ঘুমের উন্নতির জন্য যা করবেন

ঘুমের উন্নতির জন্য যা করবেন
সিজেডএন ডেস্ক

ঘুম মানুষের জীবনে অপরিহার্য অংশ। তবে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ও মনে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। ঘুম না আসার অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে টানা দুই-তিন রাত ঠিকভাবে ঘুমাতে না পারলে সবকিছু অসহ্য লাগতে শুরু করবে। কোনো কাজই ঠিকমতো পালন করতে পারবেন না। তখন চা অথবা কফি খেলেও সমাধান মিলবে না। এক্ষেত্রে কিছু অভ্যাস পরিবর্তনে রাতে ভালো ভালো ঘুম হতে পারে। চলুন জেনে নেই-
জীবনযাপনে পরিবর্তন আনুন
আপনি যদি খাবারে অনিয়মিত হন, অর্ধেক রাত অবধি মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাঁকিয়ে কাটান তবে আপনার অভ্যাসের পরিবর্তন আনতে হবে। ঘুমের উন্নতির জন্য বেছে নিতে হবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। পর্যাপ্ত পানি পান, পরিচ্ছন্ন থাকা, শোবার ঘর ও বাড়ির পরিবেশ পরিষ্কার রাখা না হলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য সঠিক ও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
দিন ও রাতের ভারসম্য রক্ষা করা
বলা হয়ে থাকে, দিন সৃষ্টি করা হয়েছে কাজের জন্য, আর রাতকে সৃষ্টি করা হয়েছে বিশ্রামের জন্য। প্রকৃতির মাঝে আপনি ভারসাম্যহীনতা খুঁজে পাবেন না। তাই আপনাকেও এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। প্রযুক্তির উন্নতির এই যুগে বেশিরভাগ মানুষের হাতে স্মার্টফোন চলে এসেছে। এজন্য অনেকে রাত জেগে ফেসবুকে স্ক্রল করেন, অথবা হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করেন। আবার তরুণ সমাজের অনেকেই সারারাত জেগে থাকাকে স্মার্টনেস মনে করেন। তবে এতে তো স্মার্টনেস প্রকাশ পায়ই না, বরং নিজের শরীর ও মনের ক্ষতি হয়। কেননা প্রকৃতিতে কোনোকিছু ভারসাম্যহীন নয়। আমাদের শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম দিন ও রাতের এই ঘড়ির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে। যখনই আপনি তার ব্যতিক্রম করতে যাবেন, তখন শরীর ও মনের ক্ষতি হবে, সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যেরও।
নিজের প্রতি খেয়াল রাখা
ঘুমের সমস্যার আরেকটি বড় কারণ হতে পারে বয়স। সব বয়সীদের ঘুমের পরিমাণ এক নয়। একজন শিশু যখন পৃথিবীতে আসে, তখন সে দিন-রাতের অর্ধেকের বেশি সময় ঘুমিয়ে থাকে। ধীরে ধীরে বয়স বাড়তে থাকে, আর কমতে থাকে ঘুমের পরিমাণ। এর মানে এই নয় যে প্রাপ্তবয়স্করা অল্প ঘুমায়। বরং তাদের শরীর ও মানসিক সমস্যার কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে থাকে। এক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

ঘুম মানুষের জীবনে অপরিহার্য অংশ। তবে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ও মনে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। ঘুম না আসার অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে টানা দুই-তিন রাত ঠিকভাবে ঘুমাতে না পারলে সবকিছু অসহ্য লাগতে শুরু করবে। কোনো কাজই ঠিকমতো পালন করতে পারবেন না। তখন চা অথবা কফি খেলেও সমাধান মিলবে না। এক্ষেত্রে কিছু অভ্যাস পরিবর্তনে রাতে ভালো ভালো ঘুম হতে পারে। চলুন জেনে নেই-
জীবনযাপনে পরিবর্তন আনুন
আপনি যদি খাবারে অনিয়মিত হন, অর্ধেক রাত অবধি মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাঁকিয়ে কাটান তবে আপনার অভ্যাসের পরিবর্তন আনতে হবে। ঘুমের উন্নতির জন্য বেছে নিতে হবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। পর্যাপ্ত পানি পান, পরিচ্ছন্ন থাকা, শোবার ঘর ও বাড়ির পরিবেশ পরিষ্কার রাখা না হলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য সঠিক ও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
দিন ও রাতের ভারসম্য রক্ষা করা
বলা হয়ে থাকে, দিন সৃষ্টি করা হয়েছে কাজের জন্য, আর রাতকে সৃষ্টি করা হয়েছে বিশ্রামের জন্য। প্রকৃতির মাঝে আপনি ভারসাম্যহীনতা খুঁজে পাবেন না। তাই আপনাকেও এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। প্রযুক্তির উন্নতির এই যুগে বেশিরভাগ মানুষের হাতে স্মার্টফোন চলে এসেছে। এজন্য অনেকে রাত জেগে ফেসবুকে স্ক্রল করেন, অথবা হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করেন। আবার তরুণ সমাজের অনেকেই সারারাত জেগে থাকাকে স্মার্টনেস মনে করেন। তবে এতে তো স্মার্টনেস প্রকাশ পায়ই না, বরং নিজের শরীর ও মনের ক্ষতি হয়। কেননা প্রকৃতিতে কোনোকিছু ভারসাম্যহীন নয়। আমাদের শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম দিন ও রাতের এই ঘড়ির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে। যখনই আপনি তার ব্যতিক্রম করতে যাবেন, তখন শরীর ও মনের ক্ষতি হবে, সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যেরও।
নিজের প্রতি খেয়াল রাখা
ঘুমের সমস্যার আরেকটি বড় কারণ হতে পারে বয়স। সব বয়সীদের ঘুমের পরিমাণ এক নয়। একজন শিশু যখন পৃথিবীতে আসে, তখন সে দিন-রাতের অর্ধেকের বেশি সময় ঘুমিয়ে থাকে। ধীরে ধীরে বয়স বাড়তে থাকে, আর কমতে থাকে ঘুমের পরিমাণ। এর মানে এই নয় যে প্রাপ্তবয়স্করা অল্প ঘুমায়। বরং তাদের শরীর ও মানসিক সমস্যার কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে থাকে। এক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

ঘুমের উন্নতির জন্য যা করবেন
সিজেডএন ডেস্ক

ঘুম মানুষের জীবনে অপরিহার্য অংশ। তবে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ও মনে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। ঘুম না আসার অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে টানা দুই-তিন রাত ঠিকভাবে ঘুমাতে না পারলে সবকিছু অসহ্য লাগতে শুরু করবে। কোনো কাজই ঠিকমতো পালন করতে পারবেন না। তখন চা অথবা কফি খেলেও সমাধান মিলবে না। এক্ষেত্রে কিছু অভ্যাস পরিবর্তনে রাতে ভালো ভালো ঘুম হতে পারে। চলুন জেনে নেই-
জীবনযাপনে পরিবর্তন আনুন
আপনি যদি খাবারে অনিয়মিত হন, অর্ধেক রাত অবধি মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাঁকিয়ে কাটান তবে আপনার অভ্যাসের পরিবর্তন আনতে হবে। ঘুমের উন্নতির জন্য বেছে নিতে হবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। পর্যাপ্ত পানি পান, পরিচ্ছন্ন থাকা, শোবার ঘর ও বাড়ির পরিবেশ পরিষ্কার রাখা না হলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য সঠিক ও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
দিন ও রাতের ভারসম্য রক্ষা করা
বলা হয়ে থাকে, দিন সৃষ্টি করা হয়েছে কাজের জন্য, আর রাতকে সৃষ্টি করা হয়েছে বিশ্রামের জন্য। প্রকৃতির মাঝে আপনি ভারসাম্যহীনতা খুঁজে পাবেন না। তাই আপনাকেও এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। প্রযুক্তির উন্নতির এই যুগে বেশিরভাগ মানুষের হাতে স্মার্টফোন চলে এসেছে। এজন্য অনেকে রাত জেগে ফেসবুকে স্ক্রল করেন, অথবা হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করেন। আবার তরুণ সমাজের অনেকেই সারারাত জেগে থাকাকে স্মার্টনেস মনে করেন। তবে এতে তো স্মার্টনেস প্রকাশ পায়ই না, বরং নিজের শরীর ও মনের ক্ষতি হয়। কেননা প্রকৃতিতে কোনোকিছু ভারসাম্যহীন নয়। আমাদের শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম দিন ও রাতের এই ঘড়ির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে। যখনই আপনি তার ব্যতিক্রম করতে যাবেন, তখন শরীর ও মনের ক্ষতি হবে, সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যেরও।
নিজের প্রতি খেয়াল রাখা
ঘুমের সমস্যার আরেকটি বড় কারণ হতে পারে বয়স। সব বয়সীদের ঘুমের পরিমাণ এক নয়। একজন শিশু যখন পৃথিবীতে আসে, তখন সে দিন-রাতের অর্ধেকের বেশি সময় ঘুমিয়ে থাকে। ধীরে ধীরে বয়স বাড়তে থাকে, আর কমতে থাকে ঘুমের পরিমাণ। এর মানে এই নয় যে প্রাপ্তবয়স্করা অল্প ঘুমায়। বরং তাদের শরীর ও মানসিক সমস্যার কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে থাকে। এক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী







