ব্রিকস সম্মেলনের নৈশভোজে শুধু নিরামিষ পদ, আপ্যায়ন ঘিরে তুমুল বিতর্ক

ব্রিকস সম্মেলনের নৈশভোজে শুধু নিরামিষ পদ, আপ্যায়ন ঘিরে তুমুল বিতর্ক
সিজেডএন ডেস্ক

ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিশ্বনেতাদের সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত নৈশভোজের খাবারের তালিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। শনিবারের (১২ সেপ্টেম্বর) নৈশভোজে বিদেশি অতিথিদের কেবল নিরামিষের বিভিন্ন পদে আপ্যায়ন করা হয়।
খাদ্যতালিকায় ‘খুম্ব গালৌটি’র মতো বিশেষ স্টার্টার এবং ডেজার্ট পর্বে শাহতুত ফিরনি ও জিলাপির সঙ্গে ফ্রুট ক্রিমসহ দশটিরও বেশি পদ রাখা হলেও, মূল খাবারের প্রতিটি পদই ছিল নিরামিষ। আধুনিক স্বাদে তৈরি পনির, মাশরুম, মিলেট পোলাও ও বিটরুট রায়তা দিয়ে সাজানো হয়েছিল সেই মেনু। তবে বিশ্বমঞ্চে বিদেশি অতিথিদের পাতে আমিষের অনুপস্থিতি ভালোভাবে নেয়নি বিরোধীরা।
এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ‘তথ্যের খাতিরে জানিয়ে রাখি, ভারতের ৮০ শতাংশ মানুষই আমিষভোজী। ভারতীয় আমিষ পদ অত্যন্ত সুস্বাদু। ঠিক যেমন আমার বোনের তৈরি ছোলা ভাটুরেও বেশ দারুণ।’ কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা এক্সে লিখেছেন, ‘নিজেদের খাদ্যাভ্যাস সহকর্মীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার বিজেপির স্বভাব এমনিতেই বড় সমস্যার বিষয়। এবার তারা এক ধাপ এগিয়ে সারা বিশ্বের বিশিষ্ট অতিথিদের ওপরও নিজেদের পছন্দ চাপিয়ে দিচ্ছে।’
এই সমালোচনার সুরে গলা মিলিয়ে ওয়ারিস পাঠান বলেন, আমরা ভারতের বৈচিত্র্য নিয়ে মুখে অনেক বড় বড় কথা বলি। কিন্তু এ মেনুটি এক লহমায় সেই বৈচিত্র্যকেই মুছে দিয়েছে! তিনি আরও লেখেন, আপনারা নিরামিষ খাবারের প্রচার করতেই পারেন, তাতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু ভারতের পুরো খাদ্যসংস্কৃতিকে শুধু নিরামিষ পদে বন্দি করবেন না। ভারতের কোটি কোটি মানুষ আমিষ খাবার খান। আমাদের রন্ধনশৈলীর বৈচিত্র্যে খাসির মাংস, মুরগি ও মাছ সমান গুরুত্ব বহন করে।
ওয়ারিস বলেন, বিশ্বের শীর্ষনেতারা ভারতে এসেছিলেন। তাদের সামনে ভারতের আসল স্বাদের বৈচিত্র্য তুলে ধরা উচিত ছিল। যেমন মাটন মশলা ফ্রাই, হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি, তন্দুরি চিকেন, বাটার চিকেন ও গোয়ান ফিশ কারির মতো জনপ্রিয় পদগুলো। বিশ্বকে দেখানো দরকার ছিল, ভারতের বৈচিত্র্য কেবল ভাষা ও সংস্কৃতিতেই সীমাবদ্ধ নয়, তা আমাদের আহারের থালিতেও রয়েছে। বিরোধীদের এই কটাক্ষের সুরে রসিকতা টেনে তিনি আরও বলেন, ‘মাটন-চিকেন বাদ পড়েছে পিসেমশাইরা এবার ঠিকই রুষ্ট হবেন!’
