রাজশাহী থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ

রাজশাহী থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ
রাজশাহী সংবাদদাতা

কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে রাজশাহী থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে পরিবহন শ্রমিকরা। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন আন্তঃজেলাসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল থেকে রাজশাহীর টার্মিনালগুলো থেকে কোন বাস ছেড়ে যায়নি। তবে বিআরটিসি বাসগুলো যথারীতি চলতে দেখা গেছে।
রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম বলেন, সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসন, বাস মালিক সমিতি এবং শ্রমিক নেতাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। বৈঠকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে বাস মালিক সমিতির একজন প্রতিনিধি রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোল শুরু হয়। ফলে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠকটি ভণ্ডুল হয়ে যায়।
তিনি বলেন, বৈঠক থেকে ফিরে শ্রমিকদের একটি অংশ শিরোইল বাস টার্মিনালে গিয়ে চরম উত্তেজনা তৈরি করে এবং নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন না করা পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। তবে দূরপাল্লার বাসগুলো রাজশাহী ফেরা এবং অন্য জেলার বাস রাজশাহী থেকে বের হবার জন্য সকাল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিলো। ফলে সকাল থেকে শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে আর কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। বাস টিকিট কাউন্টারগুলো অধিকাংশই খোলা রয়েছে। তবে, কখন এই কর্মরিতি প্রত্যাহার হবে তা কেউ বলতে পারেনি।
রাজশাহী জেলা বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা কাউকে বাস বন্ধের কোনো নির্দেশনা দেইনি। যদি কেউ কর্মবিরতিতে যায় সেটি তার নিজের বিষয়। মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
নির্বাচন ইস্যুতে গেল কয়েক মাস ধরে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের রাজশাহীতে বেশ কয়েকবার বাস চলাচল বন্ধের ঘটনা ঘটছে। যদিও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং আশ্বাসে প্রতিবারই এমন ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে রাজশাহী থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে পরিবহন শ্রমিকরা। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন আন্তঃজেলাসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল থেকে রাজশাহীর টার্মিনালগুলো থেকে কোন বাস ছেড়ে যায়নি। তবে বিআরটিসি বাসগুলো যথারীতি চলতে দেখা গেছে।
রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম বলেন, সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসন, বাস মালিক সমিতি এবং শ্রমিক নেতাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। বৈঠকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে বাস মালিক সমিতির একজন প্রতিনিধি রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোল শুরু হয়। ফলে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠকটি ভণ্ডুল হয়ে যায়।
তিনি বলেন, বৈঠক থেকে ফিরে শ্রমিকদের একটি অংশ শিরোইল বাস টার্মিনালে গিয়ে চরম উত্তেজনা তৈরি করে এবং নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন না করা পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। তবে দূরপাল্লার বাসগুলো রাজশাহী ফেরা এবং অন্য জেলার বাস রাজশাহী থেকে বের হবার জন্য সকাল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিলো। ফলে সকাল থেকে শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে আর কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। বাস টিকিট কাউন্টারগুলো অধিকাংশই খোলা রয়েছে। তবে, কখন এই কর্মরিতি প্রত্যাহার হবে তা কেউ বলতে পারেনি।
রাজশাহী জেলা বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা কাউকে বাস বন্ধের কোনো নির্দেশনা দেইনি। যদি কেউ কর্মবিরতিতে যায় সেটি তার নিজের বিষয়। মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
নির্বাচন ইস্যুতে গেল কয়েক মাস ধরে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের রাজশাহীতে বেশ কয়েকবার বাস চলাচল বন্ধের ঘটনা ঘটছে। যদিও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং আশ্বাসে প্রতিবারই এমন ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

রাজশাহী থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ
রাজশাহী সংবাদদাতা

কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে রাজশাহী থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে পরিবহন শ্রমিকরা। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন আন্তঃজেলাসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল থেকে রাজশাহীর টার্মিনালগুলো থেকে কোন বাস ছেড়ে যায়নি। তবে বিআরটিসি বাসগুলো যথারীতি চলতে দেখা গেছে।
রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম বলেন, সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসন, বাস মালিক সমিতি এবং শ্রমিক নেতাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। বৈঠকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে বাস মালিক সমিতির একজন প্রতিনিধি রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোল শুরু হয়। ফলে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠকটি ভণ্ডুল হয়ে যায়।
তিনি বলেন, বৈঠক থেকে ফিরে শ্রমিকদের একটি অংশ শিরোইল বাস টার্মিনালে গিয়ে চরম উত্তেজনা তৈরি করে এবং নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন না করা পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। তবে দূরপাল্লার বাসগুলো রাজশাহী ফেরা এবং অন্য জেলার বাস রাজশাহী থেকে বের হবার জন্য সকাল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিলো। ফলে সকাল থেকে শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে আর কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। বাস টিকিট কাউন্টারগুলো অধিকাংশই খোলা রয়েছে। তবে, কখন এই কর্মরিতি প্রত্যাহার হবে তা কেউ বলতে পারেনি।
রাজশাহী জেলা বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা কাউকে বাস বন্ধের কোনো নির্দেশনা দেইনি। যদি কেউ কর্মবিরতিতে যায় সেটি তার নিজের বিষয়। মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
নির্বাচন ইস্যুতে গেল কয়েক মাস ধরে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের রাজশাহীতে বেশ কয়েকবার বাস চলাচল বন্ধের ঘটনা ঘটছে। যদিও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং আশ্বাসে প্রতিবারই এমন ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

ঢাকার সাথে উত্তরাঞ্চলের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ 


