শিরোনাম

প্রথমবারের মতো সি-ড্রোন দিয়ে ইরানের নৌঘাঁটিতে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
প্রথমবারের মতো সি-ড্রোন দিয়ে ইরানের নৌঘাঁটিতে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের
‘কোরসেয়ার’ মডেলের একমুখী সি-ড্রোন

উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই প্রথমবারের মতো চালকবিহীন আত্মঘাতী নৌযান বা ‘সি-ড্রোন’ ব্যবহার করে ইরানি নৌঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) স্থানীয় সময় সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ সামরিক অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছে। হামলায় ইরানের বন্দর আব্বাস নৌঘাঁটিতে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাবমেরিন ও যুদ্ধজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত সেন্টকমের এক পোস্টে জানানো হয়, মার্কিন বাহিনী এ অভিযানে তাদের অত্যাধুনিক ‘কোরসেয়ার’ মডেলের তিনটি একমুখী সি-ড্রোন ব্যবহার করেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এ ধরনের চালকবিহীন নৌযান ব্যবহারের এটিই প্রথম ঘটনা। হামলার সমর্থনে সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ করেছে, যেখানে লক্ষ্যবস্তুতে সফল আঘাত হানার দৃশ্য দেখা গেছে।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি, সফল এ অভিযানের ফলে লোহিত সাগর ও সংলগ্ন জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর ইরানের নিয়মিত হামলা চালানোর সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে এ হামলা নিয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পারস্য উপসাগরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চলমান সামরিক উত্তেজনার পারদ এ হামলার মাধ্যমে আরও তুঙ্গে উঠল। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, যখন দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উপায়ে উত্তেজনা প্রশমনের জোর প্রচেষ্টা চলছে বলে খবর আসছে, ঠিক তখনই এ হামলা চালানো হলো। এই পরিস্থিতি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল উপসাগরীয় অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে আরও বেশি ভঙ্গুর ও জটিল করে তুলতে পারে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

/এমএকে/