ঘুমের সময় যে ৯ কাজ সুন্নত
ঘুমের সময় যে ৯ কাজ সুন্নত
বান্দার প্রতি আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ ঘুম। সারাদিনের কঠোর পরিশ্রমের পর ঘুমের মাধ্যমে শারীরিক শক্তি ও মানসিক সক্ষমতা ফিরে আসে।


উত্তর মেরুর কাছাকাছি বরফঢাকা দ্বীপে এক মেরু ভালুকের ঘুম ভাঙিয়ে বড় অংকের জরিমানা গুনতে হলো জাহাজের এক যাত্রীকে। উত্তর-পশ্চিম সভালবার্ডের একটি ফিয়র্ড দিয়ে যাওয়ার জাহাজের এক যাত্রী কৌতূহলবশত হঠাৎ কুয়াশার সংকেতবাঁশি (ফগহর্ন) বাজান। বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায় ভালুকটির।

অনেক সময় ঘুম না আসা নিয়ে দুশ্চিন্তাই ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। সকালে কাজ আছে, এখন ঘুম না এলে মিস করবো-এমন চিন্তা মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করতে পারে। তাই যত সম্ভব এমন চিন্তা বাদ দিন।

একটি দেশ পরিচালনা করা কখনোই সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা কোনো সাধারণ চাকরি নয়। গভীর রাতে জরুরি বৈঠক, ভোরের ব্রিফিং, হঠাৎ তৈরি হওয়া আন্তর্জাতিক সংকট, বক্তৃতা ও বিদেশ সফর-সব মিলিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কর্মঘণ্টার কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই।

প্রাক্তনের কথা ভেবে মন খারাপ করাও অস্বাভাবিক নয়। গভীর রাতে চোখের সামনে হঠাৎ ভেসে ওঠে প্রাক্তনের মুখ। পুরোনো কথোপকথন কিংবা একসঙ্গে কাটানো কিছু মুহূর্ত মনে পড়ে। তখন আর ঘুম আসে না। অনেকের এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে।
বান্দার প্রতি আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ ঘুম। সারাদিনের কঠোর পরিশ্রমের পর ঘুমের মাধ্যমে শারীরিক শক্তি ও মানসিক সক্ষমতা ফিরে আসে।

জেনে নিন বৃষ্টির দিনে ঘুম আসার বৈজ্ঞানিক কারণ

দিনভর কাজের ব্যস্ততা শেষে বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছেন। চোখ বুজে ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঠিক তখনই হঠাৎ মনে পড়ে গেল বহু বছর আগের কোনো অস্বস্তিকর ঘটনা। হয়তো সবার সামনে হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়ার মুহূর্ত, কোনো ভুল কথা বলে বিব্রত হওয়ার স্মৃতি কিংবা এমন কোনো পরিস্থিতি, যা মনে পড়লেই এখনও অস্বস্তি লাগে।

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সবার ক্ষেত্রে এই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। কারও ৬ ঘণ্টার ঘুমেই শরীর চাঙা হয়ে ওঠে, আবার কারও ৯ ঘণ্টা ঘুমিয়েও ক্লান্তি কাটে না। তবে গবেষণা বলছে, পুরুষদের তুলনায় নারীদের কিছুটা বেশি ঘুমের প্রয়োজন হতে পারে।

রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও সকালে চোখ মেলতে কষ্ট হচ্ছে? ডাইনিং টেবিলে বসলে কিংবা অফিসের কাজের ফাঁকেই কি বারবার হাই উঠছে? সাধারণ দৃষ্টিতে একে 'অলসতা' মনে হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা।।

শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তির জন্য গভীর ঘুম অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানের যান্ত্রিক জীবনে ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যার সমাধানে নতুন একটি পথ বের করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অফিসে কাজ করছেন, অথচ চোখ ভেঙে আসছে ঘুম–এমন পরিস্থিতি যেমন বিব্রতকর, তেমনি কাজের জন্যও ক্ষতিকর। দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা, একঘেয়েমি কিংবা রাতের ঘুমের ঘাটতি আমাদের কর্মশক্তি কমিয়ে দেয়। তবে কিছু কার্যকর কৌশল জানা থাকলে খুব সহজেই এই ঝিমুনি কাটিয়ে নিজেকে চাঙা রাখা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক-দুই দিন ঘুম কম হলেও শরীরে প্রভাব পড়ে। আর দীর্ঘদিন ঘুমের অভাব থাকলে তা গুরুতর সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
