শিরোনাম

ইসরায়েলে ২০ হাজার বোমা পাঠানোর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের

সিটিজেন ডেস্ক
ইসরায়েলে ২০ হাজার বোমা পাঠানোর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েলকে ২০ হাজার বোমা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: আনাদুলু

ইরানে হামলার জন্য ইসরায়েলের কাছে ২০ হাজারের বেশি বোমা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। এসব অস্ত্রের মোট মূল্য প্রায় ৬৬০ মিলিয়ন বা ৬৬ কোটি ডলার।

এছাড়া ইসরায়েলে নতুন করে ১৫১.৭ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদনের কথাও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে সংবাদ মাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করে এসব অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মনে করেছেন যে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যার কারণে ইসরায়েলের কাছে দ্রুত অস্ত্র বিক্রি প্রয়োজন।

এর আওতায় তাৎক্ষণিকভাবে ১ হাজার পাউন্ড ওজনের ১২ হাজার বোমা বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া পাঁচশ পাউন্ডের ১০ হাজার বোমা ও পাঁচ হাজার ছোট আকারের বোমাও বিক্রির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে এটি প্রথমবারের মতো অস্ত্র রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইনের জরুরি ধারা ব্যবহার করে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রির ঘটনা।

এর আগে আরও তিনবার কংগ্রেসের পর্যালোচনা প্রক্রিয়াকে উপেক্ষা করে অস্ত্র বিক্রি বা সহায়তা পাঠিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে কোনবারই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়নি।

এর মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে ইসরায়েলকে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন বা সাড়ে ছয়শ কোটি ডলারের অস্ত্র পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর ইসরায়েলকে প্রায় ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন বা ৩৮০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দেয়, যার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত মার্কিন অস্ত্র কিনে থাকে।

কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তে ইতোমধ্যে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প প্রশাসন।

প্রতিনিধি পরিষদের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি ডব্লিউ মিকস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের ইরানে যুদ্ধের যুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন বারবার বলেছে তারা এই যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। কিন্তু এখন কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে অস্ত্র বিক্রি করা ভিন্ন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।’

/এমআর/