তবে বিরোধী শিবিরের এ আক্রমণ জোরালোভাবে প্রতিহত করতে সময় নেয়নি বিজেপি। তারা পাল্টা অভিযোগ তুলেছে, নীতিগত বিষয় বা কূটনৈতিক সাফল্য নিয়ে কথা না বলে খাবার নিয়ে রাজনীতি করে কংগ্রেস একটি বড় আন্তর্জাতিক আয়োজনকে হালকা করার চেষ্টা করছে।
বিজেপির মতে, সম্মেলনের মূল প্রস্তাব, বৈশ্বিক সংকট কিংবা ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরিতে ভারতের যে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে ব্যর্থ হয়েছে বিরোধীরা। বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবশালী অবস্থান দেখে কংগ্রেস ভেতরে ভেতরে মন খারাপ করে বসে আছে বলেই এ নৈশভোজের মেনু কেন্দ্র করে রাজনীতিতে মেতেছে তারা।
উল্লেখ্য, জমকালো নৈশভোজে স্টার্টার হিসেবে ‘খান্ডভি মিল-ফয়’ ও পুদিনার ফ্লেভারযুক্ত মাশরুম কাবাব অর্থাৎ ‘খুম্ব গালৌটি’ পরিবেশন করা হয়েছিল। মূল পদে ছিল ‘পনির লাবাবদার’, হিমালয়ের বিরল মাশরুম ও অ্যাসপ্যারাগাস দিয়ে তৈরি ‘গুচ্চি মার্মিক’ এবং ‘ক্যারট বিন পোরিয়াল’। এছাড়া ‘তাক্কালি বেল্লে সারু’ ডালের স্যুপ, মিলেট পোলাও, বিটরুট রায়তা এবং রকমারি ভারতীয় রুটির সঙ্গে মিষ্টির পাতে ছিল ওল্ড দিল্লি ফ্রুট ক্রিম উইথ জিলাপি ও শাহতুত ফিরনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় আমিষ খাবার খাওয়া নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কয়েকজন নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের শোরগোলের মাঝেই এ আন্তর্জাতিক নৈশভোজের মেনু কেন্দ্র করে মোদি ও কংগ্রেসের রাজনৈতিক লড়াই নতুন মাত্রা পেল।
সূত্র: এনডিটিভি

ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিশ্বনেতাদের সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত নৈশভোজের খাবারের তালিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। শনিবারের (১২ সেপ্টেম্বর) নৈশভোজে বিদেশি অতিথিদের কেবল নিরামিষের বিভিন্ন পদে আপ্যায়ন করা হয়।
খাদ্যতালিকায় ‘খুম্ব গালৌটি’র মতো বিশেষ স্টার্টার এবং ডেজার্ট পর্বে শাহতুত ফিরনি ও জিলাপির সঙ্গে ফ্রুট ক্রিমসহ দশটিরও বেশি পদ রাখা হলেও, মূল খাবারের প্রতিটি পদই ছিল নিরামিষ। আধুনিক স্বাদে তৈরি পনির, মাশরুম, মিলেট পোলাও ও বিটরুট রায়তা দিয়ে সাজানো হয়েছিল সেই মেনু। তবে বিশ্বমঞ্চে বিদেশি অতিথিদের পাতে আমিষের অনুপস্থিতি ভালোভাবে নেয়নি বিরোধীরা।
এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ‘তথ্যের খাতিরে জানিয়ে রাখি, ভারতের ৮০ শতাংশ মানুষই আমিষভোজী। ভারতীয় আমিষ পদ অত্যন্ত সুস্বাদু। ঠিক যেমন আমার বোনের তৈরি ছোলা ভাটুরেও বেশ দারুণ।’ কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা এক্সে লিখেছেন, ‘নিজেদের খাদ্যাভ্যাস সহকর্মীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার বিজেপির স্বভাব এমনিতেই বড় সমস্যার বিষয়। এবার তারা এক ধাপ এগিয়ে সারা বিশ্বের বিশিষ্ট অতিথিদের ওপরও নিজেদের পছন্দ চাপিয়ে দিচ্ছে।’
এই সমালোচনার সুরে গলা মিলিয়ে ওয়ারিস পাঠান বলেন, আমরা ভারতের বৈচিত্র্য নিয়ে মুখে অনেক বড় বড় কথা বলি। কিন্তু এ মেনুটি এক লহমায় সেই বৈচিত্র্যকেই মুছে দিয়েছে! তিনি আরও লেখেন, আপনারা নিরামিষ খাবারের প্রচার করতেই পারেন, তাতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু ভারতের পুরো খাদ্যসংস্কৃতিকে শুধু নিরামিষ পদে বন্দি করবেন না। ভারতের কোটি কোটি মানুষ আমিষ খাবার খান। আমাদের রন্ধনশৈলীর বৈচিত্র্যে খাসির মাংস, মুরগি ও মাছ সমান গুরুত্ব বহন করে।
ওয়ারিস বলেন, বিশ্বের শীর্ষনেতারা ভারতে এসেছিলেন। তাদের সামনে ভারতের আসল স্বাদের বৈচিত্র্য তুলে ধরা উচিত ছিল। যেমন মাটন মশলা ফ্রাই, হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি, তন্দুরি চিকেন, বাটার চিকেন ও গোয়ান ফিশ কারির মতো জনপ্রিয় পদগুলো। বিশ্বকে দেখানো দরকার ছিল, ভারতের বৈচিত্র্য কেবল ভাষা ও সংস্কৃতিতেই সীমাবদ্ধ নয়, তা আমাদের আহারের থালিতেও রয়েছে। বিরোধীদের এই কটাক্ষের সুরে রসিকতা টেনে তিনি আরও বলেন, ‘মাটন-চিকেন বাদ পড়েছে পিসেমশাইরা এবার ঠিকই রুষ্ট হবেন!’
