‘সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম ১ দফা ঘোষণা করেছে’

‘সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম ১ দফা ঘোষণা করেছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, গণঅভ্যুত্থানে মাহফুজ আলমের ভূমিকা সম্পর্কে আব্দুল কাদের তথ্য প্রকাশের পর মাহফুজ আলম শিবিরের ঘরে সব অবদান তুলে দিয়ে নিজেকে কায়দা করে সেইফ করার চেষ্টা করলো। কিন্তু ইতোপূর্বে সে কখনোই শিবিরের ভূমিকা স্বীকার করে নি! ফেসবুক পোস্টে, মাহফুজ আলম লিখেছে, অসহযোগ আন্দোলনে কি কি থাকবে, তার একটা খসড়া সাদিক কায়েমকে রেডি করে দিতে বলি, যা আসিফ পরেরদিন পাঠ করে। কিন্তু এটাকে ঘুরিয়ে জামায়াতের সংগ্রাম পত্রিকা লিখেছে, ঐ রাতেই সাদিক কায়েমকে দিয়ে এক দফা ঘোষণার একটি খসড়া তৈরি করা হয়, যা আসিফ মাহমুদ পাঠ করে! কিভাবে বয়ান সৃষ্টি করতে হয়, জামায়াত খুব ভাল করেই জানে! অথচ ১ দফার ঘোষণা আসিফ মাহমুদ নয়, নাহিদ ইসলাম পাঠ করে! আর আসিফ অসহযোগ আন্দোলনের পালনের দিকনির্দেশনা পাঠ করে।
তিনি লিখেন, শিবিরের যতোটুকু অবদান, ততোটুকুর ক্রেডিট নিলে সমস্যা নেই। কিন্তু অতিরঞ্জিত করতে গেলেই গণ্ডগোল তৈরি হবে। গণঅভ্যুত্থানের সময় সাদিক কায়েক সালমান পরিচয়ে কাজ করতো, এটাই চিরন্তন সত্য। কিন্তু এখন যদি বেশি ক্রেডিটের জন্য বলা হয় গণঅভ্যুত্থানের সময় সাদিক কায়েম পরিচয়েই সাদিক কায়েম কাজ করতো, তা হবে অসত্য! ঠিক ক্রেডিটের বিষয়গুলো এইরকম। যার যতোটুকু অবদান ততোটুকুর বেশি দাবি করার সুযোগ নেই।
পোস্টে বিএনপির এই নেতা লিখেন, মাহফুজ আলম লিখেছে, ‘২ তারিখ রাতেই অনলাইনে ১ দফা ঘোষণার আমরা সবাই বিপক্ষে ছিলাম। ৩ তারিখ জনসমক্ষে শহিদ মিনারে ঘোষণা দেবার পক্ষে ছিলাম। কারণ, রাতের ঘোষণার চাপ একটি নির্দিষ্ট কোয়ার্টার থেকে এসেছিল।’ এই কোয়ার্টার বলতে মাহফুজ আলম ক্যান্টমেন্টকে বুঝিয়েছে, যা ইতোপূর্বে নাহিদ ইসলামও বলেছিলো।
তিনি লিখেন, আমি যদি বলি সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছে! নিশ্চয়ই মনে থাকার কথা, ২ আগস্ট সেনাবাহিনীর একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় যে, ৩ আগস্ট সকল সিনিয়র অফিসারদের নিয়ে মিটিং, এরপর ৩ আগস্ট দুপুর বেলা সেনা প্রধান বলেন যে, সেনাবাহিনী ছাত্রজনতার বুকে গুলি চালাবে না? এটা কি মিথ্যা? সেনাবাহিনী এই বক্তব্য কি জনতাকে সাহস জোগায় নি? মূলত ১ লা আগস্ট সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় জনগণের পক্ষে অবস্থান করার।
রাশেদ খাঁন লিখেন, কার্যত পহেলা আগস্টেই শেখ হাসিনার পতন হয়ে যায় এবং সেই সিগনাল শেখ হাসিনাসহ মোটামুটি সকল এমপি মন্ত্রীরা পেয়ে যায়। যেকারণে ঐসময় থেকেই সব পালানো শুরু করে। গণঅভ্যুত্থানে ক্যান্টনমেন্টেরও অনেক ভূমিকা আছে। আমি রূপক অর্থে সেনাবাহিনীর ভূমিকা বা অবদান বোঝাতে গিয়ে এটি বলেছি যে , স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছিলো! আশা করি বক্তব্য বুঝতে পেরেছেন। এখানে নাহিদ ইসলামেরও ভূমিকা আছে, সেনাবাহিনীরও ভূমিকা আছে।
তিনি লিখেন, গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবিরসহ সকল ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও জনতার ভূমিকা আছে। ১ দফার ঘোষণার সিদ্ধান্ত, সম্মিলিত সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়। এখানে হয়তো কারও অবদান বেশি, কারও অবদান কম। কিন্তু ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত হাসনাত ও সারজিস ডিসিশন বা পলিসি মেকিংয়ের মধ্যে ছিলো না। সরকারের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠকে যাওয়ার কারণেই সন্দেহের জায়গা থেকে তাদের দূরে রাখা হয়। আব্দুল কাদেরের বক্তব্য সত্য কি মিথ্যা তা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ, মাহিন সরকারটা বলুক।

ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, গণঅভ্যুত্থানে মাহফুজ আলমের ভূমিকা সম্পর্কে আব্দুল কাদের তথ্য প্রকাশের পর মাহফুজ আলম শিবিরের ঘরে সব অবদান তুলে দিয়ে নিজেকে কায়দা করে সেইফ করার চেষ্টা করলো। কিন্তু ইতোপূর্বে সে কখনোই শিবিরের ভূমিকা স্বীকার করে নি! ফেসবুক পোস্টে, মাহফুজ আলম লিখেছে, অসহযোগ আন্দোলনে কি কি থাকবে, তার একটা খসড়া সাদিক কায়েমকে রেডি করে দিতে বলি, যা আসিফ পরেরদিন পাঠ করে। কিন্তু এটাকে ঘুরিয়ে জামায়াতের সংগ্রাম পত্রিকা লিখেছে, ঐ রাতেই সাদিক কায়েমকে দিয়ে এক দফা ঘোষণার একটি খসড়া তৈরি করা হয়, যা আসিফ মাহমুদ পাঠ করে! কিভাবে বয়ান সৃষ্টি করতে হয়, জামায়াত খুব ভাল করেই জানে! অথচ ১ দফার ঘোষণা আসিফ মাহমুদ নয়, নাহিদ ইসলাম পাঠ করে! আর আসিফ অসহযোগ আন্দোলনের পালনের দিকনির্দেশনা পাঠ করে।
তিনি লিখেন, শিবিরের যতোটুকু অবদান, ততোটুকুর ক্রেডিট নিলে সমস্যা নেই। কিন্তু অতিরঞ্জিত করতে গেলেই গণ্ডগোল তৈরি হবে। গণঅভ্যুত্থানের সময় সাদিক কায়েক সালমান পরিচয়ে কাজ করতো, এটাই চিরন্তন সত্য। কিন্তু এখন যদি বেশি ক্রেডিটের জন্য বলা হয় গণঅভ্যুত্থানের সময় সাদিক কায়েম পরিচয়েই সাদিক কায়েম কাজ করতো, তা হবে অসত্য! ঠিক ক্রেডিটের বিষয়গুলো এইরকম। যার যতোটুকু অবদান ততোটুকুর বেশি দাবি করার সুযোগ নেই।
পোস্টে বিএনপির এই নেতা লিখেন, মাহফুজ আলম লিখেছে, ‘২ তারিখ রাতেই অনলাইনে ১ দফা ঘোষণার আমরা সবাই বিপক্ষে ছিলাম। ৩ তারিখ জনসমক্ষে শহিদ মিনারে ঘোষণা দেবার পক্ষে ছিলাম। কারণ, রাতের ঘোষণার চাপ একটি নির্দিষ্ট কোয়ার্টার থেকে এসেছিল।’ এই কোয়ার্টার বলতে মাহফুজ আলম ক্যান্টমেন্টকে বুঝিয়েছে, যা ইতোপূর্বে নাহিদ ইসলামও বলেছিলো।
