স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে বিরোধী দলের এমপিরা কান্নাকাটি করছেন: রাশেদ খান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে বিরোধী দলের এমপিরা কান্নাকাটি করছেন: রাশেদ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদকে সামলাতে বিরোধী দলের ৯০ জন এমপির কান্নাকাটি করা লাগছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খান লিখেন, ছায়া প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদ ঘোষণার পর আজকে প্রথম সংসদে গেছে জামায়াতের আমির। ছায়া প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদের একটা গরম আছে না? সেই গরমে একযোগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে অ্যাটাক শুরু করেছে।
তিনি লিখেন, বিরোধীদলের সব এমপিরা দাঁড়িয়ে যাচ্ছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কথা বলতে দিবে না! কিন্তু সরকারি দলের এমপিরা বেশ ভদ্রতা দেখাচ্ছে। তারা চাইলে জামায়াতের আমিরের বক্তব্যের সময় হৈচৈ কিংবা পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে পারতো। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আছে, সুতরাং বিএনপিকে দায়িত্বশীল হতেই হবে।
রাশেদ খান লিখেন, এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে বিরোধীদলের ৯০ জন এমপির কান্নাকাটি করা লাগছে! সুতরাং সংসদে যারা বিএনপির এমপি আছে, তারাও যদি সালাউদ্দিন আহমেদের মতো বলা শুরু করে, তবে বিরোধীদলের এমপিরা বলা শুরু করবে, ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি, আমরা আর খেলবো না!
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, এদেরকে আর বেশি যুক্তিতর্ক দিয়ে ধরিয়েন না, মাঝেমধ্যে অযৌক্তিক কথা হলেও বলতে থাকুক। শুনতে ভালো লাগবে না, তারপরেও তাদের বলতে দিতে হবে। বলতে বলতেই তারা শিখবে। তারা তো এখনো আপনার ছাত্র হওয়ার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারে নি যে, আপনার সাথে হাল্কা যুক্তি দিতে তর্ক করতে পারবে!

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদকে সামলাতে বিরোধী দলের ৯০ জন এমপির কান্নাকাটি করা লাগছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খান লিখেন, ছায়া প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদ ঘোষণার পর আজকে প্রথম সংসদে গেছে জামায়াতের আমির। ছায়া প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদের একটা গরম আছে না? সেই গরমে একযোগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে অ্যাটাক শুরু করেছে।
তিনি লিখেন, বিরোধীদলের সব এমপিরা দাঁড়িয়ে যাচ্ছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কথা বলতে দিবে না! কিন্তু সরকারি দলের এমপিরা বেশ ভদ্রতা দেখাচ্ছে। তারা চাইলে জামায়াতের আমিরের বক্তব্যের সময় হৈচৈ কিংবা পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে পারতো। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আছে, সুতরাং বিএনপিকে দায়িত্বশীল হতেই হবে।
রাশেদ খান লিখেন, এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে বিরোধীদলের ৯০ জন এমপির কান্নাকাটি করা লাগছে! সুতরাং সংসদে যারা বিএনপির এমপি আছে, তারাও যদি সালাউদ্দিন আহমেদের মতো বলা শুরু করে, তবে বিরোধীদলের এমপিরা বলা শুরু করবে, ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি, আমরা আর খেলবো না!
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, এদেরকে আর বেশি যুক্তিতর্ক দিয়ে ধরিয়েন না, মাঝেমধ্যে অযৌক্তিক কথা হলেও বলতে থাকুক। শুনতে ভালো লাগবে না, তারপরেও তাদের বলতে দিতে হবে। বলতে বলতেই তারা শিখবে। তারা তো এখনো আপনার ছাত্র হওয়ার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারে নি যে, আপনার সাথে হাল্কা যুক্তি দিতে তর্ক করতে পারবে!

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে বিরোধী দলের এমপিরা কান্নাকাটি করছেন: রাশেদ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদকে সামলাতে বিরোধী দলের ৯০ জন এমপির কান্নাকাটি করা লাগছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খান লিখেন, ছায়া প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদ ঘোষণার পর আজকে প্রথম সংসদে গেছে জামায়াতের আমির। ছায়া প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদের একটা গরম আছে না? সেই গরমে একযোগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে অ্যাটাক শুরু করেছে।
তিনি লিখেন, বিরোধীদলের সব এমপিরা দাঁড়িয়ে যাচ্ছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কথা বলতে দিবে না! কিন্তু সরকারি দলের এমপিরা বেশ ভদ্রতা দেখাচ্ছে। তারা চাইলে জামায়াতের আমিরের বক্তব্যের সময় হৈচৈ কিংবা পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে পারতো। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আছে, সুতরাং বিএনপিকে দায়িত্বশীল হতেই হবে।
রাশেদ খান লিখেন, এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে বিরোধীদলের ৯০ জন এমপির কান্নাকাটি করা লাগছে! সুতরাং সংসদে যারা বিএনপির এমপি আছে, তারাও যদি সালাউদ্দিন আহমেদের মতো বলা শুরু করে, তবে বিরোধীদলের এমপিরা বলা শুরু করবে, ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি, আমরা আর খেলবো না!
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, এদেরকে আর বেশি যুক্তিতর্ক দিয়ে ধরিয়েন না, মাঝেমধ্যে অযৌক্তিক কথা হলেও বলতে থাকুক। শুনতে ভালো লাগবে না, তারপরেও তাদের বলতে দিতে হবে। বলতে বলতেই তারা শিখবে। তারা তো এখনো আপনার ছাত্র হওয়ার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারে নি যে, আপনার সাথে হাল্কা যুক্তি দিতে তর্ক করতে পারবে!

দলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী





