সংসদে এসআরবি বিল পাস

সংসদে এসআরবি বিল পাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে জাতীয় সংসদে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
বিলটি উত্থাপনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিলটি মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য নেওয়ার আগে কর্মপদ্ধতি অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছিল। সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর চার থেকে পাঁচ কার্যদিবস ধরে স্থায়ী কমিটিতে এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংসদে প্রশ্নও ওঠে। বিশেষ করে র্যাব থেকে এসআরবিতে সদস্যদের স্থানান্তরের সময় রেকর্ড কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে? তা সংসদে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। হস্তান্তরের বিষয়টি মূলত একটি পদ্ধতিগত বিষয়। এ নিয়ে বিলের আলোচনায় প্রশ্ন উত্থাপনের সুযোগ নেই। প্রস্তাবিত আইনের ২৪ ধারায় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই কমিটির মাধ্যমে ইউনিটের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে বাইরের কোনো ব্যক্তির উত্থাপিত অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, এসআরবির কোনো সদস্য অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি ২১ ধারাতেই স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৭ ধারায় বর্ণিত শৃঙ্খলাজনিত অপরাধ ছাড়া ইউনিটের কোনো সদস্য অন্য কোনো শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। বাহিনীর সদস্য কর্তব্যরত অবস্থায় মাতাল বা নেশাগ্রস্ত থাকা, কোনো কর্তব্যরত সদস্যকে আঘাত করা, টহল দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকা, অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা কিংবা আইনসংগত কোনো দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানানোর মতো বিষয়গুলো বিভাগীয় শৃঙ্খলাজনিত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব ক্ষেত্রে আইনে নির্ধারিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রস্তাবিত আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানার হেফাজতে দেওয়ার এবং জব্দ করা আলামত হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছে। ফলে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি) ও সাক্ষ্য আইন অনুসরণের বিষয়টি মূল আইনের মাধ্যমেই কার্যকর থাকবে।
তিনি বলেন, এ আইন পাস হলে নতুন একটি সংস্থা হিসেবে এসআরবি প্রতিষ্ঠিত হবে। এর সঙ্গে র্যাবের সাংগঠনিক কোনো সম্পর্ক থাকবে না। তবে বিদ্যমান বাহিনীর অস্ত্র, সরঞ্জাম, গোয়েন্দা সরঞ্জাম ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সম্পদের কী হবে? এসব সম্পদ রাষ্ট্রের এবং নতুন সংস্থা গঠনের পর সেগুলো নিলামে বিক্রি না করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা যেতে পারে। এতে নতুন করে বিপুল অর্থ ব্যয় করে অস্ত্র ও সরঞ্জাম কেনার প্রয়োজন হবে না। রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয়ও কমানো সম্ভব হবে।

