লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ২ সাংবাদিকের ছবি প্রকাশ

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ২ সাংবাদিকের ছবি প্রকাশ
সিটিজেন ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন আপন ভাই-বোন। শনিবার (২৮ মার্চ) একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় তাদের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে দুজনের ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন হিজবুল্লাহ-ঘনিষ্ঠ আল মানার চ্যানেলের সাংবাদিক আলী শোয়াইব, ইরান-সমর্থিত আন্দোলনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত আল মায়াদিনের সাংবাদিক ফাতিমা তৌনি ও তার চিত্রগ্রাহক ভাই মোহাম্মদ তৌনি। আল মায়াদিন ও আল মানার তাদের সাংবাদিকদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
শোয়াইব ছিলেন আল মানারের যুদ্ধবিষয়ক অন্যতম সংবাদদাতা। কয়েক দশক ধরে তিনি লেবাননে ইসরায়েলি হামলার খবর পরিবেশন করছিলেন।
ইসরায়েল সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা শোয়াইবকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তিনি হিজবুল্লাহর রাদওয়ান বাহিনীর গোয়েন্দা ইউনিটের সদস্য।
এ ঘটনায় যুদ্ধের মধ্যেও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিক সুরক্ষা সংস্থা কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এই হামলার তদন্ত শুরু করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে সিপিজে বলেছে, সাংবাদিকরা যেই প্রতিষ্ঠানেরই হোক না কেন, তারা হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু নয়। এই যুদ্ধে এবং এর আগের কয়েক দশক ধরেই আমরা একটি উদ্বেগজনক ধারা দেখছি। সেটি হলো– ইসরায়েল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়াই যোদ্ধা বা সন্ত্রাসী হওয়ার অভিযোগ তোলে।

হামলার পর আল মায়াদিনের সাংবাদিক জামাল আল-ঘারাবি ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি পুড়ে যাওয়া গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, এটি বেসামরিক গাড়ি। এতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। তিনি ‘প্রেস’ লেখা একটি বুলেটপ্রুফ ভেস্ট দেখিয়ে বলেন, এই ভেস্ট আমার সহকর্মীদের রক্ষা করার কথা ছিল। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বারবার বলেন, এই ভেস্ট তাদের রক্ষা করার কথা ছিল!
আরেকটি ভেস্ট তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি ফাতিমা তৌনির ছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইসরায়েলের আগ্রাসনের সামনে এই ভেস্ট কী করতে পারে? সাংবাদিক ও বেসামরিকদের সুরক্ষার আন্তর্জাতিক আইন কোথায়?
এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে এক হামলায় ফাতিমা তৌনি প্রাণে বেঁচে যান। সে সময় দক্ষিণ লেবাননে সাংবাদিকদের একটি কমপ্লেক্সে হামলায় দুই সাংবাদিক ও এক গণমাধ্যমকর্মী নিহত হন বলে জানিয়েছিল সিপিজে।
সেসময় এক ভিডিওতে ফাতিমা ধ্বংস হওয়া গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তার হেলমেট, ভেস্ট ও মাইক্রোফোন দেখিয়ে বলেছিলেন, ‘এটাই আমার সরঞ্জাম, এটাই আমাদের অস্ত্র।’
সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন আপন ভাই-বোন। শনিবার (২৮ মার্চ) একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় তাদের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে দুজনের ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন হিজবুল্লাহ-ঘনিষ্ঠ আল মানার চ্যানেলের সাংবাদিক আলী শোয়াইব, ইরান-সমর্থিত আন্দোলনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত আল মায়াদিনের সাংবাদিক ফাতিমা তৌনি ও তার চিত্রগ্রাহক ভাই মোহাম্মদ তৌনি। আল মায়াদিন ও আল মানার তাদের সাংবাদিকদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
শোয়াইব ছিলেন আল মানারের যুদ্ধবিষয়ক অন্যতম সংবাদদাতা। কয়েক দশক ধরে তিনি লেবাননে ইসরায়েলি হামলার খবর পরিবেশন করছিলেন।
ইসরায়েল সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা শোয়াইবকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তিনি হিজবুল্লাহর রাদওয়ান বাহিনীর গোয়েন্দা ইউনিটের সদস্য।
এ ঘটনায় যুদ্ধের মধ্যেও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিক সুরক্ষা সংস্থা কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এই হামলার তদন্ত শুরু করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে সিপিজে বলেছে, সাংবাদিকরা যেই প্রতিষ্ঠানেরই হোক না কেন, তারা হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু নয়। এই যুদ্ধে এবং এর আগের কয়েক দশক ধরেই আমরা একটি উদ্বেগজনক ধারা দেখছি। সেটি হলো– ইসরায়েল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়াই যোদ্ধা বা সন্ত্রাসী হওয়ার অভিযোগ তোলে।

