দাবদাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, স্পেনে ৩ শতাধিক প্রাণহানি

দাবদাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, স্পেনে ৩ শতাধিক প্রাণহানি
সিজেডএন ডেস্ক

উচ্চ চাপ বলয় ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপজুড়ে রেকর্ড তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে, যা আরও দুই সপ্তাহ স্থায়ী হবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। তীব্র দাবদাহে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডসসহ একাধিক দেশে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে, কোথাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হচ্ছে, আবার কোথাও গণপরিবহন ব্যবস্থায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া দেশগুলো কনসার্ট, ম্যারাথন ও বড় বড় গণজমায়েত বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে। সেইসঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।
দাবদাহে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে স্পেন ও ফ্রান্সে। স্পেনের স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, গত রবিবার (২১ জুন) থেকে এখন পর্যন্ত দাবদাহে স্পেনে ৩২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বার্সেলোনার একটি বনে ভয়াবহ আগুন লাগার কারণে ১৬ হাজার মানুষকে ঘরের ভেতর আটকে থাকতে হয়েছে।
দেশটিতে জুন মাসে রেকর্ড তাপমাত্রা দেখা গেছে। ১৯৫০ সাল থেকে করা স্পেনের জাতীয় তাপমাত্রার রেকর্ড অনুসারে, ২৩ জুন ছিল এযাবৎকালের উষ্ণতম দিন, ২২ জুন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সবচেয়ে ভয়াবহ ও অস্বাভাবিকতা তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তর স্পেনে। সেখানকার বিলবাও বিমানবন্দর দিনের সর্বোচ্চ এবং রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উভয়ের ক্ষেত্রেই নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে।
এদিকে ফ্রান্সে তাপপ্রবাহের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কায় প্যারিসের সব হাসপাতালে জরুরি পরিকল্পনা চালু করা হয়েছে। দেশটিতে তপ্ত গাড়ির ভেতর আটকে বেশ কয়েকজন শিশু মারা গেছে। এছাড়া দাবদাহ শুরুর পর অনিরাপদ এলাকায় সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএমও) তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম ফ্রান্সের পাল্লু শহরে তাপমাত্রা ৪৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছে।
এদিকে ফ্রান্সের সীমান্ত ঘেঁষা জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সারব্রুকেনে রেকর্ড ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
বেলজিয়ামের রয়্যাল মেটিওরোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের মতে, আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা আরও তীব্র হতে পারে।
পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ লিমবার্গে সর্বোচ্চ ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং যুক্তরাজ্যের সাফোকের ক্যাভেন্ডিশে রেকর্ড ৩৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) ইউরোপে অন্তত ১৫ কোটি মানুষকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
এই তীব্রতা আগামী দিনগুলোতে আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে চেক প্রজাতন্ত্রের আবহাওয়াবিদরা। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১২ সালের ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপমাত্রার রেকর্ড শনিবার ভেঙে যেতে পারে। অস্ট্রিয়ার আবহাওয়াবিদরা বলছে, রবিবার দেশটির তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙতে পারে।
একটি স্থায়ী উচ্চ-চাপ বলয়ের কারণে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন এবং দক্ষিণ ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা স্বাভাবিক মৌসুমী গড়ের চেয়ে ৫ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশনের বিজ্ঞানীরা।
অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়েই তাপমাত্রা বাড়ছে বলে জানিয়েছে কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস। তবে ইউরোপে এর গতি সবচেয়ে বেশি। এটি বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে দ্বিগুণ দ্রুত গতিতে উত্তপ্ত হচ্ছে।
তাপপ্রবাহের কারণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। জার্মানির জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা বার্লিন, বন, ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং কোলোনসহ বিভিন্ন স্থানে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা, বাসেল এবং জুরিখে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
এদিকে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ গবেষণা দল সতর্ক করেছে, তীব্র গরমের কারণে সোমবার থেকেই হিমবাহগুলো গলতে শুরু করবে। এটা সাধারণত আগস্টে ঘটে থাকে। ২০২২ সালের পর এবারই হিমবাহ গলে যাওয়ার গতি সবচেয়ে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাপপ্রবাহের কারণে
সূত্র: ইউরোনিউজ, বিবিসি

উচ্চ চাপ বলয় ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপজুড়ে রেকর্ড তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে, যা আরও দুই সপ্তাহ স্থায়ী হবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। তীব্র দাবদাহে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডসসহ একাধিক দেশে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে, কোথাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হচ্ছে, আবার কোথাও গণপরিবহন ব্যবস্থায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া দেশগুলো কনসার্ট, ম্যারাথন ও বড় বড় গণজমায়েত বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে। সেইসঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।
দাবদাহে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে স্পেন ও ফ্রান্সে। স্পেনের স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, গত রবিবার (২১ জুন) থেকে এখন পর্যন্ত দাবদাহে স্পেনে ৩২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বার্সেলোনার একটি বনে ভয়াবহ আগুন লাগার কারণে ১৬ হাজার মানুষকে ঘরের ভেতর আটকে থাকতে হয়েছে।
দেশটিতে জুন মাসে রেকর্ড তাপমাত্রা দেখা গেছে। ১৯৫০ সাল থেকে করা স্পেনের জাতীয় তাপমাত্রার রেকর্ড অনুসারে, ২৩ জুন ছিল এযাবৎকালের উষ্ণতম দিন, ২২ জুন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সবচেয়ে ভয়াবহ ও অস্বাভাবিকতা তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তর স্পেনে। সেখানকার বিলবাও বিমানবন্দর দিনের সর্বোচ্চ এবং রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উভয়ের ক্ষেত্রেই নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে।
এদিকে ফ্রান্সে তাপপ্রবাহের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কায় প্যারিসের সব হাসপাতালে জরুরি পরিকল্পনা চালু করা হয়েছে। দেশটিতে তপ্ত গাড়ির ভেতর আটকে বেশ কয়েকজন শিশু মারা গেছে। এছাড়া দাবদাহ শুরুর পর অনিরাপদ এলাকায় সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএমও) তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম ফ্রান্সের পাল্লু শহরে তাপমাত্রা ৪৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছে।
এদিকে ফ্রান্সের সীমান্ত ঘেঁষা জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সারব্রুকেনে রেকর্ড ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
বেলজিয়ামের রয়্যাল মেটিওরোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের মতে, আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা আরও তীব্র হতে পারে।
পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ লিমবার্গে সর্বোচ্চ ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং যুক্তরাজ্যের সাফোকের ক্যাভেন্ডিশে রেকর্ড ৩৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) ইউরোপে অন্তত ১৫ কোটি মানুষকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
এই তীব্রতা আগামী দিনগুলোতে আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে চেক প্রজাতন্ত্রের আবহাওয়াবিদরা। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১২ সালের ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপমাত্রার রেকর্ড শনিবার ভেঙে যেতে পারে। অস্ট্রিয়ার আবহাওয়াবিদরা বলছে, রবিবার দেশটির তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙতে পারে।
একটি স্থায়ী উচ্চ-চাপ বলয়ের কারণে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন এবং দক্ষিণ ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা স্বাভাবিক মৌসুমী গড়ের চেয়ে ৫ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশনের বিজ্ঞানীরা।
অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়েই তাপমাত্রা বাড়ছে বলে জানিয়েছে কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস। তবে ইউরোপে এর গতি সবচেয়ে বেশি। এটি বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে দ্বিগুণ দ্রুত গতিতে উত্তপ্ত হচ্ছে।
তাপপ্রবাহের কারণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। জার্মানির জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা বার্লিন, বন, ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং কোলোনসহ বিভিন্ন স্থানে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা, বাসেল এবং জুরিখে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
এদিকে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ গবেষণা দল সতর্ক করেছে, তীব্র গরমের কারণে সোমবার থেকেই হিমবাহগুলো গলতে শুরু করবে। এটা সাধারণত আগস্টে ঘটে থাকে। ২০২২ সালের পর এবারই হিমবাহ গলে যাওয়ার গতি সবচেয়ে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাপপ্রবাহের কারণে
সূত্র: ইউরোনিউজ, বিবিসি

দাবদাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, স্পেনে ৩ শতাধিক প্রাণহানি
সিজেডএন ডেস্ক

উচ্চ চাপ বলয় ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপজুড়ে রেকর্ড তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে, যা আরও দুই সপ্তাহ স্থায়ী হবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। তীব্র দাবদাহে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডসসহ একাধিক দেশে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে, কোথাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হচ্ছে, আবার কোথাও গণপরিবহন ব্যবস্থায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া দেশগুলো কনসার্ট, ম্যারাথন ও বড় বড় গণজমায়েত বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে। সেইসঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।
দাবদাহে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে স্পেন ও ফ্রান্সে। স্পেনের স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, গত রবিবার (২১ জুন) থেকে এখন পর্যন্ত দাবদাহে স্পেনে ৩২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বার্সেলোনার একটি বনে ভয়াবহ আগুন লাগার কারণে ১৬ হাজার মানুষকে ঘরের ভেতর আটকে থাকতে হয়েছে।
দেশটিতে জুন মাসে রেকর্ড তাপমাত্রা দেখা গেছে। ১৯৫০ সাল থেকে করা স্পেনের জাতীয় তাপমাত্রার রেকর্ড অনুসারে, ২৩ জুন ছিল এযাবৎকালের উষ্ণতম দিন, ২২ জুন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সবচেয়ে ভয়াবহ ও অস্বাভাবিকতা তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তর স্পেনে। সেখানকার বিলবাও বিমানবন্দর দিনের সর্বোচ্চ এবং রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উভয়ের ক্ষেত্রেই নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে।
এদিকে ফ্রান্সে তাপপ্রবাহের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কায় প্যারিসের সব হাসপাতালে জরুরি পরিকল্পনা চালু করা হয়েছে। দেশটিতে তপ্ত গাড়ির ভেতর আটকে বেশ কয়েকজন শিশু মারা গেছে। এছাড়া দাবদাহ শুরুর পর অনিরাপদ এলাকায় সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএমও) তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম ফ্রান্সের পাল্লু শহরে তাপমাত্রা ৪৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছে।
এদিকে ফ্রান্সের সীমান্ত ঘেঁষা জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সারব্রুকেনে রেকর্ড ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
বেলজিয়ামের রয়্যাল মেটিওরোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের মতে, আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা আরও তীব্র হতে পারে।
পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ লিমবার্গে সর্বোচ্চ ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং যুক্তরাজ্যের সাফোকের ক্যাভেন্ডিশে রেকর্ড ৩৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) ইউরোপে অন্তত ১৫ কোটি মানুষকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
এই তীব্রতা আগামী দিনগুলোতে আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে চেক প্রজাতন্ত্রের আবহাওয়াবিদরা। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১২ সালের ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপমাত্রার রেকর্ড শনিবার ভেঙে যেতে পারে। অস্ট্রিয়ার আবহাওয়াবিদরা বলছে, রবিবার দেশটির তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙতে পারে।
একটি স্থায়ী উচ্চ-চাপ বলয়ের কারণে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন এবং দক্ষিণ ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা স্বাভাবিক মৌসুমী গড়ের চেয়ে ৫ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশনের বিজ্ঞানীরা।
অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়েই তাপমাত্রা বাড়ছে বলে জানিয়েছে কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস। তবে ইউরোপে এর গতি সবচেয়ে বেশি। এটি বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে দ্বিগুণ দ্রুত গতিতে উত্তপ্ত হচ্ছে।
তাপপ্রবাহের কারণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। জার্মানির জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা বার্লিন, বন, ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং কোলোনসহ বিভিন্ন স্থানে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা, বাসেল এবং জুরিখে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
এদিকে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ গবেষণা দল সতর্ক করেছে, তীব্র গরমের কারণে সোমবার থেকেই হিমবাহগুলো গলতে শুরু করবে। এটা সাধারণত আগস্টে ঘটে থাকে। ২০২২ সালের পর এবারই হিমবাহ গলে যাওয়ার গতি সবচেয়ে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাপপ্রবাহের কারণে
সূত্র: ইউরোনিউজ, বিবিসি

ফ্রান্সে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, যুক্তরাজ্যে স্কুল বন্ধ ও ভ্রমণ সতর্কতা
দাবদাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে ৪০ জনের মৃত্যু
তাপপ্রবাহ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ঢাবিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা শুরু
