ইরানে নতুন মার্কিন হামলায় বাড়ছে বৈশ্বিক উদ্বেগ

ইরানে নতুন মার্কিন হামলায় বাড়ছে বৈশ্বিক উদ্বেগ
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ ইরান ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন এলাকায় নতুন সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পাশাপাশি এ সংঘাত সাধারণ মানুষের জীবন ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।
কুহিস্তিকে ট্র্যাজেডি ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র
মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পুনর্নির্মিত বিমান প্রতিরক্ষা রাডার, উপকূলীয় ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো অকার্যকর করে দেওয়া। তবে অভিযানের দিন হোরমোজগান প্রদেশের বন্দর সিরিকের কুহেস্তাক এলাকায় ঘটে এক করুণ ঘটনা। সেখানে একটি বিয়েবাড়িতে মার্কিন প্রজেক্টাইল আঘাত হানলে শিশুসহ অন্তত ৫ জন বেসামরিক নাগরিকসহ মোট ১৮ জন প্রাণ হারান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬৮ জনেরও বেশি। এ ছাড়া হামলায় কেশম দ্বীপের যোগাযোগ টাওয়ার, কেরমানের জিরোফট বিমানবন্দর এলাকা এবং হোরমোজগান প্রদেশের বিদ্যুৎ গ্রিড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বন্দর আব্বাসের নৌঘাঁটিসহ অন্যান্য উপকূলীয় স্থানে হামলায় দেশটির অন্তত ছয়জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ৩ জন পাইলট রয়েছেন।

ইরানের পাল্টা আঘাত ও হরমুজ প্রণালির স্থবিরতা
মার্কিন হামলার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হামলার জবাবে ইরানও ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়। তারা জর্ডানের আকাবা উপকূলীয় মার্কিন ঘাঁটি এবং কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে নিশানা করে। এ মুখোমুখি সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে হরমুজ প্রণালির ওপর। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এ সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ পথে জাহাজ চলাচল কার্যত তলানিতে নেমেছে। দিনে পার হচ্ছে মাত্র ৪টি জাহাজ।
তেলের বাজারে ধাক্কা ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল থমকে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম প্রায় আট শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার অতিক্রম করেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সংঘাত দ্রুত না থামলে বিশ্বজুড়ে পরিবহন ও পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। বেসামরিক লোকজনের প্রাণহানির বিষয়ে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, কুহেস্তাকের ঘটনাটি তারা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। অন্যদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সংঘাত বাড়িয়ে না তুলে উভয় পক্ষকে দ্রুত আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: এপি, আল জাজিরা

দক্ষিণ ইরান ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন এলাকায় নতুন সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পাশাপাশি এ সংঘাত সাধারণ মানুষের জীবন ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।
কুহিস্তিকে ট্র্যাজেডি ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র
মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পুনর্নির্মিত বিমান প্রতিরক্ষা রাডার, উপকূলীয় ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো অকার্যকর করে দেওয়া। তবে অভিযানের দিন হোরমোজগান প্রদেশের বন্দর সিরিকের কুহেস্তাক এলাকায় ঘটে এক করুণ ঘটনা। সেখানে একটি বিয়েবাড়িতে মার্কিন প্রজেক্টাইল আঘাত হানলে শিশুসহ অন্তত ৫ জন বেসামরিক নাগরিকসহ মোট ১৮ জন প্রাণ হারান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬৮ জনেরও বেশি। এ ছাড়া হামলায় কেশম দ্বীপের যোগাযোগ টাওয়ার, কেরমানের জিরোফট বিমানবন্দর এলাকা এবং হোরমোজগান প্রদেশের বিদ্যুৎ গ্রিড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বন্দর আব্বাসের নৌঘাঁটিসহ অন্যান্য উপকূলীয় স্থানে হামলায় দেশটির অন্তত ছয়জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ৩ জন পাইলট রয়েছেন।

ইরানের পাল্টা আঘাত ও হরমুজ প্রণালির স্থবিরতা
মার্কিন হামলার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হামলার জবাবে ইরানও ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়। তারা জর্ডানের আকাবা উপকূলীয় মার্কিন ঘাঁটি এবং কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে নিশানা করে। এ মুখোমুখি সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে হরমুজ প্রণালির ওপর। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এ সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ পথে জাহাজ চলাচল কার্যত তলানিতে নেমেছে। দিনে পার হচ্ছে মাত্র ৪টি জাহাজ।
তেলের বাজারে ধাক্কা ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল থমকে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম প্রায় আট শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার অতিক্রম করেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সংঘাত দ্রুত না থামলে বিশ্বজুড়ে পরিবহন ও পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। বেসামরিক লোকজনের প্রাণহানির বিষয়ে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, কুহেস্তাকের ঘটনাটি তারা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। অন্যদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সংঘাত বাড়িয়ে না তুলে উভয় পক্ষকে দ্রুত আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: এপি, আল জাজিরা

ইরানে নতুন মার্কিন হামলায় বাড়ছে বৈশ্বিক উদ্বেগ
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ ইরান ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন এলাকায় নতুন সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পাশাপাশি এ সংঘাত সাধারণ মানুষের জীবন ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।
কুহিস্তিকে ট্র্যাজেডি ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র
মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পুনর্নির্মিত বিমান প্রতিরক্ষা রাডার, উপকূলীয় ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো অকার্যকর করে দেওয়া। তবে অভিযানের দিন হোরমোজগান প্রদেশের বন্দর সিরিকের কুহেস্তাক এলাকায় ঘটে এক করুণ ঘটনা। সেখানে একটি বিয়েবাড়িতে মার্কিন প্রজেক্টাইল আঘাত হানলে শিশুসহ অন্তত ৫ জন বেসামরিক নাগরিকসহ মোট ১৮ জন প্রাণ হারান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬৮ জনেরও বেশি। এ ছাড়া হামলায় কেশম দ্বীপের যোগাযোগ টাওয়ার, কেরমানের জিরোফট বিমানবন্দর এলাকা এবং হোরমোজগান প্রদেশের বিদ্যুৎ গ্রিড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বন্দর আব্বাসের নৌঘাঁটিসহ অন্যান্য উপকূলীয় স্থানে হামলায় দেশটির অন্তত ছয়জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ৩ জন পাইলট রয়েছেন।

ইরানের পাল্টা আঘাত ও হরমুজ প্রণালির স্থবিরতা
মার্কিন হামলার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হামলার জবাবে ইরানও ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়। তারা জর্ডানের আকাবা উপকূলীয় মার্কিন ঘাঁটি এবং কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে নিশানা করে। এ মুখোমুখি সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে হরমুজ প্রণালির ওপর। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এ সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ পথে জাহাজ চলাচল কার্যত তলানিতে নেমেছে। দিনে পার হচ্ছে মাত্র ৪টি জাহাজ।
তেলের বাজারে ধাক্কা ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল থমকে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম প্রায় আট শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার অতিক্রম করেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সংঘাত দ্রুত না থামলে বিশ্বজুড়ে পরিবহন ও পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। বেসামরিক লোকজনের প্রাণহানির বিষয়ে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, কুহেস্তাকের ঘটনাটি তারা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। অন্যদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সংঘাত বাড়িয়ে না তুলে উভয় পক্ষকে দ্রুত আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: এপি, আল জাজিরা








