খাল দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

খাল দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ অবহেলায় অনেক খাল দখল করে মার্কেট বা বাড়িঘর গড়ে তোলা হয়েছে। শিল্প বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন লাইন দিয়ে খালগুলোকে ডাস্টবিনে পরিণত করা হয়েছে। আমরা কর্মসূচি শুরু করেছি, মানেই দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। যেখানে আইনি জটিলতা আছে, সেখানে আমরা কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করব বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
সম্প্রতি দেশের একটি স্বনামধন্য গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে এই কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা ও চাপ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে দেশকে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, খাল খনন কেবল মাটি কাটা নয়, এটি একটি বহুমুখী অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত বিপ্লব। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার দূরদর্শিতা থেকে এই কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যা তখন আন্দোলন ও বিপ্লবে পরিণত হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় এটি অবহেলিত থাকায় আমাদের খালগুলো পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে, কোথাও দখল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচিকে পুনরায় সামনে এনেছেন। এর মাধ্যমে একদিকে গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে, অন্যদিকে কৃষিতে সেচ সুবিধা বাড়ছে। এটি শুধু পানি ব্যবস্থাপনা নয় বরং নতুন বাংলাদেশ গড়ার শক্তিশালী ভিত্তিও।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা কত কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করতে পারব, তার বিন্দু থেকে বিন্দু হিসাব করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪টি জেলায় প্রধানমন্ত্রী নিজে গিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। আগামী ১৬ মে তিনি চাঁদপুর সফরে যাবেন এবং সেখানেও এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞের সূচনা করবেন। সারা দেশে আমাদের এমপি ও মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় এই কর্মসূচিকে একটি জাগরণে পরিণত করেছেন। আমাদের লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরে কমপক্ষে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন বা খনন করা।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পের সুবিধার শৃঙ্খল অনেক বড়। যখন স্থানীয় মানুষ হাতে-কলমে এই কাজে অংশ নেয়, তখন স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের হাতে টাকা যায়। সেই টাকা যখন তারা বাজারে খরচ করে, তখন গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হয়। খালের পানিতে মাছের চাষ হবে, পাড়ে ফলদ ও ওষুধি গাছ লাগানো হবে। এতে ফল ও মাছের বাজার স্থিতিশীল থাকবে। সবচেয়ে বড় কথা, সেচ সুবিধা বাড়লে কৃষি উৎপাদন দুই থেকে তিনগুণ বাড়বে। শহীদ জিয়ার সময়ে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে বিদেশে রপ্তানি করেছিলাম, আমরা আবার সেই পর্যায়ে ফিরে যেতে চাই।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে অতিরিক্ত গভীর নলকূপ ব্যবহারের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে এর প্রভাব ভয়াবহ। আমরা যদি খাল খনন করে উপরিভাগের পানির ব্যবহার বাড়াতে পারি, তবে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে। এতে প্রকৃতি ও জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা হবে। আমাদের লক্ষ্য পানির স্তর ঠিক রাখা, যাতে আগামী ৫০ বছরেও আমাদের ভূখণ্ড সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে না পড়ে।

দীর্ঘ অবহেলায় অনেক খাল দখল করে মার্কেট বা বাড়িঘর গড়ে তোলা হয়েছে। শিল্প বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন লাইন দিয়ে খালগুলোকে ডাস্টবিনে পরিণত করা হয়েছে। আমরা কর্মসূচি শুরু করেছি, মানেই দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। যেখানে আইনি জটিলতা আছে, সেখানে আমরা কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করব বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
সম্প্রতি দেশের একটি স্বনামধন্য গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে এই কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা ও চাপ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে দেশকে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, খাল খনন কেবল মাটি কাটা নয়, এটি একটি বহুমুখী অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত বিপ্লব। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার দূরদর্শিতা থেকে এই কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যা তখন আন্দোলন ও বিপ্লবে পরিণত হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় এটি অবহেলিত থাকায় আমাদের খালগুলো পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে, কোথাও দখল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচিকে পুনরায় সামনে এনেছেন। এর মাধ্যমে একদিকে গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে, অন্যদিকে কৃষিতে সেচ সুবিধা বাড়ছে। এটি শুধু পানি ব্যবস্থাপনা নয় বরং নতুন বাংলাদেশ গড়ার শক্তিশালী ভিত্তিও।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা কত কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করতে পারব, তার বিন্দু থেকে বিন্দু হিসাব করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪টি জেলায় প্রধানমন্ত্রী নিজে গিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। আগামী ১৬ মে তিনি চাঁদপুর সফরে যাবেন এবং সেখানেও এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞের সূচনা করবেন। সারা দেশে আমাদের এমপি ও মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় এই কর্মসূচিকে একটি জাগরণে পরিণত করেছেন। আমাদের লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরে কমপক্ষে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন বা খনন করা।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পের সুবিধার শৃঙ্খল অনেক বড়। যখন স্থানীয় মানুষ হাতে-কলমে এই কাজে অংশ নেয়, তখন স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের হাতে টাকা যায়। সেই টাকা যখন তারা বাজারে খরচ করে, তখন গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হয়। খালের পানিতে মাছের চাষ হবে, পাড়ে ফলদ ও ওষুধি গাছ লাগানো হবে। এতে ফল ও মাছের বাজার স্থিতিশীল থাকবে। সবচেয়ে বড় কথা, সেচ সুবিধা বাড়লে কৃষি উৎপাদন দুই থেকে তিনগুণ বাড়বে। শহীদ জিয়ার সময়ে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে বিদেশে রপ্তানি করেছিলাম, আমরা আবার সেই পর্যায়ে ফিরে যেতে চাই।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে অতিরিক্ত গভীর নলকূপ ব্যবহারের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে এর প্রভাব ভয়াবহ। আমরা যদি খাল খনন করে উপরিভাগের পানির ব্যবহার বাড়াতে পারি, তবে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে। এতে প্রকৃতি ও জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা হবে। আমাদের লক্ষ্য পানির স্তর ঠিক রাখা, যাতে আগামী ৫০ বছরেও আমাদের ভূখণ্ড সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে না পড়ে।

