এস আলমের সম্পদের খোঁজে মালয়েশিয়ায় তদন্ত, নজরে বিলাসবহুল হোটেল

এস আলমের সম্পদের খোঁজে মালয়েশিয়ায় তদন্ত, নজরে বিলাসবহুল হোটেল
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের অভিযোগে মোহাম্মদ সাইফুল আলমের (এস আলম) বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় তদন্ত শুরু হয়েছে। সাইপ্রাসে সম্পত্তি জব্দ, সিঙ্গাপুরে সম্পদ অনুসন্ধান এবং বাংলাদেশে আদালতের রায়ের পর এবার আলোচনায় এসেছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অবস্থিত দুটি বিলাসবহুল হোটেল। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, এসব হোটেলের মালিকানা কাঠামো ও অর্থায়নের উৎস নিয়েও নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মে মাসের ব্যবধানে এস আলমকে ঘিরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। ১৯ মে সাইপ্রাসের একটি আদালত তাঁর ও তাঁর স্ত্রী ফারজানা পারভীনের মালিকানাধীন একটি আবাসিক সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেন। পরদিন বাংলাদেশের একটি আদালত ঋণখেলাপির মামলায় এস আলমসহ তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে কারাদণ্ড দেন। একই সময়ে সিঙ্গাপুরের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোও তাঁর দেশি-বিদেশি সম্পদ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে পাচার করা অর্থের মাধ্যমে এস আলম দেশের বাইরে বিস্তৃত ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু সিঙ্গাপুরেই তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এ অবস্থায় নজরে এসেছে কুয়ালালামপুরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রেনেসাঁ কুয়ালালামপুর হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার এবং ফোর পয়েন্টস বাই শেরাটন কুয়ালালামপুর সিটি সেন্টার। দুটি হোটেলের মালিক ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনাল এসডিএন বিএইচডি, যার সঙ্গে এস আলম গ্রুপের সংশ্লিষ্টতার তথ্য বিভিন্ন করপোরেট নথিতে পাওয়া গেছে।
করপোরেট রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১৬ সালে আইজিবি কর্প বিএইচডি রেনেসাঁ হোটেলটি ৭৬ কোটি ৫০ লাখ রিঙ্গিতে ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনালের কাছে বিক্রি করে। পরবর্তীতে ব্যাপক সংস্কারের পর ২০২৩ সালে হোটেলটি পুনরায় চালু করা হয়। বর্তমানে এটি মালয়েশিয়ায় ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনালের প্রথম দ্বৈত-ব্র্যান্ডের সম্পত্তি হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
ম্যারিয়টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এখনো দুটি হোটেলের মালিক হিসেবে ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনালের নাম রয়েছে। যদিও মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত হোটেল দুটির বিরুদ্ধে কোনো জব্দাদেশ বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেয়নি।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ধারণা, বাংলাদেশ যদি বিদেশে থাকা সম্পদ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ জোরদার করে, তাহলে মালয়েশিয়ায় এস আলম-সংশ্লিষ্ট সম্পদও তদন্তের আওতায় আসতে পারে। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশে চলমান অর্থ পাচারবিরোধী অনুসন্ধান পরস্পরের সঙ্গে সমন্বিত হওয়ার কারণে এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে। আগামী ২১ ও ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজার, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একই সময়ে মালয়েশিয়ায় এস আলম-সংশ্লিষ্ট সম্পদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নজরদারিও বাড়ছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশে চলমান আইনি পদক্ষেপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এস আলমের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ফলে কুয়ালালামপুরের এই দুই হোটেল ভবিষ্যতে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের অভিযোগে মোহাম্মদ সাইফুল আলমের (এস আলম) বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় তদন্ত শুরু হয়েছে। সাইপ্রাসে সম্পত্তি জব্দ, সিঙ্গাপুরে সম্পদ অনুসন্ধান এবং বাংলাদেশে আদালতের রায়ের পর এবার আলোচনায় এসেছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অবস্থিত দুটি বিলাসবহুল হোটেল। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, এসব হোটেলের মালিকানা কাঠামো ও অর্থায়নের উৎস নিয়েও নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মে মাসের ব্যবধানে এস আলমকে ঘিরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। ১৯ মে সাইপ্রাসের একটি আদালত তাঁর ও তাঁর স্ত্রী ফারজানা পারভীনের মালিকানাধীন একটি আবাসিক সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেন। পরদিন বাংলাদেশের একটি আদালত ঋণখেলাপির মামলায় এস আলমসহ তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে কারাদণ্ড দেন। একই সময়ে সিঙ্গাপুরের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোও তাঁর দেশি-বিদেশি সম্পদ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে পাচার করা অর্থের মাধ্যমে এস আলম দেশের বাইরে বিস্তৃত ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু সিঙ্গাপুরেই তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এ অবস্থায় নজরে এসেছে কুয়ালালামপুরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রেনেসাঁ কুয়ালালামপুর হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার এবং ফোর পয়েন্টস বাই শেরাটন কুয়ালালামপুর সিটি সেন্টার। দুটি হোটেলের মালিক ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনাল এসডিএন বিএইচডি, যার সঙ্গে এস আলম গ্রুপের সংশ্লিষ্টতার তথ্য বিভিন্ন করপোরেট নথিতে পাওয়া গেছে।
করপোরেট রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১৬ সালে আইজিবি কর্প বিএইচডি রেনেসাঁ হোটেলটি ৭৬ কোটি ৫০ লাখ রিঙ্গিতে ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনালের কাছে বিক্রি করে। পরবর্তীতে ব্যাপক সংস্কারের পর ২০২৩ সালে হোটেলটি পুনরায় চালু করা হয়। বর্তমানে এটি মালয়েশিয়ায় ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনালের প্রথম দ্বৈত-ব্র্যান্ডের সম্পত্তি হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
ম্যারিয়টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এখনো দুটি হোটেলের মালিক হিসেবে ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনালের নাম রয়েছে। যদিও মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত হোটেল দুটির বিরুদ্ধে কোনো জব্দাদেশ বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেয়নি।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ধারণা, বাংলাদেশ যদি বিদেশে থাকা সম্পদ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ জোরদার করে, তাহলে মালয়েশিয়ায় এস আলম-সংশ্লিষ্ট সম্পদও তদন্তের আওতায় আসতে পারে। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশে চলমান অর্থ পাচারবিরোধী অনুসন্ধান পরস্পরের সঙ্গে সমন্বিত হওয়ার কারণে এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে। আগামী ২১ ও ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজার, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একই সময়ে মালয়েশিয়ায় এস আলম-সংশ্লিষ্ট সম্পদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নজরদারিও বাড়ছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশে চলমান আইনি পদক্ষেপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এস আলমের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ফলে কুয়ালালামপুরের এই দুই হোটেল ভবিষ্যতে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।

এস আলমের সম্পদের খোঁজে মালয়েশিয়ায় তদন্ত, নজরে বিলাসবহুল হোটেল
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের অভিযোগে মোহাম্মদ সাইফুল আলমের (এস আলম) বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় তদন্ত শুরু হয়েছে। সাইপ্রাসে সম্পত্তি জব্দ, সিঙ্গাপুরে সম্পদ অনুসন্ধান এবং বাংলাদেশে আদালতের রায়ের পর এবার আলোচনায় এসেছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অবস্থিত দুটি বিলাসবহুল হোটেল। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, এসব হোটেলের মালিকানা কাঠামো ও অর্থায়নের উৎস নিয়েও নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মে মাসের ব্যবধানে এস আলমকে ঘিরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। ১৯ মে সাইপ্রাসের একটি আদালত তাঁর ও তাঁর স্ত্রী ফারজানা পারভীনের মালিকানাধীন একটি আবাসিক সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেন। পরদিন বাংলাদেশের একটি আদালত ঋণখেলাপির মামলায় এস আলমসহ তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে কারাদণ্ড দেন। একই সময়ে সিঙ্গাপুরের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোও তাঁর দেশি-বিদেশি সম্পদ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে পাচার করা অর্থের মাধ্যমে এস আলম দেশের বাইরে বিস্তৃত ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু সিঙ্গাপুরেই তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এ অবস্থায় নজরে এসেছে কুয়ালালামপুরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রেনেসাঁ কুয়ালালামপুর হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার এবং ফোর পয়েন্টস বাই শেরাটন কুয়ালালামপুর সিটি সেন্টার। দুটি হোটেলের মালিক ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনাল এসডিএন বিএইচডি, যার সঙ্গে এস আলম গ্রুপের সংশ্লিষ্টতার তথ্য বিভিন্ন করপোরেট নথিতে পাওয়া গেছে।
করপোরেট রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১৬ সালে আইজিবি কর্প বিএইচডি রেনেসাঁ হোটেলটি ৭৬ কোটি ৫০ লাখ রিঙ্গিতে ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনালের কাছে বিক্রি করে। পরবর্তীতে ব্যাপক সংস্কারের পর ২০২৩ সালে হোটেলটি পুনরায় চালু করা হয়। বর্তমানে এটি মালয়েশিয়ায় ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনালের প্রথম দ্বৈত-ব্র্যান্ডের সম্পত্তি হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
ম্যারিয়টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এখনো দুটি হোটেলের মালিক হিসেবে ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনালের নাম রয়েছে। যদিও মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত হোটেল দুটির বিরুদ্ধে কোনো জব্দাদেশ বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেয়নি।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ধারণা, বাংলাদেশ যদি বিদেশে থাকা সম্পদ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ জোরদার করে, তাহলে মালয়েশিয়ায় এস আলম-সংশ্লিষ্ট সম্পদও তদন্তের আওতায় আসতে পারে। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশে চলমান অর্থ পাচারবিরোধী অনুসন্ধান পরস্পরের সঙ্গে সমন্বিত হওয়ার কারণে এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে। আগামী ২১ ও ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজার, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একই সময়ে মালয়েশিয়ায় এস আলম-সংশ্লিষ্ট সম্পদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নজরদারিও বাড়ছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশে চলমান আইনি পদক্ষেপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এস আলমের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ফলে কুয়ালালামপুরের এই দুই হোটেল ভবিষ্যতে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।