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে জাতীয় সংসদে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
বিলটি উত্থাপনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিলটি মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য নেওয়ার আগে কর্মপদ্ধতি অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছিল। সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর চার থেকে পাঁচ কার্যদিবস ধরে স্থায়ী কমিটিতে এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংসদে প্রশ্নও ওঠে। বিশেষ করে র্যাব থেকে এসআরবিতে সদস্যদের স্থানান্তরের সময় রেকর্ড কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে? তা সংসদে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। হস্তান্তরের বিষয়টি মূলত একটি পদ্ধতিগত বিষয়। এ নিয়ে বিলের আলোচনায় প্রশ্ন উত্থাপনের সুযোগ নেই। প্রস্তাবিত আইনের ২৪ ধারায় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই কমিটির মাধ্যমে ইউনিটের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে বাইরের কোনো ব্যক্তির উত্থাপিত অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, এসআরবির কোনো সদস্য অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি ২১ ধারাতেই স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৭ ধারায় বর্ণিত শৃঙ্খলাজনিত অপরাধ ছাড়া ইউনিটের কোনো সদস্য অন্য কোনো শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। বাহিনীর সদস্য কর্তব্যরত অবস্থায় মাতাল বা নেশাগ্রস্ত থাকা, কোনো কর্তব্যরত সদস্যকে আঘাত করা, টহল দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকা, অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা কিংবা আইনসংগত কোনো দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানানোর মতো বিষয়গুলো বিভাগীয় শৃঙ্খলাজনিত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব ক্ষেত্রে আইনে নির্ধারিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রস্তাবিত আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানার হেফাজতে দেওয়ার এবং জব্দ করা আলামত হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছে। ফলে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি) ও সাক্ষ্য আইন অনুসরণের বিষয়টি মূল আইনের মাধ্যমেই কার্যকর থাকবে।
তিনি বলেন, এ আইন পাস হলে নতুন একটি সংস্থা হিসেবে এসআরবি প্রতিষ্ঠিত হবে। এর সঙ্গে র্যাবের সাংগঠনিক কোনো সম্পর্ক থাকবে না। তবে বিদ্যমান বাহিনীর অস্ত্র, সরঞ্জাম, গোয়েন্দা সরঞ্জাম ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সম্পদের কী হবে? এসব সম্পদ রাষ্ট্রের এবং নতুন সংস্থা গঠনের পর সেগুলো নিলামে বিক্রি না করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা যেতে পারে। এতে নতুন করে বিপুল অর্থ ব্যয় করে অস্ত্র ও সরঞ্জাম কেনার প্রয়োজন হবে না। রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয়ও কমানো সম্ভব হবে।

সংসদে এসআরবি বিল পাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে জাতীয় সংসদে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
বিলটি উত্থাপনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিলটি মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য নেওয়ার আগে কর্মপদ্ধতি অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছিল। সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর চার থেকে পাঁচ কার্যদিবস ধরে স্থায়ী কমিটিতে এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংসদে প্রশ্নও ওঠে। বিশেষ করে র্যাব থেকে এসআরবিতে সদস্যদের স্থানান্তরের সময় রেকর্ড কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে? তা সংসদে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। হস্তান্তরের বিষয়টি মূলত একটি পদ্ধতিগত বিষয়। এ নিয়ে বিলের আলোচনায় প্রশ্ন উত্থাপনের সুযোগ নেই। প্রস্তাবিত আইনের ২৪ ধারায় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই কমিটির মাধ্যমে ইউনিটের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে বাইরের কোনো ব্যক্তির উত্থাপিত অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, এসআরবির কোনো সদস্য অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি ২১ ধারাতেই স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৭ ধারায় বর্ণিত শৃঙ্খলাজনিত অপরাধ ছাড়া ইউনিটের কোনো সদস্য অন্য কোনো শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। বাহিনীর সদস্য কর্তব্যরত অবস্থায় মাতাল বা নেশাগ্রস্ত থাকা, কোনো কর্তব্যরত সদস্যকে আঘাত করা, টহল দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকা, অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা কিংবা আইনসংগত কোনো দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানানোর মতো বিষয়গুলো বিভাগীয় শৃঙ্খলাজনিত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব ক্ষেত্রে আইনে নির্ধারিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রস্তাবিত আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানার হেফাজতে দেওয়ার এবং জব্দ করা আলামত হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছে। ফলে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি) ও সাক্ষ্য আইন অনুসরণের বিষয়টি মূল আইনের মাধ্যমেই কার্যকর থাকবে।
তিনি বলেন, এ আইন পাস হলে নতুন একটি সংস্থা হিসেবে এসআরবি প্রতিষ্ঠিত হবে। এর সঙ্গে র্যাবের সাংগঠনিক কোনো সম্পর্ক থাকবে না। তবে বিদ্যমান বাহিনীর অস্ত্র, সরঞ্জাম, গোয়েন্দা সরঞ্জাম ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সম্পদের কী হবে? এসব সম্পদ রাষ্ট্রের এবং নতুন সংস্থা গঠনের পর সেগুলো নিলামে বিক্রি না করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা যেতে পারে। এতে নতুন করে বিপুল অর্থ ব্যয় করে অস্ত্র ও সরঞ্জাম কেনার প্রয়োজন হবে না। রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয়ও কমানো সম্ভব হবে।

সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন বিল পাস






