ফরাসি পারমাণবিক বোমারু বিমান মোতায়েন নিয়ে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

ফরাসি পারমাণবিক বোমারু বিমান মোতায়েন নিয়ে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
সিটিজেন ডেস্ক

ইউরোপে ফ্রান্সের পারমাণবিক সক্ষম বোমারু বিমান মোতায়েন করার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে মস্কো ও প্যারিসের মধ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ গত মার্চে দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণ ও প্রয়োজনে ইউরোপীয় মিত্রদের ভূখণ্ডে এ সমরযান মোতায়েনের প্রস্তাব দেওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে।
বিশেষ করে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সমালোচনা ও মার্কিন নিরাপত্তা বলয় নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে মাখোঁ ব্রিটেন, জার্মানি, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, গ্রিস, সুইডেন ও ডেনমার্কের সঙ্গে এ বিষয়ে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এ উদ্যোগকে ন্যাটোর পারমাণবিক শক্তির ‘অনিয়ন্ত্রিত’ বিস্তার এবং গুরুতর কৌশলগত হুমকি হিসেবে অভিহিত করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ক্রেমলিন।
রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার গ্রুশকো জানিয়েছেন, কোনো ইউরোপীয় দেশ যদি ফরাসি পারমাণবিক বিমানকে নিজ ভূখণ্ডে জায়গা দেয়, তবে সংঘাতের সময় তারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্ত হবে। গ্রুশকোর দাবি, মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলা হলেও বাস্তবে এ পদক্ষেপ তাদের আরও বড় ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে, কারণ এর বিপরীতে কোনো সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নেই। বর্তমানে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র সীমিত রাখার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের ভয়াবহতার মাঝে এ নতুন ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত বৈশ্বিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইউরোপে ফ্রান্সের পারমাণবিক সক্ষম বোমারু বিমান মোতায়েন করার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে মস্কো ও প্যারিসের মধ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ গত মার্চে দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণ ও প্রয়োজনে ইউরোপীয় মিত্রদের ভূখণ্ডে এ সমরযান মোতায়েনের প্রস্তাব দেওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে।
বিশেষ করে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সমালোচনা ও মার্কিন নিরাপত্তা বলয় নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে মাখোঁ ব্রিটেন, জার্মানি, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, গ্রিস, সুইডেন ও ডেনমার্কের সঙ্গে এ বিষয়ে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এ উদ্যোগকে ন্যাটোর পারমাণবিক শক্তির ‘অনিয়ন্ত্রিত’ বিস্তার এবং গুরুতর কৌশলগত হুমকি হিসেবে অভিহিত করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ক্রেমলিন।
রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার গ্রুশকো জানিয়েছেন, কোনো ইউরোপীয় দেশ যদি ফরাসি পারমাণবিক বিমানকে নিজ ভূখণ্ডে জায়গা দেয়, তবে সংঘাতের সময় তারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্ত হবে। গ্রুশকোর দাবি, মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলা হলেও বাস্তবে এ পদক্ষেপ তাদের আরও বড় ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে, কারণ এর বিপরীতে কোনো সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নেই। বর্তমানে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র সীমিত রাখার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের ভয়াবহতার মাঝে এ নতুন ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত বৈশ্বিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

ফরাসি পারমাণবিক বোমারু বিমান মোতায়েন নিয়ে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
সিটিজেন ডেস্ক

ইউরোপে ফ্রান্সের পারমাণবিক সক্ষম বোমারু বিমান মোতায়েন করার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে মস্কো ও প্যারিসের মধ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ গত মার্চে দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণ ও প্রয়োজনে ইউরোপীয় মিত্রদের ভূখণ্ডে এ সমরযান মোতায়েনের প্রস্তাব দেওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে।
বিশেষ করে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সমালোচনা ও মার্কিন নিরাপত্তা বলয় নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে মাখোঁ ব্রিটেন, জার্মানি, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, গ্রিস, সুইডেন ও ডেনমার্কের সঙ্গে এ বিষয়ে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এ উদ্যোগকে ন্যাটোর পারমাণবিক শক্তির ‘অনিয়ন্ত্রিত’ বিস্তার এবং গুরুতর কৌশলগত হুমকি হিসেবে অভিহিত করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ক্রেমলিন।
রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার গ্রুশকো জানিয়েছেন, কোনো ইউরোপীয় দেশ যদি ফরাসি পারমাণবিক বিমানকে নিজ ভূখণ্ডে জায়গা দেয়, তবে সংঘাতের সময় তারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্ত হবে। গ্রুশকোর দাবি, মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলা হলেও বাস্তবে এ পদক্ষেপ তাদের আরও বড় ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে, কারণ এর বিপরীতে কোনো সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নেই। বর্তমানে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র সীমিত রাখার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের ভয়াবহতার মাঝে এ নতুন ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত বৈশ্বিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স




