বিএনপি একটি ব্যর্থ আওয়ামী লীগ: সারোয়ার তুষার

বিএনপি একটি ব্যর্থ আওয়ামী লীগ: সারোয়ার তুষার
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ একটি সফল বিএনপি, আর বিএনপি একটি ব্যর্থ আওয়ামী লীগ বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চেয়েছে, কিন্তু পারেনি। আওয়ামী লীগ সেই পথেই হেঁটে ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে এবং ১৭ বছরের শাসন কায়েম করে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
সারোয়ার তুষার বলেন, ‘বিএনপি ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালে যে পথ দেখিয়েছিল, আওয়ামী লীগ সেই পথ অনুসরণ করে সফল হয়েছে। ১৯৯৬ সালে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করে বিএনপি ১২ দিনও টিকতে পারেনি। ২০০৬ সালে বিচারপতির বয়স বাড়িয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে সংকট তৈরি করে।‘
অধ্যাদেশ বাতিলের পেছনে মূল উদ্দেশ্য ২০৩০ সালের নির্বাচন দাবি করে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় আবার বড় ধরনের সংকট তৈরির পরিকল্পনা করছে বিএনপি, এজন্য তারা এখন থেকেই পথ পরিষ্কার করছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কারের প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে বিএনপির কারণে।‘
গণভোট ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘গণভোট বাস্তবায়ন করা হলে জুলাই সনদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু বিএনপি গণভোট বাস্তবায়ন করতে চায় না। গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে আসলে গণভোটকেই বাতিল করা হচ্ছে। বিএনপি একদিকে বলছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে, অন্যদিকে ইতিমধ্যে সেটি লঙ্ঘন শুরু করেছে।‘
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সমালোচনা করে সারোয়ার তুষার বলেন, ‘এখানে দলীয় প্রভাবের উদাহরণ তৈরি করা হচ্ছে। স্থায়ী কমিটির নেতাদের সন্তানদের বসানো হচ্ছে, যেন এটি পারিবারিক ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়েছে। যদি এটিকে পারিবারিক বোর্ড বানানো হয়, তাহলে অন্যদের সন্তানদেরও সুযোগ দেওয়া উচিত– নইলে বৈষম্য তৈরি হবে।‘

আওয়ামী লীগ একটি সফল বিএনপি, আর বিএনপি একটি ব্যর্থ আওয়ামী লীগ বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চেয়েছে, কিন্তু পারেনি। আওয়ামী লীগ সেই পথেই হেঁটে ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে এবং ১৭ বছরের শাসন কায়েম করে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
সারোয়ার তুষার বলেন, ‘বিএনপি ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালে যে পথ দেখিয়েছিল, আওয়ামী লীগ সেই পথ অনুসরণ করে সফল হয়েছে। ১৯৯৬ সালে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করে বিএনপি ১২ দিনও টিকতে পারেনি। ২০০৬ সালে বিচারপতির বয়স বাড়িয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে সংকট তৈরি করে।‘
অধ্যাদেশ বাতিলের পেছনে মূল উদ্দেশ্য ২০৩০ সালের নির্বাচন দাবি করে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় আবার বড় ধরনের সংকট তৈরির পরিকল্পনা করছে বিএনপি, এজন্য তারা এখন থেকেই পথ পরিষ্কার করছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কারের প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে বিএনপির কারণে।‘
গণভোট ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘গণভোট বাস্তবায়ন করা হলে জুলাই সনদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু বিএনপি গণভোট বাস্তবায়ন করতে চায় না। গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে আসলে গণভোটকেই বাতিল করা হচ্ছে। বিএনপি একদিকে বলছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে, অন্যদিকে ইতিমধ্যে সেটি লঙ্ঘন শুরু করেছে।‘
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সমালোচনা করে সারোয়ার তুষার বলেন, ‘এখানে দলীয় প্রভাবের উদাহরণ তৈরি করা হচ্ছে। স্থায়ী কমিটির নেতাদের সন্তানদের বসানো হচ্ছে, যেন এটি পারিবারিক ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়েছে। যদি এটিকে পারিবারিক বোর্ড বানানো হয়, তাহলে অন্যদের সন্তানদেরও সুযোগ দেওয়া উচিত– নইলে বৈষম্য তৈরি হবে।‘

বিএনপি একটি ব্যর্থ আওয়ামী লীগ: সারোয়ার তুষার
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ একটি সফল বিএনপি, আর বিএনপি একটি ব্যর্থ আওয়ামী লীগ বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চেয়েছে, কিন্তু পারেনি। আওয়ামী লীগ সেই পথেই হেঁটে ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে এবং ১৭ বছরের শাসন কায়েম করে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
সারোয়ার তুষার বলেন, ‘বিএনপি ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালে যে পথ দেখিয়েছিল, আওয়ামী লীগ সেই পথ অনুসরণ করে সফল হয়েছে। ১৯৯৬ সালে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করে বিএনপি ১২ দিনও টিকতে পারেনি। ২০০৬ সালে বিচারপতির বয়স বাড়িয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে সংকট তৈরি করে।‘
অধ্যাদেশ বাতিলের পেছনে মূল উদ্দেশ্য ২০৩০ সালের নির্বাচন দাবি করে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় আবার বড় ধরনের সংকট তৈরির পরিকল্পনা করছে বিএনপি, এজন্য তারা এখন থেকেই পথ পরিষ্কার করছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কারের প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে বিএনপির কারণে।‘
গণভোট ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘গণভোট বাস্তবায়ন করা হলে জুলাই সনদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু বিএনপি গণভোট বাস্তবায়ন করতে চায় না। গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে আসলে গণভোটকেই বাতিল করা হচ্ছে। বিএনপি একদিকে বলছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে, অন্যদিকে ইতিমধ্যে সেটি লঙ্ঘন শুরু করেছে।‘
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সমালোচনা করে সারোয়ার তুষার বলেন, ‘এখানে দলীয় প্রভাবের উদাহরণ তৈরি করা হচ্ছে। স্থায়ী কমিটির নেতাদের সন্তানদের বসানো হচ্ছে, যেন এটি পারিবারিক ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়েছে। যদি এটিকে পারিবারিক বোর্ড বানানো হয়, তাহলে অন্যদের সন্তানদেরও সুযোগ দেওয়া উচিত– নইলে বৈষম্য তৈরি হবে।‘

বিসিবি এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড পরিণত হয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ


