নেপালে বন্যায় উদ্ধার কাজে ১৩ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন

নেপালে বন্যায় উদ্ধার কাজে ১৩ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালের রাসুয়া জেলায় ভোতেকোশী নদীর ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহতের সংখ্যা সাড়ে তিনশ ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ও বন্যাকবলিত দুর্গতদের দ্রুত উদ্ধারে ১৩ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে নেপাল সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নেপাল নিউজ জানায়, তল্লাশি ও ত্রাণ বিতরণ ত্বরান্বিত করতে সব মিলিয়ে ১৩ হাজার ২৯৫ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিশাল উদ্ধার বহরে নেপাল পুলিশের ৭ হাজার ২৫০ জন, সেনাবাহিনীর ৪ হাজার ২০০ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) ১ হাজার ৮৪৫ জন সদস্য সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। একাধিক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় সেনা ও বেসরকারি বিমান সংস্থার হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আকাশ ও স্থল- দুই পথেই একযোগে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) হিসাবে, প্রতিকূল আবহাওয়া আর নদীর উত্তাল স্রোত সামলেই দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা। এখন পর্যন্ত সংস্থাগুলোর পরিচালিত ৬৯টি হেলিকপ্টার ফ্লাইটের মাধ্যমে বন্যাকবলিত দুর্গম অঞ্চল থেকে ৩৫১ জনকে জীবিত ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে রাসুয়ার ভোতেকোশী নদীতে আচমকা পাহাড়ি ঢল নামতে শুরু করলে মুহূর্তে নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি জেলা ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৩৫৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে বা পানিতে ভেসে নিখোঁজ থাকা সহস্রাধিক মানুষের সন্ধানে এখনও তল্লাশি চালানো হচ্ছে, যাদের মধ্যে অনেকেই বিদেশি নাগরিক। বিচ্ছিন্ন ও দুর্গম এলাকাগুলোতে এখনও উদ্ধার কাজ পৌঁছে দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী সর্বোচ্চ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

নেপালের রাসুয়া জেলায় ভোতেকোশী নদীর ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহতের সংখ্যা সাড়ে তিনশ ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ও বন্যাকবলিত দুর্গতদের দ্রুত উদ্ধারে ১৩ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে নেপাল সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নেপাল নিউজ জানায়, তল্লাশি ও ত্রাণ বিতরণ ত্বরান্বিত করতে সব মিলিয়ে ১৩ হাজার ২৯৫ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিশাল উদ্ধার বহরে নেপাল পুলিশের ৭ হাজার ২৫০ জন, সেনাবাহিনীর ৪ হাজার ২০০ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) ১ হাজার ৮৪৫ জন সদস্য সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। একাধিক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় সেনা ও বেসরকারি বিমান সংস্থার হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আকাশ ও স্থল- দুই পথেই একযোগে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) হিসাবে, প্রতিকূল আবহাওয়া আর নদীর উত্তাল স্রোত সামলেই দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা। এখন পর্যন্ত সংস্থাগুলোর পরিচালিত ৬৯টি হেলিকপ্টার ফ্লাইটের মাধ্যমে বন্যাকবলিত দুর্গম অঞ্চল থেকে ৩৫১ জনকে জীবিত ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে রাসুয়ার ভোতেকোশী নদীতে আচমকা পাহাড়ি ঢল নামতে শুরু করলে মুহূর্তে নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি জেলা ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৩৫৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে বা পানিতে ভেসে নিখোঁজ থাকা সহস্রাধিক মানুষের সন্ধানে এখনও তল্লাশি চালানো হচ্ছে, যাদের মধ্যে অনেকেই বিদেশি নাগরিক। বিচ্ছিন্ন ও দুর্গম এলাকাগুলোতে এখনও উদ্ধার কাজ পৌঁছে দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী সর্বোচ্চ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

নেপালে বন্যায় উদ্ধার কাজে ১৩ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালের রাসুয়া জেলায় ভোতেকোশী নদীর ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহতের সংখ্যা সাড়ে তিনশ ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ও বন্যাকবলিত দুর্গতদের দ্রুত উদ্ধারে ১৩ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে নেপাল সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নেপাল নিউজ জানায়, তল্লাশি ও ত্রাণ বিতরণ ত্বরান্বিত করতে সব মিলিয়ে ১৩ হাজার ২৯৫ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিশাল উদ্ধার বহরে নেপাল পুলিশের ৭ হাজার ২৫০ জন, সেনাবাহিনীর ৪ হাজার ২০০ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) ১ হাজার ৮৪৫ জন সদস্য সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। একাধিক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় সেনা ও বেসরকারি বিমান সংস্থার হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আকাশ ও স্থল- দুই পথেই একযোগে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) হিসাবে, প্রতিকূল আবহাওয়া আর নদীর উত্তাল স্রোত সামলেই দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা। এখন পর্যন্ত সংস্থাগুলোর পরিচালিত ৬৯টি হেলিকপ্টার ফ্লাইটের মাধ্যমে বন্যাকবলিত দুর্গম অঞ্চল থেকে ৩৫১ জনকে জীবিত ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে রাসুয়ার ভোতেকোশী নদীতে আচমকা পাহাড়ি ঢল নামতে শুরু করলে মুহূর্তে নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি জেলা ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৩৫৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে বা পানিতে ভেসে নিখোঁজ থাকা সহস্রাধিক মানুষের সন্ধানে এখনও তল্লাশি চালানো হচ্ছে, যাদের মধ্যে অনেকেই বিদেশি নাগরিক। বিচ্ছিন্ন ও দুর্গম এলাকাগুলোতে এখনও উদ্ধার কাজ পৌঁছে দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী সর্বোচ্চ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

উপচে পড়ছে নতুন হ্রদ, নেপালে আবারও বন্যার সতর্কবার্তা চীনের





