স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন’ চুক্তি স্থগিত ইতালির

স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন’ চুক্তি স্থগিত ইতালির
সিজেডএন ডেস্ক

মরক্কো সীমান্তবর্তী স্পেনের ছিটমহল সেউতায় হঠাৎ বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর অনুপ্রবেশের জের ধরে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে ইতালি। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে স্পেনের সঙ্গে মুক্ত সীমান্ত সংক্রান্ত ‘শেনজেন’ চুক্তি এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে রোম।
তবে ইতালীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কড়াকড়ির প্রভাব সাধারণ পর্যটক কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকদের ওপর পড়বে না। মূলত স্পেন থেকে আকাশ বা সমুদ্রপথে আগত অ-ইউরোপীয় দেশের নাগরিকদের ওপরই এ বিশেষ নজরদারি ও তল্লাশি চালানো হবে।
এ বিষয়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানান, দেশের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখতে এটি একটি জরুরি ও বিশেষ পদক্ষেপ। গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মৌসুমে সাধারণ ভ্রমণকারীদের ভোগান্তি যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্যই এটি বলবৎ রাখা হবে। এছাড়া স্থল সীমান্ত না থাকা সত্ত্বেও ফ্রান্স সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্যারিসের সঙ্গেও সমঝোতার মাধ্যমে তল্লাশি জোরদার করেছে ইতালি।
অবশ্য সরকারের এমন পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে দেশটির বিরোধী দলগুলো। স্পেনের তথ্য অনুযায়ী, সেউতায় আসা প্রায় ৫০ হাজার অভিবাসীর একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে স্বেচ্ছায় মরক্কোয় ফিরে গেছেন এবং তাদের ইতালিতে যাওয়ার কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে বিরোধীরা এই পদক্ষেপকে লোকদেখানো ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
মূলত ২০২২ সালে অবৈধ অভিবাসন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসে মেলোনি সরকার। বর্তমানে তারা সাবেক সেনা কর্মকর্তা রবার্তো ভান্নাচ্চির নেতৃত্বাধীন একটি নতুন কট্টর-ডানপন্থী দলের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা পিয়েরো দে লুকা অভিযোগ করেন, মূল সমস্যার সমাধান না করে অভ্যন্তরীণ ভোটব্যাংক ধরে রাখতেই সরকার স্পেনের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি করে এমন জনতুষ্টিমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উল্লেখ্য, ইউরোপের শেনজেন অঞ্চলের ২৯টি দেশে সাধারণত পাসপোর্ট ছাড়াই ভ্রমণের মুক্ত সুবিধা রয়েছে। তবে বিশেষ নিরাপত্তা বা জনস্বার্থের প্রয়োজন দেখা দিলে যেকোনো সদস্য রাষ্ট্র সাময়িকভাবে নিজ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

মরক্কো সীমান্তবর্তী স্পেনের ছিটমহল সেউতায় হঠাৎ বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর অনুপ্রবেশের জের ধরে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে ইতালি। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে স্পেনের সঙ্গে মুক্ত সীমান্ত সংক্রান্ত ‘শেনজেন’ চুক্তি এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে রোম।
তবে ইতালীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কড়াকড়ির প্রভাব সাধারণ পর্যটক কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকদের ওপর পড়বে না। মূলত স্পেন থেকে আকাশ বা সমুদ্রপথে আগত অ-ইউরোপীয় দেশের নাগরিকদের ওপরই এ বিশেষ নজরদারি ও তল্লাশি চালানো হবে।
এ বিষয়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানান, দেশের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখতে এটি একটি জরুরি ও বিশেষ পদক্ষেপ। গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মৌসুমে সাধারণ ভ্রমণকারীদের ভোগান্তি যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্যই এটি বলবৎ রাখা হবে। এছাড়া স্থল সীমান্ত না থাকা সত্ত্বেও ফ্রান্স সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্যারিসের সঙ্গেও সমঝোতার মাধ্যমে তল্লাশি জোরদার করেছে ইতালি।
অবশ্য সরকারের এমন পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে দেশটির বিরোধী দলগুলো। স্পেনের তথ্য অনুযায়ী, সেউতায় আসা প্রায় ৫০ হাজার অভিবাসীর একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে স্বেচ্ছায় মরক্কোয় ফিরে গেছেন এবং তাদের ইতালিতে যাওয়ার কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে বিরোধীরা এই পদক্ষেপকে লোকদেখানো ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
মূলত ২০২২ সালে অবৈধ অভিবাসন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসে মেলোনি সরকার। বর্তমানে তারা সাবেক সেনা কর্মকর্তা রবার্তো ভান্নাচ্চির নেতৃত্বাধীন একটি নতুন কট্টর-ডানপন্থী দলের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা পিয়েরো দে লুকা অভিযোগ করেন, মূল সমস্যার সমাধান না করে অভ্যন্তরীণ ভোটব্যাংক ধরে রাখতেই সরকার স্পেনের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি করে এমন জনতুষ্টিমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উল্লেখ্য, ইউরোপের শেনজেন অঞ্চলের ২৯টি দেশে সাধারণত পাসপোর্ট ছাড়াই ভ্রমণের মুক্ত সুবিধা রয়েছে। তবে বিশেষ নিরাপত্তা বা জনস্বার্থের প্রয়োজন দেখা দিলে যেকোনো সদস্য রাষ্ট্র সাময়িকভাবে নিজ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন’ চুক্তি স্থগিত ইতালির
সিজেডএন ডেস্ক

