রাশিয়ায় গ্যাসের পাইপলাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি নিহত, নিখোঁজ ২

রাশিয়ায় গ্যাসের পাইপলাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি নিহত, নিখোঁজ ২
সিজেডএন ডেস্ক

রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে টেস্টিং চলাকালে পাইপলাইনের ভয়াবহ বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। মস্কো থেকে প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ প্রজেক্টে দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশিসহ মোট সাতজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৫ জন বাংলাদেশিসহ প্রায় অর্ধশত বিদেশি শ্রমিক আহত হয়েছেন।
নিহত বাংলাদেশির নাম জাকির হোসেন, যার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। ঢাকা ও মস্কোর দায়িত্বশীল সূত্রে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, পাইপলাইনের চাপ পরীক্ষা করার সময় আচমকা পাইপ ফেটে যায়। পাইপলাইনের চেক ভালভ পুড়ে গিয়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলে পুরো এলাকায় আগুন ধরে যায়। এতে রুশ, চীনা, বাংলাদেশি, নেপালি, আজারবাইজানি, উজবেক ও তাজিক নাগরিকসহ ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মী হতাহত হন।
প্রকল্পের প্ল্যান্ট-০৪ ও প্ল্যান্ট-১০ মিলে মোট ৩৫ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে প্ল্যান্ট-১০-এ দায়িত্বরত ২৩ জন বাংলাদেশির মধ্যে ৯ জন নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ১২ জন কর্মীকে ডরমিটরিতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে এখনো দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্ঘটনার পরপরই প্রতিষ্ঠানের উদ্ধারকারী দল তড়িঘড়ি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। গুরুতর আহত কর্মীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চীনা সীমান্ত সংলগ্ন ব্লাগোভেশচেনস্ক অঞ্চলের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ দুই বাংলাদেশিও চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেই হাসপাতালে থাকতে পারেন।
চীনা প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের অধীন নির্মাণাধীন ‘আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্স’ প্রজেক্টটির কাজ এখন একদম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৫ সালে প্রায় ২ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি কর্মী এই সংস্থায় যোগ দিতে রাশিয়া যান। বর্তমানে দুটি প্ল্যান্ট মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ৬০০ জন বাংলাদেশি কর্মী সেখানে কর্মরত আছেন।

রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে টেস্টিং চলাকালে পাইপলাইনের ভয়াবহ বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। মস্কো থেকে প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ প্রজেক্টে দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশিসহ মোট সাতজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৫ জন বাংলাদেশিসহ প্রায় অর্ধশত বিদেশি শ্রমিক আহত হয়েছেন।
নিহত বাংলাদেশির নাম জাকির হোসেন, যার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। ঢাকা ও মস্কোর দায়িত্বশীল সূত্রে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, পাইপলাইনের চাপ পরীক্ষা করার সময় আচমকা পাইপ ফেটে যায়। পাইপলাইনের চেক ভালভ পুড়ে গিয়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলে পুরো এলাকায় আগুন ধরে যায়। এতে রুশ, চীনা, বাংলাদেশি, নেপালি, আজারবাইজানি, উজবেক ও তাজিক নাগরিকসহ ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মী হতাহত হন।
প্রকল্পের প্ল্যান্ট-০৪ ও প্ল্যান্ট-১০ মিলে মোট ৩৫ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে প্ল্যান্ট-১০-এ দায়িত্বরত ২৩ জন বাংলাদেশির মধ্যে ৯ জন নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ১২ জন কর্মীকে ডরমিটরিতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে এখনো দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্ঘটনার পরপরই প্রতিষ্ঠানের উদ্ধারকারী দল তড়িঘড়ি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। গুরুতর আহত কর্মীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চীনা সীমান্ত সংলগ্ন ব্লাগোভেশচেনস্ক অঞ্চলের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ দুই বাংলাদেশিও চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেই হাসপাতালে থাকতে পারেন।
চীনা প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের অধীন নির্মাণাধীন ‘আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্স’ প্রজেক্টটির কাজ এখন একদম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৫ সালে প্রায় ২ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি কর্মী এই সংস্থায় যোগ দিতে রাশিয়া যান। বর্তমানে দুটি প্ল্যান্ট মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ৬০০ জন বাংলাদেশি কর্মী সেখানে কর্মরত আছেন।

রাশিয়ায় গ্যাসের পাইপলাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি নিহত, নিখোঁজ ২
সিজেডএন ডেস্ক

রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে টেস্টিং চলাকালে পাইপলাইনের ভয়াবহ বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। মস্কো থেকে প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ প্রজেক্টে দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশিসহ মোট সাতজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৫ জন বাংলাদেশিসহ প্রায় অর্ধশত বিদেশি শ্রমিক আহত হয়েছেন।
নিহত বাংলাদেশির নাম জাকির হোসেন, যার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। ঢাকা ও মস্কোর দায়িত্বশীল সূত্রে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, পাইপলাইনের চাপ পরীক্ষা করার সময় আচমকা পাইপ ফেটে যায়। পাইপলাইনের চেক ভালভ পুড়ে গিয়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলে পুরো এলাকায় আগুন ধরে যায়। এতে রুশ, চীনা, বাংলাদেশি, নেপালি, আজারবাইজানি, উজবেক ও তাজিক নাগরিকসহ ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মী হতাহত হন।
প্রকল্পের প্ল্যান্ট-০৪ ও প্ল্যান্ট-১০ মিলে মোট ৩৫ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে প্ল্যান্ট-১০-এ দায়িত্বরত ২৩ জন বাংলাদেশির মধ্যে ৯ জন নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ১২ জন কর্মীকে ডরমিটরিতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে এখনো দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্ঘটনার পরপরই প্রতিষ্ঠানের উদ্ধারকারী দল তড়িঘড়ি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। গুরুতর আহত কর্মীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চীনা সীমান্ত সংলগ্ন ব্লাগোভেশচেনস্ক অঞ্চলের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ দুই বাংলাদেশিও চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেই হাসপাতালে থাকতে পারেন।
চীনা প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের অধীন নির্মাণাধীন ‘আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্স’ প্রজেক্টটির কাজ এখন একদম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৫ সালে প্রায় ২ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি কর্মী এই সংস্থায় যোগ দিতে রাশিয়া যান। বর্তমানে দুটি প্ল্যান্ট মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ৬০০ জন বাংলাদেশি কর্মী সেখানে কর্মরত আছেন।

সেপ্টেম্বরে আরও ৩ লাখ নতুন সেনা নিয়োগ দেবে রাশিয়া: জেলেনস্কি




-CznNewsLab-864536.jpg)
