সৌদির বিমানবন্দরে হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সৌদির বিমানবন্দরে হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনে দীর্ঘ ৪ বছরের আপেক্ষিক শান্ত পরিবেশ ও যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি জোটের বিমান হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এই ঘটনাকে দুই পক্ষের মধ্যকার সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
বার্তা সংস্থা এপির বরাতে জানা গেছে, সোমবার (১৩ জুলাই) সানা বিমানবন্দরে হামলার পর পরই আবহা বিমানবন্দরে এ প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হয়। তবে এ হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি টেলিগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, সানায় সৌদিদের আগ্রাসন মূলত মানবিক সহায়তা ও রোগী বহনকারী ফ্লাইট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদি আরবের আকাশসীমা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। জেনারেল সারি বলেন, সানা বিমানবন্দরের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এ সতর্কতা বজায় থাকবে।
এর আগে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার জানিয়েছিল, একটি ইরানি বিমান অবতরণ ঠেকাতেই মূলত সানা বিমানবন্দরে অভিযান চালানো হয়েছিল। হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া না গেলেও পরবর্তীতে জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে।
এ আকস্মিক উত্তেজনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। এক জরুরি বৈঠকে জাতিসংঘের রাজনৈতিক বিষয়ক সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি বলেন, ইয়েমেন বা এ অঞ্চল নতুন করে কোনো সংঘাতের ধকল সইতে পারবে না। তিনি সব পক্ষকে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান। ২০১৪ সালে হুতিরা সানা দখল করার পর ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা দমাতে ২০১৫ সালে সৌদি জোট সামরিক অভিযান শুরু করে। তবে চলতি বছরের শুরুতে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার নীতিগত পার্থক্যের কারণে আমিরাত এই সংঘাত থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়।
সূত্র: এপি

ইয়েমেনে দীর্ঘ ৪ বছরের আপেক্ষিক শান্ত পরিবেশ ও যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি জোটের বিমান হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এই ঘটনাকে দুই পক্ষের মধ্যকার সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
বার্তা সংস্থা এপির বরাতে জানা গেছে, সোমবার (১৩ জুলাই) সানা বিমানবন্দরে হামলার পর পরই আবহা বিমানবন্দরে এ প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হয়। তবে এ হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি টেলিগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, সানায় সৌদিদের আগ্রাসন মূলত মানবিক সহায়তা ও রোগী বহনকারী ফ্লাইট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদি আরবের আকাশসীমা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। জেনারেল সারি বলেন, সানা বিমানবন্দরের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এ সতর্কতা বজায় থাকবে।
এর আগে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার জানিয়েছিল, একটি ইরানি বিমান অবতরণ ঠেকাতেই মূলত সানা বিমানবন্দরে অভিযান চালানো হয়েছিল। হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া না গেলেও পরবর্তীতে জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে।
এ আকস্মিক উত্তেজনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। এক জরুরি বৈঠকে জাতিসংঘের রাজনৈতিক বিষয়ক সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি বলেন, ইয়েমেন বা এ অঞ্চল নতুন করে কোনো সংঘাতের ধকল সইতে পারবে না। তিনি সব পক্ষকে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান। ২০১৪ সালে হুতিরা সানা দখল করার পর ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা দমাতে ২০১৫ সালে সৌদি জোট সামরিক অভিযান শুরু করে। তবে চলতি বছরের শুরুতে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার নীতিগত পার্থক্যের কারণে আমিরাত এই সংঘাত থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়।
সূত্র: এপি

সৌদির বিমানবন্দরে হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনে দীর্ঘ ৪ বছরের আপেক্ষিক শান্ত পরিবেশ ও যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি জোটের বিমান হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এই ঘটনাকে দুই পক্ষের মধ্যকার সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
বার্তা সংস্থা এপির বরাতে জানা গেছে, সোমবার (১৩ জুলাই) সানা বিমানবন্দরে হামলার পর পরই আবহা বিমানবন্দরে এ প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হয়। তবে এ হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি টেলিগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, সানায় সৌদিদের আগ্রাসন মূলত মানবিক সহায়তা ও রোগী বহনকারী ফ্লাইট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদি আরবের আকাশসীমা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। জেনারেল সারি বলেন, সানা বিমানবন্দরের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এ সতর্কতা বজায় থাকবে।
এর আগে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার জানিয়েছিল, একটি ইরানি বিমান অবতরণ ঠেকাতেই মূলত সানা বিমানবন্দরে অভিযান চালানো হয়েছিল। হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া না গেলেও পরবর্তীতে জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে।
এ আকস্মিক উত্তেজনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। এক জরুরি বৈঠকে জাতিসংঘের রাজনৈতিক বিষয়ক সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি বলেন, ইয়েমেন বা এ অঞ্চল নতুন করে কোনো সংঘাতের ধকল সইতে পারবে না। তিনি সব পক্ষকে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান। ২০১৪ সালে হুতিরা সানা দখল করার পর ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা দমাতে ২০১৫ সালে সৌদি জোট সামরিক অভিযান শুরু করে। তবে চলতি বছরের শুরুতে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার নীতিগত পার্থক্যের কারণে আমিরাত এই সংঘাত থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়।
সূত্র: এপি

গাজায় ত্রাণ বিতরণে হামাসের বাধার অভিযোগ জাতিসংঘের

