ইরানে রাতভর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানে রাতভর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে টানা তৃতীয় রাতের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলার দাবি করেছে ইরান।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এতে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে (ইরান সময় মঙ্গলবার রাত ১২টা ১৫ মিনিট) মার্কিন বাহিনী ইরানে তাদের সর্বশেষ হামলা শুরু করে বলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে ‘নিরীহ বেসামরিক মানুষ ও বাণিজ্যিক জাহাজে’ হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি জানিয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) রাতভর দেশটির দক্ষিণ উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বন্দরনগরী বন্দর আব্বাস, কিশ ও কেশম দ্বীপ এবং বুশেহর প্রদেশের জাম শহরও রয়েছে।
এর আগে, সোমবার (১৩ জুলাই) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্বর্তী সমঝোতা চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। ওয়াশিংটন ব্যর্থ হলে তেহরানও আর ওই চুক্তি মেনে চলবে না বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি কূটনৈতিক আলোচনায় ইরান অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেশের জনগণের স্বার্থ ও উদ্বেগকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে অংশ নিয়েছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর পর তেহরান সবসময় সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনোই প্রথম পক্ষ হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সমঝোতা ভঙ্গ করেনি।
বাঘাই আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন যদি যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারে, তবে ইরানও তাদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা স্মারক) মেনে চলতে বাধ্য থাকবে না। অতীতেও যখনই অপর পক্ষ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছে, ইরান নিজের প্রতিশ্রুতি থেকে বিরত থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও তেহরান ঠিক একই নীতি অনুসরণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইরানের এই অনড় অবস্থান ওয়াশিংটনের ওপর চাপ আরও বাড়াল। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে আলোচনার টেবিলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে টানা তৃতীয় রাতের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলার দাবি করেছে ইরান।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এতে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে (ইরান সময় মঙ্গলবার রাত ১২টা ১৫ মিনিট) মার্কিন বাহিনী ইরানে তাদের সর্বশেষ হামলা শুরু করে বলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে ‘নিরীহ বেসামরিক মানুষ ও বাণিজ্যিক জাহাজে’ হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি জানিয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) রাতভর দেশটির দক্ষিণ উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বন্দরনগরী বন্দর আব্বাস, কিশ ও কেশম দ্বীপ এবং বুশেহর প্রদেশের জাম শহরও রয়েছে।
এর আগে, সোমবার (১৩ জুলাই) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্বর্তী সমঝোতা চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। ওয়াশিংটন ব্যর্থ হলে তেহরানও আর ওই চুক্তি মেনে চলবে না বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি কূটনৈতিক আলোচনায় ইরান অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেশের জনগণের স্বার্থ ও উদ্বেগকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে অংশ নিয়েছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর পর তেহরান সবসময় সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনোই প্রথম পক্ষ হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সমঝোতা ভঙ্গ করেনি।
বাঘাই আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন যদি যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারে, তবে ইরানও তাদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা স্মারক) মেনে চলতে বাধ্য থাকবে না। অতীতেও যখনই অপর পক্ষ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছে, ইরান নিজের প্রতিশ্রুতি থেকে বিরত থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও তেহরান ঠিক একই নীতি অনুসরণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইরানের এই অনড় অবস্থান ওয়াশিংটনের ওপর চাপ আরও বাড়াল। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে আলোচনার টেবিলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।

ইরানে রাতভর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে টানা তৃতীয় রাতের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলার দাবি করেছে ইরান।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এতে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে (ইরান সময় মঙ্গলবার রাত ১২টা ১৫ মিনিট) মার্কিন বাহিনী ইরানে তাদের সর্বশেষ হামলা শুরু করে বলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে ‘নিরীহ বেসামরিক মানুষ ও বাণিজ্যিক জাহাজে’ হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি জানিয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) রাতভর দেশটির দক্ষিণ উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বন্দরনগরী বন্দর আব্বাস, কিশ ও কেশম দ্বীপ এবং বুশেহর প্রদেশের জাম শহরও রয়েছে।
এর আগে, সোমবার (১৩ জুলাই) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্বর্তী সমঝোতা চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। ওয়াশিংটন ব্যর্থ হলে তেহরানও আর ওই চুক্তি মেনে চলবে না বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি কূটনৈতিক আলোচনায় ইরান অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেশের জনগণের স্বার্থ ও উদ্বেগকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে অংশ নিয়েছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর পর তেহরান সবসময় সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনোই প্রথম পক্ষ হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সমঝোতা ভঙ্গ করেনি।
বাঘাই আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন যদি যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারে, তবে ইরানও তাদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা স্মারক) মেনে চলতে বাধ্য থাকবে না। অতীতেও যখনই অপর পক্ষ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছে, ইরান নিজের প্রতিশ্রুতি থেকে বিরত থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও তেহরান ঠিক একই নীতি অনুসরণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইরানের এই অনড় অবস্থান ওয়াশিংটনের ওপর চাপ আরও বাড়াল। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে আলোচনার টেবিলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।

যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা ইরানের