তবে বিরোধী শিবিরের এ আক্রমণ জোরালোভাবে প্রতিহত করতে সময় নেয়নি বিজেপি। তারা পাল্টা অভিযোগ তুলেছে, নীতিগত বিষয় বা কূটনৈতিক সাফল্য নিয়ে কথা না বলে খাবার নিয়ে রাজনীতি করে কংগ্রেস একটি বড় আন্তর্জাতিক আয়োজনকে হালকা করার চেষ্টা করছে।
বিজেপির মতে, সম্মেলনের মূল প্রস্তাব, বৈশ্বিক সংকট কিংবা ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরিতে ভারতের যে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে ব্যর্থ হয়েছে বিরোধীরা। বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবশালী অবস্থান দেখে কংগ্রেস ভেতরে ভেতরে মন খারাপ করে বসে আছে বলেই এ নৈশভোজের মেনু কেন্দ্র করে রাজনীতিতে মেতেছে তারা।
উল্লেখ্য, জমকালো নৈশভোজে স্টার্টার হিসেবে ‘খান্ডভি মিল-ফয়’ ও পুদিনার ফ্লেভারযুক্ত মাশরুম কাবাব অর্থাৎ ‘খুম্ব গালৌটি’ পরিবেশন করা হয়েছিল। মূল পদে ছিল ‘পনির লাবাবদার’, হিমালয়ের বিরল মাশরুম ও অ্যাসপ্যারাগাস দিয়ে তৈরি ‘গুচ্চি মার্মিক’ এবং ‘ক্যারট বিন পোরিয়াল’। এছাড়া ‘তাক্কালি বেল্লে সারু’ ডালের স্যুপ, মিলেট পোলাও, বিটরুট রায়তা এবং রকমারি ভারতীয় রুটির সঙ্গে মিষ্টির পাতে ছিল ওল্ড দিল্লি ফ্রুট ক্রিম উইথ জিলাপি ও শাহতুত ফিরনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় আমিষ খাবার খাওয়া নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কয়েকজন নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের শোরগোলের মাঝেই এ আন্তর্জাতিক নৈশভোজের মেনু কেন্দ্র করে মোদি ও কংগ্রেসের রাজনৈতিক লড়াই নতুন মাত্রা পেল।
সূত্র: এনডিটিভি

ব্রিকস সম্মেলনের নৈশভোজে শুধু নিরামিষ পদ, আপ্যায়ন ঘিরে তুমুল বিতর্ক
সিজেডএন ডেস্ক

ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিশ্বনেতাদের সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত নৈশভোজের খাবারের তালিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। শনিবারের (১২ সেপ্টেম্বর) নৈশভোজে বিদেশি অতিথিদের কেবল নিরামিষের বিভিন্ন পদে আপ্যায়ন করা হয়।
খাদ্যতালিকায় ‘খুম্ব গালৌটি’র মতো বিশেষ স্টার্টার এবং ডেজার্ট পর্বে শাহতুত ফিরনি ও জিলাপির সঙ্গে ফ্রুট ক্রিমসহ দশটিরও বেশি পদ রাখা হলেও, মূল খাবারের প্রতিটি পদই ছিল নিরামিষ। আধুনিক স্বাদে তৈরি পনির, মাশরুম, মিলেট পোলাও ও বিটরুট রায়তা দিয়ে সাজানো হয়েছিল সেই মেনু। তবে বিশ্বমঞ্চে বিদেশি অতিথিদের পাতে আমিষের অনুপস্থিতি ভালোভাবে নেয়নি বিরোধীরা।
এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ‘তথ্যের খাতিরে জানিয়ে রাখি, ভারতের ৮০ শতাংশ মানুষই আমিষভোজী। ভারতীয় আমিষ পদ অত্যন্ত সুস্বাদু। ঠিক যেমন আমার বোনের তৈরি ছোলা ভাটুরেও বেশ দারুণ।’ কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা এক্সে লিখেছেন, ‘নিজেদের খাদ্যাভ্যাস সহকর্মীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার বিজেপির স্বভাব এমনিতেই বড় সমস্যার বিষয়। এবার তারা এক ধাপ এগিয়ে সারা বিশ্বের বিশিষ্ট অতিথিদের ওপরও নিজেদের পছন্দ চাপিয়ে দিচ্ছে।’
