‘ফোন ধরিস না কেন’ বলে ট্রেনকর্মীদের থাপড়ানোর অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

‘ফোন ধরিস না কেন’ বলে ট্রেনকর্মীদের থাপড়ানোর অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে
সিজেডএন ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে ফোন না ধরার অভিযোগ তুলে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক ও এক বুকিং ক্লার্ককে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ ওঠা যুবদল নেতা নাজমুল হুদা ওরফে সানি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। মারধরের শিকার দুই কর্মী হলেন তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে সজীব এবং বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।
ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা টিকিট কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রেলওয়ে পুলিশের উদ্যোগে ঢাকায় যোগাযোগ করে কাউন্টার খুলে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক ও ক্লার্ককে কয়েকজন চড়-থাপ্পড় মেরে চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরে তিতাস কমিউটারের লোকজন কাউন্টার বন্ধ করে দেন। যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কাউন্টার আবার চালু করা হয়। ভুক্তভোগীরা এখনো লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার সকাল ১১টার দিকে বুকিং ক্লার্ক কাউসার স্টেশনের স্টাফ কক্ষ থেকে টিকিট কাউন্টারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে স্টেশন এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে কালোবাজারে বিক্রির জন্য টিকিট দেওয়ার কথা বলে মারধর ও হেনস্তা করেন। এরপর তিতাস কমিউটার কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কিছু সময়ের জন্য কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়।
এর কিছুক্ষণ পর যুবদল নেতা নাজমুল হুদা স্টেশনে এসে কাউসার ও ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিনকে চড়-থাপ্পড় দেন বলে অভিযোগ।
মহিউদ্দিন আহমেদের ভাষ্য, সকাল ১১টার দিকে যুবদল নেতা সানি কাউসারকে ফোন করে দুটি টিকিট চান। টিকিট নিতে দুজন লোক পাঠাবেন বলেও জানান তিনি। তখন কাউন্টার সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় টিকিট দেওয়া সম্ভব নয় বলে কাউসার তাকে পরে লোক পাঠাতে বলেন।
মহিউদ্দিন বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্টেশনে এসে কাউন্টার থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে কাউসারকে চড়-থাপ্পড় মারেন সানি ভাই। এগিয়ে গিয়ে আমি কারণ জানতে চাইলে আমাকেও চড় মারেন। তখন বলতে থাকেন, ‘ফোন ধরিস না কেন।’ পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যান।’
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা দুপুর দুইটা পর্যন্ত কাউন্টার বন্ধ রাখেন। নাজমুল হুদা প্রায়ই লোক পাঠিয়ে টিকিট নেন বলেও দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্টশিপ নেওয়ার চেষ্টা করলেও ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া দিচ্ছে না বলে জানান মহিউদ্দিন।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজমুল হুদা। তার দাবি, তিতাস কমিউটার ট্রেনের কর্মীদের দীর্ঘদিন ধরে বাইরে টিকিট বিক্রি না করতে বলা হলেও তারা তা মানছেন না।
নাজমুল হুদা বলেন, ৭৫ টাকার টিকিট কালোবাজারিসহ পরিচিত লোকজনের কাছে ১৫০ টাকা করে বিক্রি করা হয়। পরে কালোবাজারিরা সেই টিকিট ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করেন। বাইরে টিকিট বিক্রির বিষয়ে চাপ দেওয়ায় সোমবার কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘কেউ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কিনে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করলে আমাদের কী করার আছে? আমরা বেশি দামে বাইরে টিকিট বিক্রি করি না। অভিযোগটি সত্য নয়। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছেও অভিযোগ করেছি।’
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে চলাচলকারী তিতাস কমিউটার ট্রেনটি সরকারি হলেও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। ইজারার মাধ্যমে দায়িত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠানটি ট্রেনের টিকিট বিক্রিসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকার ভাড়া ৭৫ টাকা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে ফোন না ধরার অভিযোগ তুলে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক ও এক বুকিং ক্লার্ককে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ ওঠা যুবদল নেতা নাজমুল হুদা ওরফে সানি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। মারধরের শিকার দুই কর্মী হলেন তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে সজীব এবং বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।
ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা টিকিট কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রেলওয়ে পুলিশের উদ্যোগে ঢাকায় যোগাযোগ করে কাউন্টার খুলে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক ও ক্লার্ককে কয়েকজন চড়-থাপ্পড় মেরে চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরে তিতাস কমিউটারের লোকজন কাউন্টার বন্ধ করে দেন। যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কাউন্টার আবার চালু করা হয়। ভুক্তভোগীরা এখনো লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার সকাল ১১টার দিকে বুকিং ক্লার্ক কাউসার স্টেশনের স্টাফ কক্ষ থেকে টিকিট কাউন্টারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে স্টেশন এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে কালোবাজারে বিক্রির জন্য টিকিট দেওয়ার কথা বলে মারধর ও হেনস্তা করেন। এরপর তিতাস কমিউটার কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কিছু সময়ের জন্য কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়।
এর কিছুক্ষণ পর যুবদল নেতা নাজমুল হুদা স্টেশনে এসে কাউসার ও ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিনকে চড়-থাপ্পড় দেন বলে অভিযোগ।
মহিউদ্দিন আহমেদের ভাষ্য, সকাল ১১টার দিকে যুবদল নেতা সানি কাউসারকে ফোন করে দুটি টিকিট চান। টিকিট নিতে দুজন লোক পাঠাবেন বলেও জানান তিনি। তখন কাউন্টার সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় টিকিট দেওয়া সম্ভব নয় বলে কাউসার তাকে পরে লোক পাঠাতে বলেন।
মহিউদ্দিন বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্টেশনে এসে কাউন্টার থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে কাউসারকে চড়-থাপ্পড় মারেন সানি ভাই। এগিয়ে গিয়ে আমি কারণ জানতে চাইলে আমাকেও চড় মারেন। তখন বলতে থাকেন, ‘ফোন ধরিস না কেন।’ পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যান।’
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা দুপুর দুইটা পর্যন্ত কাউন্টার বন্ধ রাখেন। নাজমুল হুদা প্রায়ই লোক পাঠিয়ে টিকিট নেন বলেও দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্টশিপ নেওয়ার চেষ্টা করলেও ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া দিচ্ছে না বলে জানান মহিউদ্দিন।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজমুল হুদা। তার দাবি, তিতাস কমিউটার ট্রেনের কর্মীদের দীর্ঘদিন ধরে বাইরে টিকিট বিক্রি না করতে বলা হলেও তারা তা মানছেন না।
নাজমুল হুদা বলেন, ৭৫ টাকার টিকিট কালোবাজারিসহ পরিচিত লোকজনের কাছে ১৫০ টাকা করে বিক্রি করা হয়। পরে কালোবাজারিরা সেই টিকিট ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করেন। বাইরে টিকিট বিক্রির বিষয়ে চাপ দেওয়ায় সোমবার কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘কেউ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কিনে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করলে আমাদের কী করার আছে? আমরা বেশি দামে বাইরে টিকিট বিক্রি করি না। অভিযোগটি সত্য নয়। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছেও অভিযোগ করেছি।’
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে চলাচলকারী তিতাস কমিউটার ট্রেনটি সরকারি হলেও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। ইজারার মাধ্যমে দায়িত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠানটি ট্রেনের টিকিট বিক্রিসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকার ভাড়া ৭৫ টাকা।