খাল দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ অবহেলায় অনেক খাল দখল করে মার্কেট বা বাড়িঘর গড়ে তোলা হয়েছে। শিল্প বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন লাইন দিয়ে খালগুলোকে ডাস্টবিনে পরিণত করা হয়েছে। আমরা কর্মসূচি শুরু করেছি, মানেই দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। যেখানে আইনি জটিলতা আছে, সেখানে আমরা কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করব বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
সম্প্রতি দেশের একটি স্বনামধন্য গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে এই কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা ও চাপ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে দেশকে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, খাল খনন কেবল মাটি কাটা নয়, এটি একটি বহুমুখী অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত বিপ্লব। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার দূরদর্শিতা থেকে এই কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যা তখন আন্দোলন ও বিপ্লবে পরিণত হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় এটি অবহেলিত থাকায় আমাদের খালগুলো পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে, কোথাও দখল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচিকে পুনরায় সামনে এনেছেন। এর মাধ্যমে একদিকে গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে, অন্যদিকে কৃষিতে সেচ সুবিধা বাড়ছে। এটি শুধু পানি ব্যবস্থাপনা নয় বরং নতুন বাংলাদেশ গড়ার শক্তিশালী ভিত্তিও।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা কত কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করতে পারব, তার বিন্দু থেকে বিন্দু হিসাব করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪টি জেলায় প্রধানমন্ত্রী নিজে গিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। আগামী ১৬ মে তিনি চাঁদপুর সফরে যাবেন এবং সেখানেও এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞের সূচনা করবেন। সারা দেশে আমাদের এমপি ও মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় এই কর্মসূচিকে একটি জাগরণে পরিণত করেছেন। আমাদের লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরে কমপক্ষে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন বা খনন করা।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পের সুবিধার শৃঙ্খল অনেক বড়। যখন স্থানীয় মানুষ হাতে-কলমে এই কাজে অংশ নেয়, তখন স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের হাতে টাকা যায়। সেই টাকা যখন তারা বাজারে খরচ করে, তখন গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হয়। খালের পানিতে মাছের চাষ হবে, পাড়ে ফলদ ও ওষুধি গাছ লাগানো হবে। এতে ফল ও মাছের বাজার স্থিতিশীল থাকবে। সবচেয়ে বড় কথা, সেচ সুবিধা বাড়লে কৃষি উৎপাদন দুই থেকে তিনগুণ বাড়বে। শহীদ জিয়ার সময়ে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে বিদেশে রপ্তানি করেছিলাম, আমরা আবার সেই পর্যায়ে ফিরে যেতে চাই।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে অতিরিক্ত গভীর নলকূপ ব্যবহারের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে এর প্রভাব ভয়াবহ। আমরা যদি খাল খনন করে উপরিভাগের পানির ব্যবহার বাড়াতে পারি, তবে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে। এতে প্রকৃতি ও জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা হবে। আমাদের লক্ষ্য পানির স্তর ঠিক রাখা, যাতে আগামী ৫০ বছরেও আমাদের ভূখণ্ড সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে না পড়ে।

দেশের বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো চালু করাই সরকারের লক্ষ্য: বাণিজ্যমন্ত্রী


