ঘুম কম হলে শরীরে কী ঘটে জেনে নিন
ঘুম কম হলে শরীরে কী ঘটে জেনে নিন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক-দুই দিন ঘুম কম হলেও শরীরে প্রভাব পড়ে। আর দীর্ঘদিন ঘুমের অভাব থাকলে তা গুরুতর সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে।


সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সবার ক্ষেত্রে এই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। কারও ৬ ঘণ্টার ঘুমেই শরীর চাঙা হয়ে ওঠে, আবার কারও ৯ ঘণ্টা ঘুমিয়েও ক্লান্তি কাটে না। তবে গবেষণা বলছে, পুরুষদের তুলনায় নারীদের কিছুটা বেশি ঘুমের প্রয়োজন হতে পারে।

রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও সকালে চোখ মেলতে কষ্ট হচ্ছে? ডাইনিং টেবিলে বসলে কিংবা অফিসের কাজের ফাঁকেই কি বারবার হাই উঠছে? সাধারণ দৃষ্টিতে একে 'অলসতা' মনে হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা।।

শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তির জন্য গভীর ঘুম অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানের যান্ত্রিক জীবনে ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যার সমাধানে নতুন একটি পথ বের করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অফিসে কাজ করছেন, অথচ চোখ ভেঙে আসছে ঘুম–এমন পরিস্থিতি যেমন বিব্রতকর, তেমনি কাজের জন্যও ক্ষতিকর। দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা, একঘেয়েমি কিংবা রাতের ঘুমের ঘাটতি আমাদের কর্মশক্তি কমিয়ে দেয়। তবে কিছু কার্যকর কৌশল জানা থাকলে খুব সহজেই এই ঝিমুনি কাটিয়ে নিজেকে চাঙা রাখা সম্ভব।