‘ফোন ধরিস না কেন’ বলে ট্রেনকর্মীদের থাপড়ানোর অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে
সিজেডএন ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে ফোন না ধরার অভিযোগ তুলে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক ও এক বুকিং ক্লার্ককে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ ওঠা যুবদল নেতা নাজমুল হুদা ওরফে সানি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। মারধরের শিকার দুই কর্মী হলেন তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে সজীব এবং বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।
ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা টিকিট কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রেলওয়ে পুলিশের উদ্যোগে ঢাকায় যোগাযোগ করে কাউন্টার খুলে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক ও ক্লার্ককে কয়েকজন চড়-থাপ্পড় মেরে চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরে তিতাস কমিউটারের লোকজন কাউন্টার বন্ধ করে দেন। যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কাউন্টার আবার চালু করা হয়। ভুক্তভোগীরা এখনো লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার সকাল ১১টার দিকে বুকিং ক্লার্ক কাউসার স্টেশনের স্টাফ কক্ষ থেকে টিকিট কাউন্টারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে স্টেশন এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে কালোবাজারে বিক্রির জন্য টিকিট দেওয়ার কথা বলে মারধর ও হেনস্তা করেন। এরপর তিতাস কমিউটার কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কিছু সময়ের জন্য কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়।
এর কিছুক্ষণ পর যুবদল নেতা নাজমুল হুদা স্টেশনে এসে কাউসার ও ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিনকে চড়-থাপ্পড় দেন বলে অভিযোগ।
মহিউদ্দিন আহমেদের ভাষ্য, সকাল ১১টার দিকে যুবদল নেতা সানি কাউসারকে ফোন করে দুটি টিকিট চান। টিকিট নিতে দুজন লোক পাঠাবেন বলেও জানান তিনি। তখন কাউন্টার সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় টিকিট দেওয়া সম্ভব নয় বলে কাউসার তাকে পরে লোক পাঠাতে বলেন।
মহিউদ্দিন বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্টেশনে এসে কাউন্টার থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে কাউসারকে চড়-থাপ্পড় মারেন সানি ভাই। এগিয়ে গিয়ে আমি কারণ জানতে চাইলে আমাকেও চড় মারেন। তখন বলতে থাকেন, ‘ফোন ধরিস না কেন।’ পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যান।’
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা দুপুর দুইটা পর্যন্ত কাউন্টার বন্ধ রাখেন। নাজমুল হুদা প্রায়ই লোক পাঠিয়ে টিকিট নেন বলেও দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্টশিপ নেওয়ার চেষ্টা করলেও ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া দিচ্ছে না বলে জানান মহিউদ্দিন।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজমুল হুদা। তার দাবি, তিতাস কমিউটার ট্রেনের কর্মীদের দীর্ঘদিন ধরে বাইরে টিকিট বিক্রি না করতে বলা হলেও তারা তা মানছেন না।
নাজমুল হুদা বলেন, ৭৫ টাকার টিকিট কালোবাজারিসহ পরিচিত লোকজনের কাছে ১৫০ টাকা করে বিক্রি করা হয়। পরে কালোবাজারিরা সেই টিকিট ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করেন। বাইরে টিকিট বিক্রির বিষয়ে চাপ দেওয়ায় সোমবার কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘কেউ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কিনে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করলে আমাদের কী করার আছে? আমরা বেশি দামে বাইরে টিকিট বিক্রি করি না। অভিযোগটি সত্য নয়। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছেও অভিযোগ করেছি।’
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে চলাচলকারী তিতাস কমিউটার ট্রেনটি সরকারি হলেও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। ইজারার মাধ্যমে দায়িত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠানটি ট্রেনের টিকিট বিক্রিসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকার ভাড়া ৭৫ টাকা।








-CznNewsLab-39c5ee.jpg)