এই সমালোচনার সুরে গলা মিলিয়ে ওয়ারিস পাঠান বলেন, আমরা ভারতের বৈচিত্র্য নিয়ে মুখে অনেক বড় বড় কথা বলি। কিন্তু এ মেনুটি এক লহমায় সেই বৈচিত্র্যকেই মুছে দিয়েছে! তিনি আরও লেখেন, আপনারা নিরামিষ খাবারের প্রচার করতেই পারেন, তাতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু ভারতের পুরো খাদ্যসংস্কৃতিকে শুধু নিরামিষ পদে বন্দি করবেন না। ভারতের কোটি কোটি মানুষ আমিষ খাবার খান। আমাদের রন্ধনশৈলীর বৈচিত্র্যে খাসির মাংস, মুরগি ও মাছ সমান গুরুত্ব বহন করে।
ওয়ারিস বলেন, বিশ্বের শীর্ষনেতারা ভারতে এসেছিলেন। তাদের সামনে ভারতের আসল স্বাদের বৈচিত্র্য তুলে ধরা উচিত ছিল। যেমন মাটন মশলা ফ্রাই, হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি, তন্দুরি চিকেন, বাটার চিকেন ও গোয়ান ফিশ কারির মতো জনপ্রিয় পদগুলো। বিশ্বকে দেখানো দরকার ছিল, ভারতের বৈচিত্র্য কেবল ভাষা ও সংস্কৃতিতেই সীমাবদ্ধ নয়, তা আমাদের আহারের থালিতেও রয়েছে। বিরোধীদের এই কটাক্ষের সুরে রসিকতা টেনে তিনি আরও বলেন, ‘মাটন-চিকেন বাদ পড়েছে পিসেমশাইরা এবার ঠিকই রুষ্ট হবেন!’
তবে বিরোধী শিবিরের এ আক্রমণ জোরালোভাবে প্রতিহত করতে সময় নেয়নি বিজেপি। তারা পাল্টা অভিযোগ তুলেছে, নীতিগত বিষয় বা কূটনৈতিক সাফল্য নিয়ে কথা না বলে খাবার নিয়ে রাজনীতি করে কংগ্রেস একটি বড় আন্তর্জাতিক আয়োজনকে হালকা করার চেষ্টা করছে।
বিজেপির মতে, সম্মেলনের মূল প্রস্তাব, বৈশ্বিক সংকট কিংবা ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরিতে ভারতের যে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে ব্যর্থ হয়েছে বিরোধীরা। বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবশালী অবস্থান দেখে কংগ্রেস ভেতরে ভেতরে মন খারাপ করে বসে আছে বলেই এ নৈশভোজের মেনু কেন্দ্র করে রাজনীতিতে মেতেছে তারা।
উল্লেখ্য, জমকালো নৈশভোজে স্টার্টার হিসেবে ‘খান্ডভি মিল-ফয়’ ও পুদিনার ফ্লেভারযুক্ত মাশরুম কাবাব অর্থাৎ ‘খুম্ব গালৌটি’ পরিবেশন করা হয়েছিল। মূল পদে ছিল ‘পনির লাবাবদার’, হিমালয়ের বিরল মাশরুম ও অ্যাসপ্যারাগাস দিয়ে তৈরি ‘গুচ্চি মার্মিক’ এবং ‘ক্যারট বিন পোরিয়াল’। এছাড়া ‘তাক্কালি বেল্লে সারু’ ডালের স্যুপ, মিলেট পোলাও, বিটরুট রায়তা এবং রকমারি ভারতীয় রুটির সঙ্গে মিষ্টির পাতে ছিল ওল্ড দিল্লি ফ্রুট ক্রিম উইথ জিলাপি ও শাহতুত ফিরনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় আমিষ খাবার খাওয়া নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কয়েকজন নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের শোরগোলের মাঝেই এ আন্তর্জাতিক নৈশভোজের মেনু কেন্দ্র করে মোদি ও কংগ্রেসের রাজনৈতিক লড়াই নতুন মাত্রা পেল।
সূত্র: এনডিটিভি

নৈশ ভোজে ব্রিকস নেতাদের যা খাওয়ালেন মোদি
২০২৭ সালের ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে চীনে







