শিরোনাম

খামেনি হত্যার প্রতিশোধ: তালিকায় ট্রাম্পসহ ১৩ নেতা

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ: তালিকায় ট্রাম্পসহ ১৩ নেতা
ট্রাম্পসহ ১৩ নেতার তালিকা প্রকাশ করেছে ইরানের একটি গণমাধ্যম

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে বিশ্বনেতাদের একটি ‘হিট লিস্ট’ বা তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির একটি গণমাধ্যম। তেহরানের উস্কানিমূলক ও রক্ষণশীল সংবাদপত্র ‘হামশাহরি’-র অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত এ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ছবি শীর্ষে রাখা হয়েছে, যাদের কপালে আঁকা হয়েছে স্নাইপারের নিশানা। তাদের ঠিক নিচেই কয়েদির কমলা রঙের পোশাক পরিহিত আরও ১১ জন বিশ্বনেতার ছবি যুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার, মার্কিন সিনেটর মার্কো রুবিও, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মৃত্যুর পর তার পুত্র এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে এসে এ তালিকা প্রকাশের সময়ই কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি মন্তব্য করেন, প্রতিশোধ নেওয়া তাদের জাতির ইচ্ছা এবং এই অপরাধীরা নিজেদের বিছানায় শান্তিপূর্ণ মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কবরে যাবে। তবে এ তালিকাটি তেহরান প্রশাসন কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হওয়ার কোনো প্রমাণ মেলেনি এবং হামশাহরি এটি কেবল তাদের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ করলেও মূল প্রিন্ট পত্রিকায় মুদ্রণ করেনি।

একই সপ্তাহে বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ইরান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে গুপ্তহত্যার এই নিখুঁত ছক সম্পর্কে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা ওয়াশিংটনকে সতর্ক করেন। এর ফলে ট্রাম্প তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন ত্যাগ করার জন্য তড়িঘড়ি করে বিমান পরিবর্তন করে একটি পুরোনো বিমান ব্যবহার করেন। এয়ার ফোর্সের ওয়ানে থাকা অবস্থায় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ইরান তাকে সরিয়ে দিতে চায় এবং তিনি তাদের প্রতিটি তালিকায় রয়েছেন। এদিকে, এ উত্তেজনার মধ্যেই রবিবার (১২ জুলাই) ওই অঞ্চলে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী রবিবার সকালে প্রায় ১৪০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান দাবি করেছে যে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তাদের জলসীমায় প্রবেশ করেছিল। শান্তিকালীন সময়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন করা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিটি মার্কিন হস্তক্ষেপ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

/এমএকে/