তিনি লিখেন, আমি যদি বলি সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছে! নিশ্চয়ই মনে থাকার কথা, ২ আগস্ট সেনাবাহিনীর একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় যে, ৩ আগস্ট সকল সিনিয়র অফিসারদের নিয়ে মিটিং, এরপর ৩ আগস্ট দুপুর বেলা সেনা প্রধান বলেন যে, সেনাবাহিনী ছাত্রজনতার বুকে গুলি চালাবে না? এটা কি মিথ্যা? সেনাবাহিনী এই বক্তব্য কি জনতাকে সাহস জোগায় নি? মূলত ১ লা আগস্ট সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় জনগণের পক্ষে অবস্থান করার।
রাশেদ খাঁন লিখেন, কার্যত পহেলা আগস্টেই শেখ হাসিনার পতন হয়ে যায় এবং সেই সিগনাল শেখ হাসিনাসহ মোটামুটি সকল এমপি মন্ত্রীরা পেয়ে যায়। যেকারণে ঐসময় থেকেই সব পালানো শুরু করে। গণঅভ্যুত্থানে ক্যান্টনমেন্টেরও অনেক ভূমিকা আছে। আমি রূপক অর্থে সেনাবাহিনীর ভূমিকা বা অবদান বোঝাতে গিয়ে এটি বলেছি যে , স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছিলো! আশা করি বক্তব্য বুঝতে পেরেছেন। এখানে নাহিদ ইসলামেরও ভূমিকা আছে, সেনাবাহিনীরও ভূমিকা আছে।
তিনি লিখেন, গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবিরসহ সকল ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও জনতার ভূমিকা আছে। ১ দফার ঘোষণার সিদ্ধান্ত, সম্মিলিত সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়। এখানে হয়তো কারও অবদান বেশি, কারও অবদান কম। কিন্তু ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত হাসনাত ও সারজিস ডিসিশন বা পলিসি মেকিংয়ের মধ্যে ছিলো না। সরকারের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠকে যাওয়ার কারণেই সন্দেহের জায়গা থেকে তাদের দূরে রাখা হয়। আব্দুল কাদেরের বক্তব্য সত্য কি মিথ্যা তা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ, মাহিন সরকারটা বলুক।

‘সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম ১ দফা ঘোষণা করেছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, গণঅভ্যুত্থানে মাহফুজ আলমের ভূমিকা সম্পর্কে আব্দুল কাদের তথ্য প্রকাশের পর মাহফুজ আলম শিবিরের ঘরে সব অবদান তুলে দিয়ে নিজেকে কায়দা করে সেইফ করার চেষ্টা করলো। কিন্তু ইতোপূর্বে সে কখনোই শিবিরের ভূমিকা স্বীকার করে নি! ফেসবুক পোস্টে, মাহফুজ আলম লিখেছে, অসহযোগ আন্দোলনে কি কি থাকবে, তার একটা খসড়া সাদিক কায়েমকে রেডি করে দিতে বলি, যা আসিফ পরেরদিন পাঠ করে। কিন্তু এটাকে ঘুরিয়ে জামায়াতের সংগ্রাম পত্রিকা লিখেছে, ঐ রাতেই সাদিক কায়েমকে দিয়ে এক দফা ঘোষণার একটি খসড়া তৈরি করা হয়, যা আসিফ মাহমুদ পাঠ করে! কিভাবে বয়ান সৃষ্টি করতে হয়, জামায়াত খুব ভাল করেই জানে! অথচ ১ দফার ঘোষণা আসিফ মাহমুদ নয়, নাহিদ ইসলাম পাঠ করে! আর আসিফ অসহযোগ আন্দোলনের পালনের দিকনির্দেশনা পাঠ করে।
