‘ভুয়া’ মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন ইরানের, বিভ্রান্ত মার্কিন বাহিনী

‘ভুয়া’ মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন ইরানের, বিভ্রান্ত মার্কিন বাহিনী
সিটিজেন ডেস্ক

শত্রুপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে ইরান পুরোনো সামরিক কৌশল ব্যবহার করছে বলে জানা গেছে। দেশটি ভুয়া বা ‘ফেক’ মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
এই কৌশলের ফলে হামলা চালিয়ে ঠিক কতগুলো বাস্তব লঞ্চার ধ্বংস করা হয়েছে, তা নির্ধারণ করতে পারছে না মার্কিন বাহিনী।
শনিবার (৪ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানের মিসাইল ভাণ্ডারে হামলা চালায়, তখন অনেক মিসাইল বাঙ্কারের ভেতরে আটকা পড়ে যায়। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেগুলো উদ্ধার করে আবারও ব্যবহার উপযোগী করে তুলছে ইরান।
মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরানের হাতে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মিসাইল ও মোবাইল লঞ্চার রয়েছে। তারা বলছে, ইরানের এখনো পুরো অঞ্চলে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর সক্ষমতা তাদের রয়েছে। ফলে ইরানের মিসাইল সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার যে লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারণ করেছে, তা আদৌ অর্জন সম্ভব হবে কিনা সে বিষয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তাদের লক্ষ্য হলো ইরানের মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া যেখান থেকে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

শত্রুপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে ইরান পুরোনো সামরিক কৌশল ব্যবহার করছে বলে জানা গেছে। দেশটি ভুয়া বা ‘ফেক’ মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
এই কৌশলের ফলে হামলা চালিয়ে ঠিক কতগুলো বাস্তব লঞ্চার ধ্বংস করা হয়েছে, তা নির্ধারণ করতে পারছে না মার্কিন বাহিনী।
শনিবার (৪ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানের মিসাইল ভাণ্ডারে হামলা চালায়, তখন অনেক মিসাইল বাঙ্কারের ভেতরে আটকা পড়ে যায়। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেগুলো উদ্ধার করে আবারও ব্যবহার উপযোগী করে তুলছে ইরান।
মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরানের হাতে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মিসাইল ও মোবাইল লঞ্চার রয়েছে। তারা বলছে, ইরানের এখনো পুরো অঞ্চলে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর সক্ষমতা তাদের রয়েছে। ফলে ইরানের মিসাইল সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার যে লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারণ করেছে, তা আদৌ অর্জন সম্ভব হবে কিনা সে বিষয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তাদের লক্ষ্য হলো ইরানের মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া যেখান থেকে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

‘ভুয়া’ মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন ইরানের, বিভ্রান্ত মার্কিন বাহিনী
সিটিজেন ডেস্ক

শত্রুপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে ইরান পুরোনো সামরিক কৌশল ব্যবহার করছে বলে জানা গেছে। দেশটি ভুয়া বা ‘ফেক’ মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
এই কৌশলের ফলে হামলা চালিয়ে ঠিক কতগুলো বাস্তব লঞ্চার ধ্বংস করা হয়েছে, তা নির্ধারণ করতে পারছে না মার্কিন বাহিনী।
শনিবার (৪ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানের মিসাইল ভাণ্ডারে হামলা চালায়, তখন অনেক মিসাইল বাঙ্কারের ভেতরে আটকা পড়ে যায়। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেগুলো উদ্ধার করে আবারও ব্যবহার উপযোগী করে তুলছে ইরান।
মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরানের হাতে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মিসাইল ও মোবাইল লঞ্চার রয়েছে। তারা বলছে, ইরানের এখনো পুরো অঞ্চলে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর সক্ষমতা তাদের রয়েছে। ফলে ইরানের মিসাইল সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার যে লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারণ করেছে, তা আদৌ অর্জন সম্ভব হবে কিনা সে বিষয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তাদের লক্ষ্য হলো ইরানের মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া যেখান থেকে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস




