বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মারা গেছেন

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মারা গেছেন
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের প্রবীণ আলেম ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় আমির মওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (৮ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
মরহুমের নামাজে জানাজা আজ শনিবার বাদ যোহর পদুয়ায় নিজ মাদ্রাসা আল জামেয়াতুল আনওয়ার হেমায়েতুল ইসলাম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে।
এদিকে, তার অকাল প্রয়াণে দেশের ইসলামি অঙ্গনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, মাওলানা সরওয়ার কামাল আজীজি ১৯৪৭ সালে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া গ্রামের নয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ হাকিমবক্স চৌধুরী পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
মাওলানা সরওয়ার কামাল রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক, ১৯৮৪ সালে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০০৭ সালে সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মজলিসে শুরার সভায় মাওলানা সরওয়ার কামাল বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির নির্বাচিত হন।
এছাড়াও তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এবং শাহ ওয়ালীউল্লাহ একাডেমি, চট্টগ্রামের পরিচালক ও পদুয়ার জামিয়াতুল আনোয়ার হেমায়েতুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসার মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও সাত কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

চট্টগ্রামের প্রবীণ আলেম ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় আমির মওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (৮ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
মরহুমের নামাজে জানাজা আজ শনিবার বাদ যোহর পদুয়ায় নিজ মাদ্রাসা আল জামেয়াতুল আনওয়ার হেমায়েতুল ইসলাম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে।
এদিকে, তার অকাল প্রয়াণে দেশের ইসলামি অঙ্গনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, মাওলানা সরওয়ার কামাল আজীজি ১৯৪৭ সালে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া গ্রামের নয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ হাকিমবক্স চৌধুরী পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
মাওলানা সরওয়ার কামাল রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক, ১৯৮৪ সালে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০০৭ সালে সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মজলিসে শুরার সভায় মাওলানা সরওয়ার কামাল বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির নির্বাচিত হন।
এছাড়াও তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এবং শাহ ওয়ালীউল্লাহ একাডেমি, চট্টগ্রামের পরিচালক ও পদুয়ার জামিয়াতুল আনোয়ার হেমায়েতুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসার মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও সাত কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মারা গেছেন
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের প্রবীণ আলেম ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় আমির মওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (৮ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
মরহুমের নামাজে জানাজা আজ শনিবার বাদ যোহর পদুয়ায় নিজ মাদ্রাসা আল জামেয়াতুল আনওয়ার হেমায়েতুল ইসলাম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে।
এদিকে, তার অকাল প্রয়াণে দেশের ইসলামি অঙ্গনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, মাওলানা সরওয়ার কামাল আজীজি ১৯৪৭ সালে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া গ্রামের নয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ হাকিমবক্স চৌধুরী পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
মাওলানা সরওয়ার কামাল রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক, ১৯৮৪ সালে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০০৭ সালে সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মজলিসে শুরার সভায় মাওলানা সরওয়ার কামাল বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির নির্বাচিত হন।
এছাড়াও তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এবং শাহ ওয়ালীউল্লাহ একাডেমি, চট্টগ্রামের পরিচালক ও পদুয়ার জামিয়াতুল আনোয়ার হেমায়েতুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসার মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও সাত কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

দ্বিতীয় বিয়ে করলেন হেফাজতের মহাসচিব


