প্রথম বিদেশ সফরেই কিয়েভে বার্নহাম, ইউক্রেনকে পূর্ণ সহায়তার ঘোষণা

প্রথম বিদেশ সফরেই কিয়েভে বার্নহাম, ইউক্রেনকে পূর্ণ সহায়তার ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে সোমবার (২৪ আগস্ট) ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। দেশটির স্বাধীনতা দিবসে এ সফরের তিনি জানান, রাশিয়ার কোনো হুমকি যুক্তরাজ্যেকে দমাতে পারবে না। ইউক্রেনীয় জনগণের পাশে যুক্তরাজ্য সবসময়ই থাকবে।
ইউক্রেনকে সামরিকভাবে আরও সক্ষম করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন বার্নহাম। তিনি জানান, ফরাসি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র স্ক্যাল্প-এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্রিটিশ যন্ত্রাংশের গোপনীয় তথ্য প্রকাশের জন্য প্রতিরক্ষা সংস্থা এমবিডিএ (MBDA)-কে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত যুক্তরাজ্যের স্টর্ম শ্যাডোর ফরাসি সংস্করণ এবং দুটি অস্ত্রেই উভয় দেশের প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ২০২৩ সালে প্রথম দেশ হিসেবে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার অস্ত্র দেয় যুক্তরাজ্য
কিয়েভে অবস্থানকালে বার্নহাম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় গঠিত ‘কোয়ালিশন অফ দ্য উইলিং’-এর প্রথম বৈঠকে সহ-সভাপতিত্ব করেন। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সামনে তিনি ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্ব ধরে রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, ‘ইউক্রেনের স্বাধীনতার ৩৫তম বার্ষিকীতে, দেশটির জনগণের মনে কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়, যুক্তরাজ্য আজ এবং যতদিন প্রয়োজন, আপনাদের পাশে আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের প্রতি আমাদের দেশের অবদানের জন্য আমি গর্বিত এবং আমি ইউক্রেনের জনগণকে বলতে চাই, আমাদের সমর্থন অটল থাকবে। সর্বোপরি, ইউক্রেনের নিরাপত্তাই আমাদের নিরাপত্তা।’
যুদ্ধের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘রাশিয়ার অবৈধ যুদ্ধের চেয়েও আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্ব দীর্ঘকাল টিকে থাকবে। এ সংগ্রামে ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায়, আমরা ইউক্রেনের পাশে থাকব এবং আমাদের উভয় দেশের মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেব।’
ক্রেমলিনকে সতর্ক করে তিনি, ‘আমাদের সংকল্প নিয়ে রাশিয়ার মনে কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা পিছু হটব না।’
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান মিত্র হিসেবে পাশে রয়েছে যুক্তরাজ্য। শতবর্ষী অংশীদারিত্বের ওপর ভর করে তারা মোট ২৫ বিলিয়ন পাউন্ডের সাহায্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে ১৬ বিলিয়ন পাউন্ড সামরিক এবং ৫.৬ বিলিয়ন পাউন্ড বেসামরিক সহায়তা। এ অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে বার্নহামকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হবে।
সূত্র ডয়েচ ভেলে

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে সোমবার (২৪ আগস্ট) ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। দেশটির স্বাধীনতা দিবসে এ সফরের তিনি জানান, রাশিয়ার কোনো হুমকি যুক্তরাজ্যেকে দমাতে পারবে না। ইউক্রেনীয় জনগণের পাশে যুক্তরাজ্য সবসময়ই থাকবে।
ইউক্রেনকে সামরিকভাবে আরও সক্ষম করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন বার্নহাম। তিনি জানান, ফরাসি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র স্ক্যাল্প-এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্রিটিশ যন্ত্রাংশের গোপনীয় তথ্য প্রকাশের জন্য প্রতিরক্ষা সংস্থা এমবিডিএ (MBDA)-কে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত যুক্তরাজ্যের স্টর্ম শ্যাডোর ফরাসি সংস্করণ এবং দুটি অস্ত্রেই উভয় দেশের প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ২০২৩ সালে প্রথম দেশ হিসেবে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার অস্ত্র দেয় যুক্তরাজ্য
কিয়েভে অবস্থানকালে বার্নহাম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় গঠিত ‘কোয়ালিশন অফ দ্য উইলিং’-এর প্রথম বৈঠকে সহ-সভাপতিত্ব করেন। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সামনে তিনি ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্ব ধরে রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, ‘ইউক্রেনের স্বাধীনতার ৩৫তম বার্ষিকীতে, দেশটির জনগণের মনে কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়, যুক্তরাজ্য আজ এবং যতদিন প্রয়োজন, আপনাদের পাশে আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের প্রতি আমাদের দেশের অবদানের জন্য আমি গর্বিত এবং আমি ইউক্রেনের জনগণকে বলতে চাই, আমাদের সমর্থন অটল থাকবে। সর্বোপরি, ইউক্রেনের নিরাপত্তাই আমাদের নিরাপত্তা।’
যুদ্ধের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘রাশিয়ার অবৈধ যুদ্ধের চেয়েও আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্ব দীর্ঘকাল টিকে থাকবে। এ সংগ্রামে ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায়, আমরা ইউক্রেনের পাশে থাকব এবং আমাদের উভয় দেশের মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেব।’
ক্রেমলিনকে সতর্ক করে তিনি, ‘আমাদের সংকল্প নিয়ে রাশিয়ার মনে কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা পিছু হটব না।’
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান মিত্র হিসেবে পাশে রয়েছে যুক্তরাজ্য। শতবর্ষী অংশীদারিত্বের ওপর ভর করে তারা মোট ২৫ বিলিয়ন পাউন্ডের সাহায্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে ১৬ বিলিয়ন পাউন্ড সামরিক এবং ৫.৬ বিলিয়ন পাউন্ড বেসামরিক সহায়তা। এ অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে বার্নহামকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হবে।
সূত্র ডয়েচ ভেলে

প্রথম বিদেশ সফরেই কিয়েভে বার্নহাম, ইউক্রেনকে পূর্ণ সহায়তার ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে সোমবার (২৪ আগস্ট) ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। দেশটির স্বাধীনতা দিবসে এ সফরের তিনি জানান, রাশিয়ার কোনো হুমকি যুক্তরাজ্যেকে দমাতে পারবে না। ইউক্রেনীয় জনগণের পাশে যুক্তরাজ্য সবসময়ই থাকবে।
ইউক্রেনকে সামরিকভাবে আরও সক্ষম করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন বার্নহাম। তিনি জানান, ফরাসি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র স্ক্যাল্প-এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্রিটিশ যন্ত্রাংশের গোপনীয় তথ্য প্রকাশের জন্য প্রতিরক্ষা সংস্থা এমবিডিএ (MBDA)-কে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত যুক্তরাজ্যের স্টর্ম শ্যাডোর ফরাসি সংস্করণ এবং দুটি অস্ত্রেই উভয় দেশের প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ২০২৩ সালে প্রথম দেশ হিসেবে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার অস্ত্র দেয় যুক্তরাজ্য
কিয়েভে অবস্থানকালে বার্নহাম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় গঠিত ‘কোয়ালিশন অফ দ্য উইলিং’-এর প্রথম বৈঠকে সহ-সভাপতিত্ব করেন। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সামনে তিনি ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্ব ধরে রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, ‘ইউক্রেনের স্বাধীনতার ৩৫তম বার্ষিকীতে, দেশটির জনগণের মনে কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়, যুক্তরাজ্য আজ এবং যতদিন প্রয়োজন, আপনাদের পাশে আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের প্রতি আমাদের দেশের অবদানের জন্য আমি গর্বিত এবং আমি ইউক্রেনের জনগণকে বলতে চাই, আমাদের সমর্থন অটল থাকবে। সর্বোপরি, ইউক্রেনের নিরাপত্তাই আমাদের নিরাপত্তা।’
যুদ্ধের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘রাশিয়ার অবৈধ যুদ্ধের চেয়েও আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্ব দীর্ঘকাল টিকে থাকবে। এ সংগ্রামে ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায়, আমরা ইউক্রেনের পাশে থাকব এবং আমাদের উভয় দেশের মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেব।’
ক্রেমলিনকে সতর্ক করে তিনি, ‘আমাদের সংকল্প নিয়ে রাশিয়ার মনে কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা পিছু হটব না।’
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান মিত্র হিসেবে পাশে রয়েছে যুক্তরাজ্য। শতবর্ষী অংশীদারিত্বের ওপর ভর করে তারা মোট ২৫ বিলিয়ন পাউন্ডের সাহায্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে ১৬ বিলিয়ন পাউন্ড সামরিক এবং ৫.৬ বিলিয়ন পাউন্ড বেসামরিক সহায়তা। এ অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে বার্নহামকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হবে।
সূত্র ডয়েচ ভেলে

যুক্তরাজ্যে অজু ও এশীয়দের চাল ধোয়ায় পানি সাশ্রয়ের পরামর্শ
ইরানি হ্যাকারদের হামলায় বন্ধ ছিলো যুক্তরাজ্যের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে 