মরক্কো সীমান্তবর্তী স্পেনের ছিটমহল সেউতায় হঠাৎ বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর অনুপ্রবেশের জের ধরে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে ইতালি। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে স্পেনের সঙ্গে মুক্ত সীমান্ত সংক্রান্ত ‘শেনজেন’ চুক্তি এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে রোম।
তবে ইতালীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কড়াকড়ির প্রভাব সাধারণ পর্যটক কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকদের ওপর পড়বে না। মূলত স্পেন থেকে আকাশ বা সমুদ্রপথে আগত অ-ইউরোপীয় দেশের নাগরিকদের ওপরই এ বিশেষ নজরদারি ও তল্লাশি চালানো হবে।
এ বিষয়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানান, দেশের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখতে এটি একটি জরুরি ও বিশেষ পদক্ষেপ। গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মৌসুমে সাধারণ ভ্রমণকারীদের ভোগান্তি যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্যই এটি বলবৎ রাখা হবে। এছাড়া স্থল সীমান্ত না থাকা সত্ত্বেও ফ্রান্স সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্যারিসের সঙ্গেও সমঝোতার মাধ্যমে তল্লাশি জোরদার করেছে ইতালি।
অবশ্য সরকারের এমন পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে দেশটির বিরোধী দলগুলো। স্পেনের তথ্য অনুযায়ী, সেউতায় আসা প্রায় ৫০ হাজার অভিবাসীর একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে স্বেচ্ছায় মরক্কোয় ফিরে গেছেন এবং তাদের ইতালিতে যাওয়ার কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে বিরোধীরা এই পদক্ষেপকে লোকদেখানো ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
মূলত ২০২২ সালে অবৈধ অভিবাসন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসে মেলোনি সরকার। বর্তমানে তারা সাবেক সেনা কর্মকর্তা রবার্তো ভান্নাচ্চির নেতৃত্বাধীন একটি নতুন কট্টর-ডানপন্থী দলের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা পিয়েরো দে লুকা অভিযোগ করেন, মূল সমস্যার সমাধান না করে অভ্যন্তরীণ ভোটব্যাংক ধরে রাখতেই সরকার স্পেনের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি করে এমন জনতুষ্টিমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উল্লেখ্য, ইউরোপের শেনজেন অঞ্চলের ২৯টি দেশে সাধারণত পাসপোর্ট ছাড়াই ভ্রমণের মুক্ত সুবিধা রয়েছে। তবে বিশেষ নিরাপত্তা বা জনস্বার্থের প্রয়োজন দেখা দিলে যেকোনো সদস্য রাষ্ট্র সাময়িকভাবে নিজ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

স্পেনকে ‘শেনজেন’ থেকে বাদ দেওয়ার আহ্বান মেলোনির


-CznNewsLab-2c9955-256x144.webp)