তিনি লিখেন, শিবিরের যতোটুকু অবদান, ততোটুকুর ক্রেডিট নিলে সমস্যা নেই। কিন্তু অতিরঞ্জিত করতে গেলেই গণ্ডগোল তৈরি হবে। গণঅভ্যুত্থানের সময় সাদিক কায়েক সালমান পরিচয়ে কাজ করতো, এটাই চিরন্তন সত্য। কিন্তু এখন যদি বেশি ক্রেডিটের জন্য বলা হয় গণঅভ্যুত্থানের সময় সাদিক কায়েম পরিচয়েই সাদিক কায়েম কাজ করতো, তা হবে অসত্য! ঠিক ক্রেডিটের বিষয়গুলো এইরকম। যার যতোটুকু অবদান ততোটুকুর বেশি দাবি করার সুযোগ নেই।
পোস্টে বিএনপির এই নেতা লিখেন, মাহফুজ আলম লিখেছে, ‘২ তারিখ রাতেই অনলাইনে ১ দফা ঘোষণার আমরা সবাই বিপক্ষে ছিলাম। ৩ তারিখ জনসমক্ষে শহিদ মিনারে ঘোষণা দেবার পক্ষে ছিলাম। কারণ, রাতের ঘোষণার চাপ একটি নির্দিষ্ট কোয়ার্টার থেকে এসেছিল।’ এই কোয়ার্টার বলতে মাহফুজ আলম ক্যান্টমেন্টকে বুঝিয়েছে, যা ইতোপূর্বে নাহিদ ইসলামও বলেছিলো।
তিনি লিখেন, আমি যদি বলি সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছে! নিশ্চয়ই মনে থাকার কথা, ২ আগস্ট সেনাবাহিনীর একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় যে, ৩ আগস্ট সকল সিনিয়র অফিসারদের নিয়ে মিটিং, এরপর ৩ আগস্ট দুপুর বেলা সেনা প্রধান বলেন যে, সেনাবাহিনী ছাত্রজনতার বুকে গুলি চালাবে না? এটা কি মিথ্যা? সেনাবাহিনী এই বক্তব্য কি জনতাকে সাহস জোগায় নি? মূলত ১ লা আগস্ট সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় জনগণের পক্ষে অবস্থান করার।
রাশেদ খাঁন লিখেন, কার্যত পহেলা আগস্টেই শেখ হাসিনার পতন হয়ে যায় এবং সেই সিগনাল শেখ হাসিনাসহ মোটামুটি সকল এমপি মন্ত্রীরা পেয়ে যায়। যেকারণে ঐসময় থেকেই সব পালানো শুরু করে। গণঅভ্যুত্থানে ক্যান্টনমেন্টেরও অনেক ভূমিকা আছে। আমি রূপক অর্থে সেনাবাহিনীর ভূমিকা বা অবদান বোঝাতে গিয়ে এটি বলেছি যে , স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছিলো! আশা করি বক্তব্য বুঝতে পেরেছেন। এখানে নাহিদ ইসলামেরও ভূমিকা আছে, সেনাবাহিনীরও ভূমিকা আছে।
তিনি লিখেন, গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবিরসহ সকল ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও জনতার ভূমিকা আছে। ১ দফার ঘোষণার সিদ্ধান্ত, সম্মিলিত সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়। এখানে হয়তো কারও অবদান বেশি, কারও অবদান কম। কিন্তু ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত হাসনাত ও সারজিস ডিসিশন বা পলিসি মেকিংয়ের মধ্যে ছিলো না। সরকারের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠকে যাওয়ার কারণেই সন্দেহের জায়গা থেকে তাদের দূরে রাখা হয়। আব্দুল কাদেরের বক্তব্য সত্য কি মিথ্যা তা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ, মাহিন সরকারটা বলুক।

সংবিধান সংস্কার নয়, সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল






