ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ‘হামলা’ হলে কী হতে পারে

ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ‘হামলা’ হলে কী হতে পারে
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা নিশ্চিত হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দিতে পারে।
এখনও পর্যন্ত হুথি বিদ্রোহীরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে তারা আগেই সতর্ক করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা বাড়লে কিংবা লোহিত সাগর ব্যবহার করে তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালানো হলে তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
যদি এই হামলা সত্যিই হুথিদের হয়ে থাকে, তাহলে এর সম্ভাব্য প্রভাবগুলো হতে পারে–
আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি বৃদ্ধি: ইয়েমেনের হুথিরা সরাসরি যুক্ত হলে ইরানপন্থী শক্তির পরিসর আরও বিস্তৃত হবে।
দূরপাল্লার হামলার সক্ষমতা: হুথিরা আগে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। ফলে ইসরায়েলসহ আরও দূরের লক্ষ্যবস্তু ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বাণিজ্যপথে বিঘ্ন: আরব উপদ্বীপ ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে হামলার আশঙ্কা বাড়বে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
সংঘাতের নতুন ফ্রন্ট: এখন পর্যন্ত লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মতো হুথিরা সরাসরি যুদ্ধে যোগ দেয়নি। তবে এই হামলা সেই অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হুথিরা ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও তারা পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে নয়। তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক স্বার্থও রয়েছে। তাই তাদের সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা নিশ্চিত হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দিতে পারে।
এখনও পর্যন্ত হুথি বিদ্রোহীরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে তারা আগেই সতর্ক করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা বাড়লে কিংবা লোহিত সাগর ব্যবহার করে তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালানো হলে তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
যদি এই হামলা সত্যিই হুথিদের হয়ে থাকে, তাহলে এর সম্ভাব্য প্রভাবগুলো হতে পারে–
আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি বৃদ্ধি: ইয়েমেনের হুথিরা সরাসরি যুক্ত হলে ইরানপন্থী শক্তির পরিসর আরও বিস্তৃত হবে।
দূরপাল্লার হামলার সক্ষমতা: হুথিরা আগে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। ফলে ইসরায়েলসহ আরও দূরের লক্ষ্যবস্তু ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বাণিজ্যপথে বিঘ্ন: আরব উপদ্বীপ ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে হামলার আশঙ্কা বাড়বে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
সংঘাতের নতুন ফ্রন্ট: এখন পর্যন্ত লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মতো হুথিরা সরাসরি যুদ্ধে যোগ দেয়নি। তবে এই হামলা সেই অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হুথিরা ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও তারা পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে নয়। তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক স্বার্থও রয়েছে। তাই তাদের সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ‘হামলা’ হলে কী হতে পারে
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা নিশ্চিত হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দিতে পারে।
এখনও পর্যন্ত হুথি বিদ্রোহীরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে তারা আগেই সতর্ক করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা বাড়লে কিংবা লোহিত সাগর ব্যবহার করে তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালানো হলে তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
যদি এই হামলা সত্যিই হুথিদের হয়ে থাকে, তাহলে এর সম্ভাব্য প্রভাবগুলো হতে পারে–
আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি বৃদ্ধি: ইয়েমেনের হুথিরা সরাসরি যুক্ত হলে ইরানপন্থী শক্তির পরিসর আরও বিস্তৃত হবে।
দূরপাল্লার হামলার সক্ষমতা: হুথিরা আগে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। ফলে ইসরায়েলসহ আরও দূরের লক্ষ্যবস্তু ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বাণিজ্যপথে বিঘ্ন: আরব উপদ্বীপ ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে হামলার আশঙ্কা বাড়বে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
সংঘাতের নতুন ফ্রন্ট: এখন পর্যন্ত লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মতো হুথিরা সরাসরি যুদ্ধে যোগ দেয়নি। তবে এই হামলা সেই অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হুথিরা ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও তারা পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে নয়। তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক স্বার্থও রয়েছে। তাই তাদের সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা




