ইরানি হামলায় আহত সর্বকনিষ্ঠ কুর্দি নারী যোদ্ধা মারা গেছেন

ইরানি হামলায় আহত সর্বকনিষ্ঠ কুর্দি নারী যোদ্ধা মারা গেছেন
সিটিজেন ডেস্ক

উত্তর ইরাকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন গজল মোলান নামের ১৯ বছর বয়সী এক কুর্দি নারী যোদ্ধা। তিনি কুর্দি পেশমার্গা বাহিনীর কনিষ্ঠ সদস্যদের একজন ছিলেন এবং সম্প্রতি তার বাগদানও সম্পন্ন হয়েছিল।
কুর্দিস্তান প্রেস এজেন্সি কুর্দপার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির সপ্তম দিনে উত্তর ইরাকের সুরদাশ এলাকার একটি আবাসিক স্থানে এ আকস্মিক হামলা চালানো হয়। ওই স্থানে মূলত ইরানের বিরোধী সংগঠন কোমালা অব দ্য টয়লার্স অব কুর্দিস্তানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো বসবাস করছিল। হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর কোমালা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সচিবালয় এক বিবৃতিতে গজলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তাকে শহিদ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
যদিও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এ হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে হামলার পর প্রকাশিত কিছু ছবিতে একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে সাইয়্যিদ আলী খামেনির স্মরণে লেখা থাকতে দেখা গেছে। এদিকে, আহত গজলের মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসায় চরম অবহেলা ও অসহযোগিতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তার সঙ্গীদের দাবি, গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে শোরশ হাসপাতালে নেওয়া হলেও পর্যাপ্ত সুবিধার অভাবে বাখশিন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সেখানে পরিচয় জানার পর কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি নিতে অস্বীকৃতি জানায়। নাগরিক অধিকারকর্মী শাকিলা মাহদিপাহ জানান, প্রচুর রক্তক্ষরণ সত্ত্বেও তাকে সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি এবং পরবর্তীতে ফারুক মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হলে আশঙ্কাজনক অবস্থাতেই তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর পরও বিড়ম্বনার শেষ ছিল না, মর্গের কর্মীরাও তার মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় বলে অভিযোগ উঠেছে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সুলাইমানিয়া শহরের একটি লাইব্রেরিতে তার বন্ধু ও হবু স্বামী মিলে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। একই দিনে একটি পেশমার্গা কবরস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ঝুঁকি চরম আকার ধারণ করে, যার ফলে অত্যন্ত দ্রুততা ও সীমিত পরিসরে গজলের জানাজা এবং দাফন সম্পন্ন করা হয়। কুর্দি মানবাধিকারকর্মী রাদা ফাতেহি জানিয়েছেন, এত কম বয়সে সংগ্রামের কঠিন পথ বেছে নেওয়া গজলের মতো তরুণীরা অসামান্য সাহসের প্রতীক হয়ে থাকবেন।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

উত্তর ইরাকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন গজল মোলান নামের ১৯ বছর বয়সী এক কুর্দি নারী যোদ্ধা। তিনি কুর্দি পেশমার্গা বাহিনীর কনিষ্ঠ সদস্যদের একজন ছিলেন এবং সম্প্রতি তার বাগদানও সম্পন্ন হয়েছিল।
কুর্দিস্তান প্রেস এজেন্সি কুর্দপার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির সপ্তম দিনে উত্তর ইরাকের সুরদাশ এলাকার একটি আবাসিক স্থানে এ আকস্মিক হামলা চালানো হয়। ওই স্থানে মূলত ইরানের বিরোধী সংগঠন কোমালা অব দ্য টয়লার্স অব কুর্দিস্তানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো বসবাস করছিল। হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর কোমালা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সচিবালয় এক বিবৃতিতে গজলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তাকে শহিদ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
যদিও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এ হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে হামলার পর প্রকাশিত কিছু ছবিতে একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে সাইয়্যিদ আলী খামেনির স্মরণে লেখা থাকতে দেখা গেছে। এদিকে, আহত গজলের মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসায় চরম অবহেলা ও অসহযোগিতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তার সঙ্গীদের দাবি, গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে শোরশ হাসপাতালে নেওয়া হলেও পর্যাপ্ত সুবিধার অভাবে বাখশিন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সেখানে পরিচয় জানার পর কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি নিতে অস্বীকৃতি জানায়। নাগরিক অধিকারকর্মী শাকিলা মাহদিপাহ জানান, প্রচুর রক্তক্ষরণ সত্ত্বেও তাকে সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি এবং পরবর্তীতে ফারুক মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হলে আশঙ্কাজনক অবস্থাতেই তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর পরও বিড়ম্বনার শেষ ছিল না, মর্গের কর্মীরাও তার মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় বলে অভিযোগ উঠেছে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সুলাইমানিয়া শহরের একটি লাইব্রেরিতে তার বন্ধু ও হবু স্বামী মিলে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। একই দিনে একটি পেশমার্গা কবরস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ঝুঁকি চরম আকার ধারণ করে, যার ফলে অত্যন্ত দ্রুততা ও সীমিত পরিসরে গজলের জানাজা এবং দাফন সম্পন্ন করা হয়। কুর্দি মানবাধিকারকর্মী রাদা ফাতেহি জানিয়েছেন, এত কম বয়সে সংগ্রামের কঠিন পথ বেছে নেওয়া গজলের মতো তরুণীরা অসামান্য সাহসের প্রতীক হয়ে থাকবেন।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

ইরানি হামলায় আহত সর্বকনিষ্ঠ কুর্দি নারী যোদ্ধা মারা গেছেন
সিটিজেন ডেস্ক

উত্তর ইরাকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন গজল মোলান নামের ১৯ বছর বয়সী এক কুর্দি নারী যোদ্ধা। তিনি কুর্দি পেশমার্গা বাহিনীর কনিষ্ঠ সদস্যদের একজন ছিলেন এবং সম্প্রতি তার বাগদানও সম্পন্ন হয়েছিল।
কুর্দিস্তান প্রেস এজেন্সি কুর্দপার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির সপ্তম দিনে উত্তর ইরাকের সুরদাশ এলাকার একটি আবাসিক স্থানে এ আকস্মিক হামলা চালানো হয়। ওই স্থানে মূলত ইরানের বিরোধী সংগঠন কোমালা অব দ্য টয়লার্স অব কুর্দিস্তানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো বসবাস করছিল। হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর কোমালা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সচিবালয় এক বিবৃতিতে গজলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তাকে শহিদ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
যদিও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এ হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে হামলার পর প্রকাশিত কিছু ছবিতে একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে সাইয়্যিদ আলী খামেনির স্মরণে লেখা থাকতে দেখা গেছে। এদিকে, আহত গজলের মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসায় চরম অবহেলা ও অসহযোগিতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তার সঙ্গীদের দাবি, গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে শোরশ হাসপাতালে নেওয়া হলেও পর্যাপ্ত সুবিধার অভাবে বাখশিন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সেখানে পরিচয় জানার পর কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি নিতে অস্বীকৃতি জানায়। নাগরিক অধিকারকর্মী শাকিলা মাহদিপাহ জানান, প্রচুর রক্তক্ষরণ সত্ত্বেও তাকে সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি এবং পরবর্তীতে ফারুক মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হলে আশঙ্কাজনক অবস্থাতেই তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর পরও বিড়ম্বনার শেষ ছিল না, মর্গের কর্মীরাও তার মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় বলে অভিযোগ উঠেছে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সুলাইমানিয়া শহরের একটি লাইব্রেরিতে তার বন্ধু ও হবু স্বামী মিলে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। একই দিনে একটি পেশমার্গা কবরস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ঝুঁকি চরম আকার ধারণ করে, যার ফলে অত্যন্ত দ্রুততা ও সীমিত পরিসরে গজলের জানাজা এবং দাফন সম্পন্ন করা হয়। কুর্দি মানবাধিকারকর্মী রাদা ফাতেহি জানিয়েছেন, এত কম বয়সে সংগ্রামের কঠিন পথ বেছে নেওয়া গজলের মতো তরুণীরা অসামান্য সাহসের প্রতীক হয়ে থাকবেন।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট




