছিল। এদিকে, নাসা এই ছবিগুলোর সঙ্গে ৫৪ বছর আগের অ্যাপোলো-১৭ মিশনের তোলা ছবির একটি তুলনামূলক চিত্রও প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করেছে, গত ৫ দশকে প্রযুক্তির অনেক পরিবর্তন হলেও মহাকাশ থেকে পৃথিবীর সৌন্দর্য এখনো অমলিন। বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, সোমবার (৬ এপ্রিল) চাঁদের উল্টো পিঠ প্রদক্ষিণ শেষে আগামী ১০ এপ্রিল পৃথিবীতে ফিরে আসার কথা রয়েছে ৪ নভোচারীর।
সূত্র: বিবিসি




