মন্ত্রী হতে পারলেন না যে হেভিওয়েট নেতারা

মন্ত্রী হতে পারলেন না যে হেভিওয়েট নেতারা
বিশেষ প্রতিনিধি

প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে।
তবে নতুন মন্ত্রিসভায় পুরনো অনেক নেতা স্থান পেলেও বাদ পড়েছেন দলের একাধিক হেভিওয়েট রাজনীতিক। মন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার।
২০০১ সালের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করা সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুল মঈন খান এবং ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবার মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
এ ছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, দলের সিনিয়র নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুবদলের সাবেক সভাপতি বরকত উল্লাহ ভুলু, সাবেক চিফ হুইপ জয়নাল আবদীন ফারুক এবং ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ আরও বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে।
তবে নতুন মন্ত্রিসভায় পুরনো অনেক নেতা স্থান পেলেও বাদ পড়েছেন দলের একাধিক হেভিওয়েট রাজনীতিক। মন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার।
২০০১ সালের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করা সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুল মঈন খান এবং ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবার মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
এ ছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, দলের সিনিয়র নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুবদলের সাবেক সভাপতি বরকত উল্লাহ ভুলু, সাবেক চিফ হুইপ জয়নাল আবদীন ফারুক এবং ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ আরও বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

মন্ত্রী হতে পারলেন না যে হেভিওয়েট নেতারা
বিশেষ প্রতিনিধি

প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে।
তবে নতুন মন্ত্রিসভায় পুরনো অনেক নেতা স্থান পেলেও বাদ পড়েছেন দলের একাধিক হেভিওয়েট রাজনীতিক। মন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার।
২০০১ সালের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করা সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুল মঈন খান এবং ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবার মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
এ ছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, দলের সিনিয়র নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুবদলের সাবেক সভাপতি বরকত উল্লাহ ভুলু, সাবেক চিফ হুইপ জয়নাল আবদীন ফারুক এবং ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ আরও বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।




