ভাঙ্গায় ৪ গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত শতাধিক

ভাঙ্গায় ৪ গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামবাসীর মধ্যে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। দুই পক্ষের ছোঁড়া ইট ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে শতাধিক গ্রামবাসী আহত হয়েছেন। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ চলছে। সময় যত গড়াচ্ছে পরিস্থিতি তত অবনতি হচ্ছে।
এর আগে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকাল পাঁচটা থেকে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টার পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে।
এ সংঘর্ষে এক পক্ষে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অন্য পক্ষে ওই ইউনিয়নের খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন নেতৃত্ব দেয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় অধিপত্য বিস্তার নিয়ে ওই তিন গ্রামের লোকদের সঙ্গে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকদের আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে গতকাল শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে খাপুরা গ্রামের এক ব্যক্তি মনসুরাবাদ গ্রামে এলে তাকে মারধর করা হয়।
এ খবর শেনার পর বিকাল থেকে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন জোটবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মনসুরাবাদ বাজারের ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসীর ওপর হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে ভাঙ্গা থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। সংঘর্ষের সময় মনসুরাবাদ বাজারের চার থেকে পাঁচটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, শতশত গ্রামবাসী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়েও তাদের শান্ত করা যাচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামবাসীর মধ্যে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। দুই পক্ষের ছোঁড়া ইট ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে শতাধিক গ্রামবাসী আহত হয়েছেন। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ চলছে। সময় যত গড়াচ্ছে পরিস্থিতি তত অবনতি হচ্ছে।
এর আগে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকাল পাঁচটা থেকে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টার পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে।
এ সংঘর্ষে এক পক্ষে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অন্য পক্ষে ওই ইউনিয়নের খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন নেতৃত্ব দেয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় অধিপত্য বিস্তার নিয়ে ওই তিন গ্রামের লোকদের সঙ্গে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকদের আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে গতকাল শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে খাপুরা গ্রামের এক ব্যক্তি মনসুরাবাদ গ্রামে এলে তাকে মারধর করা হয়।
এ খবর শেনার পর বিকাল থেকে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন জোটবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মনসুরাবাদ বাজারের ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসীর ওপর হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে ভাঙ্গা থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। সংঘর্ষের সময় মনসুরাবাদ বাজারের চার থেকে পাঁচটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, শতশত গ্রামবাসী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়েও তাদের শান্ত করা যাচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভাঙ্গায় ৪ গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামবাসীর মধ্যে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। দুই পক্ষের ছোঁড়া ইট ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে শতাধিক গ্রামবাসী আহত হয়েছেন। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ চলছে। সময় যত গড়াচ্ছে পরিস্থিতি তত অবনতি হচ্ছে।
এর আগে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকাল পাঁচটা থেকে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টার পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে।
এ সংঘর্ষে এক পক্ষে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অন্য পক্ষে ওই ইউনিয়নের খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন নেতৃত্ব দেয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় অধিপত্য বিস্তার নিয়ে ওই তিন গ্রামের লোকদের সঙ্গে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকদের আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে গতকাল শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে খাপুরা গ্রামের এক ব্যক্তি মনসুরাবাদ গ্রামে এলে তাকে মারধর করা হয়।
এ খবর শেনার পর বিকাল থেকে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন জোটবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মনসুরাবাদ বাজারের ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসীর ওপর হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে ভাঙ্গা থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। সংঘর্ষের সময় মনসুরাবাদ বাজারের চার থেকে পাঁচটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, শতশত গ্রামবাসী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়েও তাদের শান্ত করা যাচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।




