নৈশ ভোজে ব্রিকস নেতাদের যা খাওয়ালেন মোদি

নৈশ ভোজে ব্রিকস নেতাদের যা খাওয়ালেন মোদি
সিজেডএন ডেস্ক

নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের ব্যস্ত প্রথম দিন শেষে বিশ্বনেতাদের জন্য আতিথেয়তাপূর্ণ নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বর্ধিত ব্রিকস জোটের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মানে আয়োজিত এ নৈশ ভোজে খাবারের পাশাপাশি ভারতের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়।
পুরো নৈশভোজের আয়োজনটি ছিল সম্পূর্ণ নিরামিষ। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খাবারের সঙ্গে এতে দারুণভাবে মিশে ছিল পুরোনো দিল্লির জনপ্রিয় খাবারের ছোঁয়া। ডিনারের শুরুতে অতিথিদের সামনে পরিবেশন করা হয় ‘খান্ডভি মিল-ফয়’। সরিষা, নারকেল ও কারিপাতা দিয়ে রান্না করা বেসনের এ রোলের সঙ্গে ছিল কেশর আম, মাইক্রোগ্রিন ও দইয়ের ড্রেসিং। এর পরেই আসে মাশরুমের কাবাব বা ‘খুম্ব গালৌটি’। এটি প্যানে গ্রিল করে শিরমাল রুটি ও মিন্ট পার্লসের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়।
মূল খাবারের টেবিলে ছিল নরম পনিরের পদ ‘পনির লাবাবদার’। এটি তৈরি করা হয়েছিল শ্যালট ও টমেটোর ঘন গ্রেভিতে। হিমালয়ের মোরেল মাশরুম ও অ্যাসপারাগাস দিয়ে তৈরি ‘গুচ্চি মারমিক’-এর সঙ্গে জাফরান, কিশমিশ ও মামরা বাদামের ব্যবহার খাবারে আনে ভিন্ন মাত্রা। দক্ষিণ ভারতীয় মশলা, নারকেল তেল ও তাজা নারকেল দিয়ে তৈরি গাজর ও সবুজ শিমের ‘পোরিয়াল’ খাবারের বৈচিত্র্য আরও বাড়িয়ে দেয়।
ভাতের পাতে ছিল টমেটো ও কারিপাতা দিয়ে তৈরি হালকা তুর ডালের ঝোল ‘থাক্কালি বেলে সারু’। বাসমতি চাল ও পার্ল মিলেটের সঙ্গে বিভিন্ন মৌসুমি উপকরণে রান্না করা মিলেট পোলাওয়ের সঙ্গে ছিল ঠান্ডা দই, বিটরুট ও তাজা হার্বস দিয়ে তৈরি বিটরুট রায়তা। এ ছাড়া নানা পদের ভারতীয় রুটি তো ছিলই।
খাবারের সমাপ্তিটা হয়েছিল পুরোনো দিল্লির পুরোনো ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির স্বাদ দিয়ে। বিশ্বনেতাদের পরিবেশন করা হয় মচমচে জিলাপির সঙ্গে মৌসুমি ফল ও হালকা ফেটানো ক্রিমের কম্বো ‘ওল্ড দিল্লি ফ্রুট ক্রিম উইথ জিলাপি’। পাশাপাশি ধীরে রান্না করা দুধ ও চালের পুডিং ‘শাহতুত ফিরনি’-র ওপর তুঁত ফল ও স্বর্ণের পাতার রাজকীয় সাজ সবার নজর কাড়ে।
শুধু খাবারের আয়োজনেই শেষ নয়, এ নৈশভোজের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। প্রায় ১৬০ জন শিল্পীর অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় ‘ব্রিকস সিম্ফনি’। ভারতের চিরায়ত ভরতনাট্যম, কুচিপুরি, ওডিশি ও কথক নৃত্যের জাদুকরী পরিবেশনার পাশাপাশি এতে অংশ নেন ব্রিকসের অন্য কয়েকটি সদস্যদেশের শিল্পীরাও। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে শিল্পীদের নিখুঁত নৈপুণ্য পুরো সন্ধ্যাটিকে স্মরণীয় করে তোলে।
সূত্র: এনডিটিভি

নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের ব্যস্ত প্রথম দিন শেষে বিশ্বনেতাদের জন্য আতিথেয়তাপূর্ণ নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বর্ধিত ব্রিকস জোটের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মানে আয়োজিত এ নৈশ ভোজে খাবারের পাশাপাশি ভারতের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়।
পুরো নৈশভোজের আয়োজনটি ছিল সম্পূর্ণ নিরামিষ। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খাবারের সঙ্গে এতে দারুণভাবে মিশে ছিল পুরোনো দিল্লির জনপ্রিয় খাবারের ছোঁয়া। ডিনারের শুরুতে অতিথিদের সামনে পরিবেশন করা হয় ‘খান্ডভি মিল-ফয়’। সরিষা, নারকেল ও কারিপাতা দিয়ে রান্না করা বেসনের এ রোলের সঙ্গে ছিল কেশর আম, মাইক্রোগ্রিন ও দইয়ের ড্রেসিং। এর পরেই আসে মাশরুমের কাবাব বা ‘খুম্ব গালৌটি’। এটি প্যানে গ্রিল করে শিরমাল রুটি ও মিন্ট পার্লসের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়।
মূল খাবারের টেবিলে ছিল নরম পনিরের পদ ‘পনির লাবাবদার’। এটি তৈরি করা হয়েছিল শ্যালট ও টমেটোর ঘন গ্রেভিতে। হিমালয়ের মোরেল মাশরুম ও অ্যাসপারাগাস দিয়ে তৈরি ‘গুচ্চি মারমিক’-এর সঙ্গে জাফরান, কিশমিশ ও মামরা বাদামের ব্যবহার খাবারে আনে ভিন্ন মাত্রা। দক্ষিণ ভারতীয় মশলা, নারকেল তেল ও তাজা নারকেল দিয়ে তৈরি গাজর ও সবুজ শিমের ‘পোরিয়াল’ খাবারের বৈচিত্র্য আরও বাড়িয়ে দেয়।
ভাতের পাতে ছিল টমেটো ও কারিপাতা দিয়ে তৈরি হালকা তুর ডালের ঝোল ‘থাক্কালি বেলে সারু’। বাসমতি চাল ও পার্ল মিলেটের সঙ্গে বিভিন্ন মৌসুমি উপকরণে রান্না করা মিলেট পোলাওয়ের সঙ্গে ছিল ঠান্ডা দই, বিটরুট ও তাজা হার্বস দিয়ে তৈরি বিটরুট রায়তা। এ ছাড়া নানা পদের ভারতীয় রুটি তো ছিলই।
খাবারের সমাপ্তিটা হয়েছিল পুরোনো দিল্লির পুরোনো ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির স্বাদ দিয়ে। বিশ্বনেতাদের পরিবেশন করা হয় মচমচে জিলাপির সঙ্গে মৌসুমি ফল ও হালকা ফেটানো ক্রিমের কম্বো ‘ওল্ড দিল্লি ফ্রুট ক্রিম উইথ জিলাপি’। পাশাপাশি ধীরে রান্না করা দুধ ও চালের পুডিং ‘শাহতুত ফিরনি’-র ওপর তুঁত ফল ও স্বর্ণের পাতার রাজকীয় সাজ সবার নজর কাড়ে।
শুধু খাবারের আয়োজনেই শেষ নয়, এ নৈশভোজের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। প্রায় ১৬০ জন শিল্পীর অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় ‘ব্রিকস সিম্ফনি’। ভারতের চিরায়ত ভরতনাট্যম, কুচিপুরি, ওডিশি ও কথক নৃত্যের জাদুকরী পরিবেশনার পাশাপাশি এতে অংশ নেন ব্রিকসের অন্য কয়েকটি সদস্যদেশের শিল্পীরাও। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে শিল্পীদের নিখুঁত নৈপুণ্য পুরো সন্ধ্যাটিকে স্মরণীয় করে তোলে।
সূত্র: এনডিটিভি

নৈশ ভোজে ব্রিকস নেতাদের যা খাওয়ালেন মোদি
সিজেডএন ডেস্ক

নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের ব্যস্ত প্রথম দিন শেষে বিশ্বনেতাদের জন্য আতিথেয়তাপূর্ণ নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বর্ধিত ব্রিকস জোটের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মানে আয়োজিত এ নৈশ ভোজে খাবারের পাশাপাশি ভারতের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়।
পুরো নৈশভোজের আয়োজনটি ছিল সম্পূর্ণ নিরামিষ। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খাবারের সঙ্গে এতে দারুণভাবে মিশে ছিল পুরোনো দিল্লির জনপ্রিয় খাবারের ছোঁয়া। ডিনারের শুরুতে অতিথিদের সামনে পরিবেশন করা হয় ‘খান্ডভি মিল-ফয়’। সরিষা, নারকেল ও কারিপাতা দিয়ে রান্না করা বেসনের এ রোলের সঙ্গে ছিল কেশর আম, মাইক্রোগ্রিন ও দইয়ের ড্রেসিং। এর পরেই আসে মাশরুমের কাবাব বা ‘খুম্ব গালৌটি’। এটি প্যানে গ্রিল করে শিরমাল রুটি ও মিন্ট পার্লসের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়।
মূল খাবারের টেবিলে ছিল নরম পনিরের পদ ‘পনির লাবাবদার’। এটি তৈরি করা হয়েছিল শ্যালট ও টমেটোর ঘন গ্রেভিতে। হিমালয়ের মোরেল মাশরুম ও অ্যাসপারাগাস দিয়ে তৈরি ‘গুচ্চি মারমিক’-এর সঙ্গে জাফরান, কিশমিশ ও মামরা বাদামের ব্যবহার খাবারে আনে ভিন্ন মাত্রা। দক্ষিণ ভারতীয় মশলা, নারকেল তেল ও তাজা নারকেল দিয়ে তৈরি গাজর ও সবুজ শিমের ‘পোরিয়াল’ খাবারের বৈচিত্র্য আরও বাড়িয়ে দেয়।
ভাতের পাতে ছিল টমেটো ও কারিপাতা দিয়ে তৈরি হালকা তুর ডালের ঝোল ‘থাক্কালি বেলে সারু’। বাসমতি চাল ও পার্ল মিলেটের সঙ্গে বিভিন্ন মৌসুমি উপকরণে রান্না করা মিলেট পোলাওয়ের সঙ্গে ছিল ঠান্ডা দই, বিটরুট ও তাজা হার্বস দিয়ে তৈরি বিটরুট রায়তা। এ ছাড়া নানা পদের ভারতীয় রুটি তো ছিলই।
খাবারের সমাপ্তিটা হয়েছিল পুরোনো দিল্লির পুরোনো ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির স্বাদ দিয়ে। বিশ্বনেতাদের পরিবেশন করা হয় মচমচে জিলাপির সঙ্গে মৌসুমি ফল ও হালকা ফেটানো ক্রিমের কম্বো ‘ওল্ড দিল্লি ফ্রুট ক্রিম উইথ জিলাপি’। পাশাপাশি ধীরে রান্না করা দুধ ও চালের পুডিং ‘শাহতুত ফিরনি’-র ওপর তুঁত ফল ও স্বর্ণের পাতার রাজকীয় সাজ সবার নজর কাড়ে।
শুধু খাবারের আয়োজনেই শেষ নয়, এ নৈশভোজের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। প্রায় ১৬০ জন শিল্পীর অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় ‘ব্রিকস সিম্ফনি’। ভারতের চিরায়ত ভরতনাট্যম, কুচিপুরি, ওডিশি ও কথক নৃত্যের জাদুকরী পরিবেশনার পাশাপাশি এতে অংশ নেন ব্রিকসের অন্য কয়েকটি সদস্যদেশের শিল্পীরাও। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে শিল্পীদের নিখুঁত নৈপুণ্য পুরো সন্ধ্যাটিকে স্মরণীয় করে তোলে।
সূত্র: এনডিটিভি

মোদির নৈশভোজে কেন ছিলেন না শি জিনপিং







