ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি, মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে হাজারো মার্কিন সেনা

ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি, মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে হাজারো মার্কিন সেনা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ শুরুর এক মাস পর দেশটিতে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে হাজার হাজার মার্কিন নৌ ও মেরিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন।
শনিবার (২৮ মার্চ) মার্কিন সেনারা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তবে সেনারা সুনির্দিষ্টভাবে কোথায় অবস্থান করবেন তা স্পষ্ট করেনি।
সেন্টকম আরও জানায়, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি তার ‘দায়িত্বের এলাকায়’ পৌঁছেছে।
ইউএসএস ত্রিপোলির নেতৃত্বাধীন ইউনিটটি প্রায় ৫ হাজার নাবিক এবং মেরিন সেনা নিয়ে গঠিত। এ যুদ্ধজাহাজটি আগে জাপানের আশপাশে ছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইউএসএস ত্রিপোলি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা জলে ও স্থলে যুদ্ধে পারদর্শী একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেবে।

এদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে ওয়াশিংটন পোস্ট শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সম্ভাব্য এই স্থল অভিযান দেশ দখলের মতো কোনো পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন হবে না। বরং বিশেষ কমান্ডো বাহিনী ও সাধারণ পদাতিক সেনাদের সমন্বয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ঝটিকা হামলা বা 'রেইড' চালানো হতে পারে।
ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, এ ধরনের অভিযানে মার্কিন সেনাসদস্যরা ইরানি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, স্থলপথে হামলা এবং বিস্ফোরকসহ (আইইডি) নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এই পরিকল্পনার সবটুকু নাকি কিছু অংশ ট্রাম্প অনুমোদন করবেন, নাকি একদমই করবেন না– তা শনিবার পর্যন্ত অস্পষ্ট ছিল।
কর্মকর্তারা জানান, গত এক মাস ধরে প্রশাসনের ভেতরে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ ইরানি তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখল এবং হরমুজ প্রণালির কাছে উপকূলীয় এলাকায় অতর্কিত অভিযান চালানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি ও সিএনএন

ইরান যুদ্ধ শুরুর এক মাস পর দেশটিতে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে হাজার হাজার মার্কিন নৌ ও মেরিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন।
শনিবার (২৮ মার্চ) মার্কিন সেনারা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তবে সেনারা সুনির্দিষ্টভাবে কোথায় অবস্থান করবেন তা স্পষ্ট করেনি।
সেন্টকম আরও জানায়, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি তার ‘দায়িত্বের এলাকায়’ পৌঁছেছে।
ইউএসএস ত্রিপোলির নেতৃত্বাধীন ইউনিটটি প্রায় ৫ হাজার নাবিক এবং মেরিন সেনা নিয়ে গঠিত। এ যুদ্ধজাহাজটি আগে জাপানের আশপাশে ছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইউএসএস ত্রিপোলি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা জলে ও স্থলে যুদ্ধে পারদর্শী একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেবে।

এদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে ওয়াশিংটন পোস্ট শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সম্ভাব্য এই স্থল অভিযান দেশ দখলের মতো কোনো পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন হবে না। বরং বিশেষ কমান্ডো বাহিনী ও সাধারণ পদাতিক সেনাদের সমন্বয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ঝটিকা হামলা বা 'রেইড' চালানো হতে পারে।
ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, এ ধরনের অভিযানে মার্কিন সেনাসদস্যরা ইরানি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, স্থলপথে হামলা এবং বিস্ফোরকসহ (আইইডি) নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এই পরিকল্পনার সবটুকু নাকি কিছু অংশ ট্রাম্প অনুমোদন করবেন, নাকি একদমই করবেন না– তা শনিবার পর্যন্ত অস্পষ্ট ছিল।
কর্মকর্তারা জানান, গত এক মাস ধরে প্রশাসনের ভেতরে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ ইরানি তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখল এবং হরমুজ প্রণালির কাছে উপকূলীয় এলাকায় অতর্কিত অভিযান চালানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি ও সিএনএন

ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি, মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে হাজারো মার্কিন সেনা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ শুরুর এক মাস পর দেশটিতে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে হাজার হাজার মার্কিন নৌ ও মেরিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন।
শনিবার (২৮ মার্চ) মার্কিন সেনারা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তবে সেনারা সুনির্দিষ্টভাবে কোথায় অবস্থান করবেন তা স্পষ্ট করেনি।
সেন্টকম আরও জানায়, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি তার ‘দায়িত্বের এলাকায়’ পৌঁছেছে।
ইউএসএস ত্রিপোলির নেতৃত্বাধীন ইউনিটটি প্রায় ৫ হাজার নাবিক এবং মেরিন সেনা নিয়ে গঠিত। এ যুদ্ধজাহাজটি আগে জাপানের আশপাশে ছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইউএসএস ত্রিপোলি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা জলে ও স্থলে যুদ্ধে পারদর্শী একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেবে।

এদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে ওয়াশিংটন পোস্ট শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সম্ভাব্য এই স্থল অভিযান দেশ দখলের মতো কোনো পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন হবে না। বরং বিশেষ কমান্ডো বাহিনী ও সাধারণ পদাতিক সেনাদের সমন্বয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ঝটিকা হামলা বা 'রেইড' চালানো হতে পারে।
ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, এ ধরনের অভিযানে মার্কিন সেনাসদস্যরা ইরানি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, স্থলপথে হামলা এবং বিস্ফোরকসহ (আইইডি) নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এই পরিকল্পনার সবটুকু নাকি কিছু অংশ ট্রাম্প অনুমোদন করবেন, নাকি একদমই করবেন না– তা শনিবার পর্যন্ত অস্পষ্ট ছিল।
কর্মকর্তারা জানান, গত এক মাস ধরে প্রশাসনের ভেতরে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ ইরানি তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখল এবং হরমুজ প্রণালির কাছে উপকূলীয় এলাকায় অতর্কিত অভিযান চালানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি ও সিএনএন