হামলার পর আল মায়াদিনের সাংবাদিক জামাল আল-ঘারাবি ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি পুড়ে যাওয়া গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, এটি বেসামরিক গাড়ি। এতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। তিনি ‘প্রেস’ লেখা একটি বুলেটপ্রুফ ভেস্ট দেখিয়ে বলেন, এই ভেস্ট আমার সহকর্মীদের রক্ষা করার কথা ছিল। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বারবার বলেন, এই ভেস্ট তাদের রক্ষা করার কথা ছিল!
আরেকটি ভেস্ট তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি ফাতিমা তৌনির ছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইসরায়েলের আগ্রাসনের সামনে এই ভেস্ট কী করতে পারে? সাংবাদিক ও বেসামরিকদের সুরক্ষার আন্তর্জাতিক আইন কোথায়?
এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে এক হামলায় ফাতিমা তৌনি প্রাণে বেঁচে যান। সে সময় দক্ষিণ লেবাননে সাংবাদিকদের একটি কমপ্লেক্সে হামলায় দুই সাংবাদিক ও এক গণমাধ্যমকর্মী নিহত হন বলে জানিয়েছিল সিপিজে।
সেসময় এক ভিডিওতে ফাতিমা ধ্বংস হওয়া গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তার হেলমেট, ভেস্ট ও মাইক্রোফোন দেখিয়ে বলেছিলেন, ‘এটাই আমার সরঞ্জাম, এটাই আমাদের অস্ত্র।’
সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ২ সাংবাদিকের ছবি প্রকাশ
সিটিজেন ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন আপন ভাই-বোন। শনিবার (২৮ মার্চ) একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় তাদের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে দুজনের ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন হিজবুল্লাহ-ঘনিষ্ঠ আল মানার চ্যানেলের সাংবাদিক আলী শোয়াইব, ইরান-সমর্থিত আন্দোলনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত আল মায়াদিনের সাংবাদিক ফাতিমা তৌনি ও তার চিত্রগ্রাহক ভাই মোহাম্মদ তৌনি। আল মায়াদিন ও আল মানার তাদের সাংবাদিকদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
শোয়াইব ছিলেন আল মানারের যুদ্ধবিষয়ক অন্যতম সংবাদদাতা। কয়েক দশক ধরে তিনি লেবাননে ইসরায়েলি হামলার খবর পরিবেশন করছিলেন।
ইসরায়েল সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা শোয়াইবকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তিনি হিজবুল্লাহর রাদওয়ান বাহিনীর গোয়েন্দা ইউনিটের সদস্য।
এ ঘটনায় যুদ্ধের মধ্যেও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিক সুরক্ষা সংস্থা কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এই হামলার তদন্ত শুরু করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে সিপিজে বলেছে, সাংবাদিকরা যেই প্রতিষ্ঠানেরই হোক না কেন, তারা হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু নয়। এই যুদ্ধে এবং এর আগের কয়েক দশক ধরেই আমরা একটি উদ্বেগজনক ধারা দেখছি। সেটি হলো– ইসরায়েল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়াই যোদ্ধা বা সন্ত্রাসী হওয়ার অভিযোগ তোলে।

হামলার পর আল মায়াদিনের সাংবাদিক জামাল আল-ঘারাবি ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি পুড়ে যাওয়া গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, এটি বেসামরিক গাড়ি। এতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। তিনি ‘প্রেস’ লেখা একটি বুলেটপ্রুফ ভেস্ট দেখিয়ে বলেন, এই ভেস্ট আমার সহকর্মীদের রক্ষা করার কথা ছিল। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বারবার বলেন, এই ভেস্ট তাদের রক্ষা করার কথা ছিল!
আরেকটি ভেস্ট তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি ফাতিমা তৌনির ছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইসরায়েলের আগ্রাসনের সামনে এই ভেস্ট কী করতে পারে? সাংবাদিক ও বেসামরিকদের সুরক্ষার আন্তর্জাতিক আইন কোথায়?
এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে এক হামলায় ফাতিমা তৌনি প্রাণে বেঁচে যান। সে সময় দক্ষিণ লেবাননে সাংবাদিকদের একটি কমপ্লেক্সে হামলায় দুই সাংবাদিক ও এক গণমাধ্যমকর্মী নিহত হন বলে জানিয়েছিল সিপিজে।
সেসময় এক ভিডিওতে ফাতিমা ধ্বংস হওয়া গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তার হেলমেট, ভেস্ট ও মাইক্রোফোন দেখিয়ে বলেছিলেন, ‘এটাই আমার সরঞ্জাম, এটাই আমাদের অস্ত্র।’
সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন




