মার্কিন-সৌদি পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর, ইসরায়েলের উদ্বেগ

মার্কিন-সৌদি পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর, ইসরায়েলের উদ্বেগ
সিজেডএন ডেস্ক

সৌদি আরবে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির আওতায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ দিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘১২৩ চুক্তি’ নামে পরিচিত এই পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক সুরক্ষা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং সৌদি জ্বালানি মন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান আনুষ্ঠানিকভাবে এতে সই করেন।
মার্কিন প্রশাসন চুক্তির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যৌথ গবেষণার পর এ কাঠামোর আওতায় সৌদি আরবে একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পথ সুগম হবে। মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, এই সমঝোতা দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং নিরাপত্তার পাশাপাশি পারমাণবিক নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখবে। এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্রের ঝুঁকি বাড়ায় এমন কোনো চুক্তি করবে না।
চুক্তিটি ৩০ বছর মেয়াদী হতে যাচ্ছে এবং এতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি যুক্ত থাকবে। তবে এতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ‘অতিরিক্ত প্রোটোকল’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর ফলে আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ও তদারকির সুযোগ অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে। চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা হবে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ আশঙ্কা করা হচ্ছে সৌদি আরব পরবর্তীতে একে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করতে পারে। তবে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত আইনসভায় এটি আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে সৌদি পক্ষ জানিয়েছে, এটি তাদের জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করতে এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
এমন এক সময়ে এই ঘোষণাটি এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক সক্ষমতা নির্মূলের লক্ষ্যে সামরিক সংঘাত শুরু করেছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সৌদি আরবের সঙ্গে পারমানবিক চুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্ত দিয়েছিল। কিন্তু গাজা যুদ্ধের কারণে সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণ পিছিয়ে পড়ায়, ট্রাম্প প্রশাসন এবার কোনো প্রকার শর্ত ছাড়াই সৌদি আরবকে এই সুযোগ দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
অস্ত্র বিস্তার রোধ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দেশের অভ্যন্তরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ ভবিষ্যতে সৌদি আরবকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে কূটনৈতিক হিসাব-নিকাশের পাশাপাশি এতে বড় ধরনের আর্থিক বাণিজ্যিক স্বার্থ জড়িয়ে আছে। মার্কিন প্রতিনিধি ব্র্যাড শেরম্যানের মতে, এ চুক্তির ফলে আমেরিকার পারমাণবিক শক্তিধর সংস্থা 'ওয়েস্টিংহাউস' বিপুল আর্থিক লাভ করবে, কারণ তারা সৌদি আরবে তৈরি হতে যাওয়া লাইট-ওয়াটার রিঅ্যাক্টরগুলোর নকশা ও নির্মাণের মূল দায়িত্বে থাকবে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

সৌদি আরবে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির আওতায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ দিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘১২৩ চুক্তি’ নামে পরিচিত এই পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক সুরক্ষা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং সৌদি জ্বালানি মন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান আনুষ্ঠানিকভাবে এতে সই করেন।
মার্কিন প্রশাসন চুক্তির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যৌথ গবেষণার পর এ কাঠামোর আওতায় সৌদি আরবে একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পথ সুগম হবে। মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, এই সমঝোতা দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং নিরাপত্তার পাশাপাশি পারমাণবিক নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখবে। এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্রের ঝুঁকি বাড়ায় এমন কোনো চুক্তি করবে না।
চুক্তিটি ৩০ বছর মেয়াদী হতে যাচ্ছে এবং এতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি যুক্ত থাকবে। তবে এতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ‘অতিরিক্ত প্রোটোকল’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর ফলে আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ও তদারকির সুযোগ অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে। চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা হবে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ আশঙ্কা করা হচ্ছে সৌদি আরব পরবর্তীতে একে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করতে পারে। তবে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত আইনসভায় এটি আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে সৌদি পক্ষ জানিয়েছে, এটি তাদের জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করতে এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
এমন এক সময়ে এই ঘোষণাটি এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক সক্ষমতা নির্মূলের লক্ষ্যে সামরিক সংঘাত শুরু করেছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সৌদি আরবের সঙ্গে পারমানবিক চুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্ত দিয়েছিল। কিন্তু গাজা যুদ্ধের কারণে সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণ পিছিয়ে পড়ায়, ট্রাম্প প্রশাসন এবার কোনো প্রকার শর্ত ছাড়াই সৌদি আরবকে এই সুযোগ দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
অস্ত্র বিস্তার রোধ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দেশের অভ্যন্তরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ ভবিষ্যতে সৌদি আরবকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে কূটনৈতিক হিসাব-নিকাশের পাশাপাশি এতে বড় ধরনের আর্থিক বাণিজ্যিক স্বার্থ জড়িয়ে আছে। মার্কিন প্রতিনিধি ব্র্যাড শেরম্যানের মতে, এ চুক্তির ফলে আমেরিকার পারমাণবিক শক্তিধর সংস্থা 'ওয়েস্টিংহাউস' বিপুল আর্থিক লাভ করবে, কারণ তারা সৌদি আরবে তৈরি হতে যাওয়া লাইট-ওয়াটার রিঅ্যাক্টরগুলোর নকশা ও নির্মাণের মূল দায়িত্বে থাকবে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

মার্কিন-সৌদি পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর, ইসরায়েলের উদ্বেগ
সিজেডএন ডেস্ক

সৌদি আরবে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির আওতায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ দিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘১২৩ চুক্তি’ নামে পরিচিত এই পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক সুরক্ষা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং সৌদি জ্বালানি মন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান আনুষ্ঠানিকভাবে এতে সই করেন।
মার্কিন প্রশাসন চুক্তির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যৌথ গবেষণার পর এ কাঠামোর আওতায় সৌদি আরবে একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পথ সুগম হবে। মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, এই সমঝোতা দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং নিরাপত্তার পাশাপাশি পারমাণবিক নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখবে। এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্রের ঝুঁকি বাড়ায় এমন কোনো চুক্তি করবে না।
চুক্তিটি ৩০ বছর মেয়াদী হতে যাচ্ছে এবং এতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি যুক্ত থাকবে। তবে এতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ‘অতিরিক্ত প্রোটোকল’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর ফলে আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ও তদারকির সুযোগ অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে। চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা হবে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ আশঙ্কা করা হচ্ছে সৌদি আরব পরবর্তীতে একে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করতে পারে। তবে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত আইনসভায় এটি আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে সৌদি পক্ষ জানিয়েছে, এটি তাদের জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করতে এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
এমন এক সময়ে এই ঘোষণাটি এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক সক্ষমতা নির্মূলের লক্ষ্যে সামরিক সংঘাত শুরু করেছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সৌদি আরবের সঙ্গে পারমানবিক চুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্ত দিয়েছিল। কিন্তু গাজা যুদ্ধের কারণে সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণ পিছিয়ে পড়ায়, ট্রাম্প প্রশাসন এবার কোনো প্রকার শর্ত ছাড়াই সৌদি আরবকে এই সুযোগ দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
অস্ত্র বিস্তার রোধ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দেশের অভ্যন্তরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ ভবিষ্যতে সৌদি আরবকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে কূটনৈতিক হিসাব-নিকাশের পাশাপাশি এতে বড় ধরনের আর্থিক বাণিজ্যিক স্বার্থ জড়িয়ে আছে। মার্কিন প্রতিনিধি ব্র্যাড শেরম্যানের মতে, এ চুক্তির ফলে আমেরিকার পারমাণবিক শক্তিধর সংস্থা 'ওয়েস্টিংহাউস' বিপুল আর্থিক লাভ করবে, কারণ তারা সৌদি আরবে তৈরি হতে যাওয়া লাইট-ওয়াটার রিঅ্যাক্টরগুলোর নকশা ও নির্মাণের মূল দায়িত্বে থাকবে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

হরমুজে হামলা হলে ইরানের সেতু-বিদ্যুৎকেন্দ্র উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
মধ্যস্থতার পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলার চাইল পাকিস্তান






