সৌদি আরবের ওপর সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা জারি

সৌদি আরবের ওপর সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা জারি
সিজেডএন ডেস্ক

সৌদি আরবের ওপর ‘সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা’ ঘোষণা করেছে ইয়েমেনের হুথিরা। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, এখন থেকে লোহিত সাগর কিংবা এই সাগরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে কোনো সৌদি জাহাজ বা নৌযান দেখামাত্র সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
তিনি অবশ্য নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে হুথি গণমাধ্যমের এক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশদ্বার বাব আল-মান্দাব প্রণালিটি সৌদি জাহাজগুলোর জন্য বন্ধ করে দিচ্ছে।
সামরিক ওই মুখপাত্র অভিযোগ করেন, সৌদি আরব হুথি নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের সামুদ্রিক বন্দর এবং বিমানবন্দর অবরোধ করে রেখেছে। তার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হুথি হাইকমান্ড। এটি অবিলম্বে শুরু হবে বলেও জানানো হয়েছে।।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগের নিন্দা জানিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, দেশটি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তার জাহাজগুলোকে রক্ষা করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বৈদেশিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পণ্য রপ্তানির জন্য লোহিত সাগর সৌদি আরবের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এর ফলে বিশ্বের জালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তেহরান। এজন্য রিয়াদের কাছে জ্বালানি তেল রপ্তানির জন্য লোহিত সাগরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
প্রসঙ্গত, সৌদি আরবকে নিজেদের প্রধান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে হুথি গোষ্ঠী। ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যে হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা দখল করে। হুথিরা রাজধানী দখলের পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান। তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসাতে ওই বছর থেকেই ইয়েমেনে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি সেনাবাহিনী। এতে দেশটিতে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। ওই অভিযান এখনও চলছে।
বর্তমানে ইয়েমেনের মোট ভূখণ্ডের অর্ধেক হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আছে। এর মধ্যে রাজধানী সানাসহ গুরুত্বপূর্ণ ও জনবসতিপূর্ণ এলাকা রয়েছে। বাকি অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। কয়েক বছর আগে ওই প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।
সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

সৌদি আরবের ওপর ‘সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা’ ঘোষণা করেছে ইয়েমেনের হুথিরা। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, এখন থেকে লোহিত সাগর কিংবা এই সাগরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে কোনো সৌদি জাহাজ বা নৌযান দেখামাত্র সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
তিনি অবশ্য নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে হুথি গণমাধ্যমের এক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশদ্বার বাব আল-মান্দাব প্রণালিটি সৌদি জাহাজগুলোর জন্য বন্ধ করে দিচ্ছে।
সামরিক ওই মুখপাত্র অভিযোগ করেন, সৌদি আরব হুথি নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের সামুদ্রিক বন্দর এবং বিমানবন্দর অবরোধ করে রেখেছে। তার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হুথি হাইকমান্ড। এটি অবিলম্বে শুরু হবে বলেও জানানো হয়েছে।।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগের নিন্দা জানিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, দেশটি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তার জাহাজগুলোকে রক্ষা করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বৈদেশিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পণ্য রপ্তানির জন্য লোহিত সাগর সৌদি আরবের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এর ফলে বিশ্বের জালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তেহরান। এজন্য রিয়াদের কাছে জ্বালানি তেল রপ্তানির জন্য লোহিত সাগরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
প্রসঙ্গত, সৌদি আরবকে নিজেদের প্রধান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে হুথি গোষ্ঠী। ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যে হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা দখল করে। হুথিরা রাজধানী দখলের পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান। তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসাতে ওই বছর থেকেই ইয়েমেনে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি সেনাবাহিনী। এতে দেশটিতে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। ওই অভিযান এখনও চলছে।
বর্তমানে ইয়েমেনের মোট ভূখণ্ডের অর্ধেক হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আছে। এর মধ্যে রাজধানী সানাসহ গুরুত্বপূর্ণ ও জনবসতিপূর্ণ এলাকা রয়েছে। বাকি অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। কয়েক বছর আগে ওই প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।
সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

সৌদি আরবের ওপর সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা জারি
সিজেডএন ডেস্ক

সৌদি আরবের ওপর ‘সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা’ ঘোষণা করেছে ইয়েমেনের হুথিরা। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, এখন থেকে লোহিত সাগর কিংবা এই সাগরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে কোনো সৌদি জাহাজ বা নৌযান দেখামাত্র সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
তিনি অবশ্য নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে হুথি গণমাধ্যমের এক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশদ্বার বাব আল-মান্দাব প্রণালিটি সৌদি জাহাজগুলোর জন্য বন্ধ করে দিচ্ছে।
সামরিক ওই মুখপাত্র অভিযোগ করেন, সৌদি আরব হুথি নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের সামুদ্রিক বন্দর এবং বিমানবন্দর অবরোধ করে রেখেছে। তার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হুথি হাইকমান্ড। এটি অবিলম্বে শুরু হবে বলেও জানানো হয়েছে।।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগের নিন্দা জানিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, দেশটি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তার জাহাজগুলোকে রক্ষা করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বৈদেশিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পণ্য রপ্তানির জন্য লোহিত সাগর সৌদি আরবের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এর ফলে বিশ্বের জালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তেহরান। এজন্য রিয়াদের কাছে জ্বালানি তেল রপ্তানির জন্য লোহিত সাগরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
প্রসঙ্গত, সৌদি আরবকে নিজেদের প্রধান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে হুথি গোষ্ঠী। ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যে হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা দখল করে। হুথিরা রাজধানী দখলের পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান। তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসাতে ওই বছর থেকেই ইয়েমেনে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি সেনাবাহিনী। এতে দেশটিতে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। ওই অভিযান এখনও চলছে।
বর্তমানে ইয়েমেনের মোট ভূখণ্ডের অর্ধেক হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আছে। এর মধ্যে রাজধানী সানাসহ গুরুত্বপূর্ণ ও জনবসতিপূর্ণ এলাকা রয়েছে। বাকি অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। কয়েক বছর আগে ওই প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।
সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

ইসরায়েলের ওপর নৌ অবরোধের ঘোষণা হুথিদের







