সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে না পাঠানোর নির্দেশ মোজতবা খামেনির

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে না পাঠানোর নির্দেশ মোজতবা খামেনির
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান শান্তি আলোচনার মাঝেই পারমাণবিক ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দেশের মজুতকৃত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে না পাঠাতে নির্দেশনা দিয়েছেন। ইরানি শীর্ষ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সর্বোচ্চ নেতার এ অনমনীয় সিদ্ধান্ত চলমান যুদ্ধ অবসানের আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্প ইতোপূর্বে ইসরায়েলকে আশ্বস্ত করেছিলেন যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান শর্ত হবে ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ, তেহরানের প্রক্সি মিলিশিয়াদের সমর্থন বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তারা যুদ্ধ সমাপ্তির কথা বিবেচনা করবেন না। তবে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, পারমাণবিক উপাদান বাইরে পাঠিয়ে দিলে দেশ মার্কিন ও ইসরায়েলি ভবিষ্যৎ হামলার মুখে চরম অরক্ষিত হয়ে পড়বে।
বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও শান্তি প্রচেষ্টায় বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। একদিকে ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ, অন্যদিকে জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণ আলোচনাকে স্থবির করে রেখেছে। এর মাঝেই ইরানের প্রধান শান্তি আলোচক মোহাম্মদ-বাঘের গালিবাফ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ওয়াশিংটন হয়তো সাময়িক যুদ্ধবিরতির আড়ালে পুনরায় বড় ধরনের বিমান হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও চুক্তি না হলে পুনরায় হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন।
অবশ্য অচলাবস্থা কাটানোর জন্য ইরান একটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে। ইরানি সূত্রের মতে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সরাসরি তত্ত্বাবধানে ইউরেনিয়ামের ঘনত্ব কমিয়ে তা পাতলা (dilute) করা যেতে পারে। আইএইএ-র হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর ইরানের ইসফাহান ও নাতাঞ্জ ভূগর্ভস্থ কেন্দ্রে বর্তমানে ২০০ কেজির কিছু বেশি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অবশিষ্ট রয়েছে। তেহরানের দাবি, এ উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কেবল চিকিৎসা খাত এবং তাদের গবেষণা চুল্লির বেসামরিক প্রয়োজনেই মজুত রাখা হয়েছে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান শান্তি আলোচনার মাঝেই পারমাণবিক ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দেশের মজুতকৃত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে না পাঠাতে নির্দেশনা দিয়েছেন। ইরানি শীর্ষ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সর্বোচ্চ নেতার এ অনমনীয় সিদ্ধান্ত চলমান যুদ্ধ অবসানের আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্প ইতোপূর্বে ইসরায়েলকে আশ্বস্ত করেছিলেন যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান শর্ত হবে ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ, তেহরানের প্রক্সি মিলিশিয়াদের সমর্থন বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তারা যুদ্ধ সমাপ্তির কথা বিবেচনা করবেন না। তবে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, পারমাণবিক উপাদান বাইরে পাঠিয়ে দিলে দেশ মার্কিন ও ইসরায়েলি ভবিষ্যৎ হামলার মুখে চরম অরক্ষিত হয়ে পড়বে।
বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও শান্তি প্রচেষ্টায় বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। একদিকে ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ, অন্যদিকে জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণ আলোচনাকে স্থবির করে রেখেছে। এর মাঝেই ইরানের প্রধান শান্তি আলোচক মোহাম্মদ-বাঘের গালিবাফ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ওয়াশিংটন হয়তো সাময়িক যুদ্ধবিরতির আড়ালে পুনরায় বড় ধরনের বিমান হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও চুক্তি না হলে পুনরায় হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন।
অবশ্য অচলাবস্থা কাটানোর জন্য ইরান একটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে। ইরানি সূত্রের মতে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সরাসরি তত্ত্বাবধানে ইউরেনিয়ামের ঘনত্ব কমিয়ে তা পাতলা (dilute) করা যেতে পারে। আইএইএ-র হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর ইরানের ইসফাহান ও নাতাঞ্জ ভূগর্ভস্থ কেন্দ্রে বর্তমানে ২০০ কেজির কিছু বেশি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অবশিষ্ট রয়েছে। তেহরানের দাবি, এ উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কেবল চিকিৎসা খাত এবং তাদের গবেষণা চুল্লির বেসামরিক প্রয়োজনেই মজুত রাখা হয়েছে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে না পাঠানোর নির্দেশ মোজতবা খামেনির
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান শান্তি আলোচনার মাঝেই পারমাণবিক ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দেশের মজুতকৃত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে না পাঠাতে নির্দেশনা দিয়েছেন। ইরানি শীর্ষ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সর্বোচ্চ নেতার এ অনমনীয় সিদ্ধান্ত চলমান যুদ্ধ অবসানের আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্প ইতোপূর্বে ইসরায়েলকে আশ্বস্ত করেছিলেন যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান শর্ত হবে ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ, তেহরানের প্রক্সি মিলিশিয়াদের সমর্থন বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তারা যুদ্ধ সমাপ্তির কথা বিবেচনা করবেন না। তবে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, পারমাণবিক উপাদান বাইরে পাঠিয়ে দিলে দেশ মার্কিন ও ইসরায়েলি ভবিষ্যৎ হামলার মুখে চরম অরক্ষিত হয়ে পড়বে।
বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও শান্তি প্রচেষ্টায় বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। একদিকে ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ, অন্যদিকে জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণ আলোচনাকে স্থবির করে রেখেছে। এর মাঝেই ইরানের প্রধান শান্তি আলোচক মোহাম্মদ-বাঘের গালিবাফ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ওয়াশিংটন হয়তো সাময়িক যুদ্ধবিরতির আড়ালে পুনরায় বড় ধরনের বিমান হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও চুক্তি না হলে পুনরায় হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন।
অবশ্য অচলাবস্থা কাটানোর জন্য ইরান একটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে। ইরানি সূত্রের মতে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সরাসরি তত্ত্বাবধানে ইউরেনিয়ামের ঘনত্ব কমিয়ে তা পাতলা (dilute) করা যেতে পারে। আইএইএ-র হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর ইরানের ইসফাহান ও নাতাঞ্জ ভূগর্ভস্থ কেন্দ্রে বর্তমানে ২০০ কেজির কিছু বেশি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অবশিষ্ট রয়েছে। তেহরানের দাবি, এ উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কেবল চিকিৎসা খাত এবং তাদের গবেষণা চুল্লির বেসামরিক প্রয়োজনেই মজুত রাখা হয়েছে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত গতিতে সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান

