ভদ্রাবতী নদীর তীরে ‘বউমেলা’

ভদ্রাবতী নদীর তীরে ‘বউমেলা’
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ভদ্রাবতী নদীর তীরে বারুহাঁস বাজারে জমে উঠেছে ‘বউমেলা’। শনিবার (৪ এপ্রিল) মেলা প্রাঙ্গণ নারী, কিশোর-কিশোরীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে।
শুক্রবার প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বারুহাঁস মেলা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়ভাবে এটি ‘ভদ্রাবতী মেলা’ বা ‘ভাদাই মেলা’ নামে পরিচিত। চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, চৈত্রের পূর্ণিমা উপলক্ষে বারুহাঁসের জমিদার পরিবারের উদ্যোগে এ মেলার সূচনা। সেই ঐতিহ্য ধরে এখনো নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে।
তাড়াশ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে বারুহাঁস গ্রামের অবস্থান। বউমেলায় নারীরা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, প্রসাধনী ও শিশুদের খেলনা কিনতে ভিড় করেন। এ উপলক্ষে অনেক বাড়িতে আত্মীয়স্বজনের আগমন ঘটে।
মেলায় আসা হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মেলা উপলক্ষে তিনি শ্বশুরবাড়িতে এসেছেন। আজ স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের নিয়ে বউমেলায় ঘুরতে পেরে ভালো লাগছে।
দীর্ঘদিন ধরে মেলায় গৃহস্থালির পণ্য বিক্রি করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী এলাকার আনসার আলী। তিনি বলেন, এবার বিক্রি ভালো হলেও তীব্র গরম ও বিদ্যুৎ না থাকায় দর্শনার্থীরা বেশি সময় অবস্থান করছেন না।
বারুহাঁস বাজারের ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, এবার বউমেলা বেশ জমজমাট হয়েছে। নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ রাখতে স্থানীয়রা কাজ করছেন।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ভদ্রাবতী নদীর তীরে বারুহাঁস বাজারে জমে উঠেছে ‘বউমেলা’। শনিবার (৪ এপ্রিল) মেলা প্রাঙ্গণ নারী, কিশোর-কিশোরীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে।
শুক্রবার প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বারুহাঁস মেলা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়ভাবে এটি ‘ভদ্রাবতী মেলা’ বা ‘ভাদাই মেলা’ নামে পরিচিত। চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, চৈত্রের পূর্ণিমা উপলক্ষে বারুহাঁসের জমিদার পরিবারের উদ্যোগে এ মেলার সূচনা। সেই ঐতিহ্য ধরে এখনো নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে।
তাড়াশ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে বারুহাঁস গ্রামের অবস্থান। বউমেলায় নারীরা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, প্রসাধনী ও শিশুদের খেলনা কিনতে ভিড় করেন। এ উপলক্ষে অনেক বাড়িতে আত্মীয়স্বজনের আগমন ঘটে।
মেলায় আসা হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মেলা উপলক্ষে তিনি শ্বশুরবাড়িতে এসেছেন। আজ স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের নিয়ে বউমেলায় ঘুরতে পেরে ভালো লাগছে।
দীর্ঘদিন ধরে মেলায় গৃহস্থালির পণ্য বিক্রি করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী এলাকার আনসার আলী। তিনি বলেন, এবার বিক্রি ভালো হলেও তীব্র গরম ও বিদ্যুৎ না থাকায় দর্শনার্থীরা বেশি সময় অবস্থান করছেন না।
বারুহাঁস বাজারের ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, এবার বউমেলা বেশ জমজমাট হয়েছে। নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ রাখতে স্থানীয়রা কাজ করছেন।

ভদ্রাবতী নদীর তীরে ‘বউমেলা’
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ভদ্রাবতী নদীর তীরে বারুহাঁস বাজারে জমে উঠেছে ‘বউমেলা’। শনিবার (৪ এপ্রিল) মেলা প্রাঙ্গণ নারী, কিশোর-কিশোরীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে।
শুক্রবার প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বারুহাঁস মেলা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়ভাবে এটি ‘ভদ্রাবতী মেলা’ বা ‘ভাদাই মেলা’ নামে পরিচিত। চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, চৈত্রের পূর্ণিমা উপলক্ষে বারুহাঁসের জমিদার পরিবারের উদ্যোগে এ মেলার সূচনা। সেই ঐতিহ্য ধরে এখনো নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে।
তাড়াশ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে বারুহাঁস গ্রামের অবস্থান। বউমেলায় নারীরা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, প্রসাধনী ও শিশুদের খেলনা কিনতে ভিড় করেন। এ উপলক্ষে অনেক বাড়িতে আত্মীয়স্বজনের আগমন ঘটে।
মেলায় আসা হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মেলা উপলক্ষে তিনি শ্বশুরবাড়িতে এসেছেন। আজ স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের নিয়ে বউমেলায় ঘুরতে পেরে ভালো লাগছে।
দীর্ঘদিন ধরে মেলায় গৃহস্থালির পণ্য বিক্রি করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী এলাকার আনসার আলী। তিনি বলেন, এবার বিক্রি ভালো হলেও তীব্র গরম ও বিদ্যুৎ না থাকায় দর্শনার্থীরা বেশি সময় অবস্থান করছেন না।
বারুহাঁস বাজারের ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, এবার বউমেলা বেশ জমজমাট হয়েছে। নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ রাখতে স্থানীয়রা কাজ করছেন।




