ব্রিকসের দিল্লি ঘোষণায় যুদ্ধ ও শুল্কের প্রতি নিন্দা প্রকাশ

ব্রিকসের দিল্লি ঘোষণায় যুদ্ধ ও শুল্কের প্রতি নিন্দা প্রকাশ
সিজেডএন ডেস্ক

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কাঠামোগত পরিবর্তনসহ বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আন্তঃবাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রা ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে জোটটি। ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত যৌথ ঘোষণা প্রকাশ করাকে ভারতের বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মেলনে জাতিসংঘে আফ্রিকা, এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার উন্নয়নশীল অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, আজকের আলোচনায় এটা স্পষ্ট যে পরিবর্তনশীল বিশ্বকে পুরোনো প্রতিষ্ঠান দিয়ে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। প্রতিনিধিত্ব, কার্যকারিতা ও নিয়ম তৈরির ক্ষেত্রে সংস্কার জরুরি। তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতের প্রযুক্তি এবং সেগুলো পরিচালনার নিয়ম তৈরিতে গ্লোবাল সাউথের সমান অংশগ্রহণ থাকা উচিত-এ বিষয়েও আমরা গুরুত্ব দিয়েছি।’ এছাড়া ঘোষণায় সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলারও কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।
বিশ্ববাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতি প্রসঙ্গে ঘোষণায় ডাব্লিউটিওর নিয়ম লঙ্ঘন করে নির্বিচারে শুল্ক ও অশুল্ক ব্যবস্থা বাড়ানোর প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ‘একতরফাভাবে শুল্ক ও অশুল্ক ব্যবস্থা বাড়ানোর ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।’ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম না নিয়ে সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা জানানো হয়েছে এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্য ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারত ও ব্রাজিলের আরও বড় ভূমিকার প্রতি নিজেদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন ও রাশিয়া।
এদিকে এই সম্মেলনের ফাঁকে দীর্ঘ ৭ বছর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। নয়াদিল্লির এ বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
শি জিনপিং তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক বছরে মোদির সঙ্গে তার ২১ বার বৈঠক হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে জাতীয় পরিস্থিতির পার্থক্য থাকলেও একে অন্যের শক্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে অভিন্ন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
সূত্র: এনডিটিভি

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কাঠামোগত পরিবর্তনসহ বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আন্তঃবাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রা ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে জোটটি। ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত যৌথ ঘোষণা প্রকাশ করাকে ভারতের বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মেলনে জাতিসংঘে আফ্রিকা, এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার উন্নয়নশীল অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, আজকের আলোচনায় এটা স্পষ্ট যে পরিবর্তনশীল বিশ্বকে পুরোনো প্রতিষ্ঠান দিয়ে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। প্রতিনিধিত্ব, কার্যকারিতা ও নিয়ম তৈরির ক্ষেত্রে সংস্কার জরুরি। তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতের প্রযুক্তি এবং সেগুলো পরিচালনার নিয়ম তৈরিতে গ্লোবাল সাউথের সমান অংশগ্রহণ থাকা উচিত-এ বিষয়েও আমরা গুরুত্ব দিয়েছি।’ এছাড়া ঘোষণায় সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলারও কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।
বিশ্ববাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতি প্রসঙ্গে ঘোষণায় ডাব্লিউটিওর নিয়ম লঙ্ঘন করে নির্বিচারে শুল্ক ও অশুল্ক ব্যবস্থা বাড়ানোর প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ‘একতরফাভাবে শুল্ক ও অশুল্ক ব্যবস্থা বাড়ানোর ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।’ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম না নিয়ে সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা জানানো হয়েছে এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্য ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারত ও ব্রাজিলের আরও বড় ভূমিকার প্রতি নিজেদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন ও রাশিয়া।
এদিকে এই সম্মেলনের ফাঁকে দীর্ঘ ৭ বছর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। নয়াদিল্লির এ বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
শি জিনপিং তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক বছরে মোদির সঙ্গে তার ২১ বার বৈঠক হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে জাতীয় পরিস্থিতির পার্থক্য থাকলেও একে অন্যের শক্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে অভিন্ন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
সূত্র: এনডিটিভি

ব্রিকসের দিল্লি ঘোষণায় যুদ্ধ ও শুল্কের প্রতি নিন্দা প্রকাশ
সিজেডএন ডেস্ক

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কাঠামোগত পরিবর্তনসহ বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আন্তঃবাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রা ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে জোটটি। ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত যৌথ ঘোষণা প্রকাশ করাকে ভারতের বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মেলনে জাতিসংঘে আফ্রিকা, এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার উন্নয়নশীল অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, আজকের আলোচনায় এটা স্পষ্ট যে পরিবর্তনশীল বিশ্বকে পুরোনো প্রতিষ্ঠান দিয়ে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। প্রতিনিধিত্ব, কার্যকারিতা ও নিয়ম তৈরির ক্ষেত্রে সংস্কার জরুরি। তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতের প্রযুক্তি এবং সেগুলো পরিচালনার নিয়ম তৈরিতে গ্লোবাল সাউথের সমান অংশগ্রহণ থাকা উচিত-এ বিষয়েও আমরা গুরুত্ব দিয়েছি।’ এছাড়া ঘোষণায় সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলারও কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।
বিশ্ববাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতি প্রসঙ্গে ঘোষণায় ডাব্লিউটিওর নিয়ম লঙ্ঘন করে নির্বিচারে শুল্ক ও অশুল্ক ব্যবস্থা বাড়ানোর প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ‘একতরফাভাবে শুল্ক ও অশুল্ক ব্যবস্থা বাড়ানোর ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।’ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম না নিয়ে সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা জানানো হয়েছে এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্য ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারত ও ব্রাজিলের আরও বড় ভূমিকার প্রতি নিজেদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন ও রাশিয়া।
এদিকে এই সম্মেলনের ফাঁকে দীর্ঘ ৭ বছর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। নয়াদিল্লির এ বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
শি জিনপিং তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক বছরে মোদির সঙ্গে তার ২১ বার বৈঠক হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে জাতীয় পরিস্থিতির পার্থক্য থাকলেও একে অন্যের শক্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে অভিন্ন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
সূত্র: এনডিটিভি

ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ‘সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা’ বিশ্বনেতাদের








