কানাডায় ভয়াবহ দাবানল, ঘর ছেড়েছেন ২০ হাজার মানুষ

কানাডায় ভয়াবহ দাবানল, ঘর ছেড়েছেন ২০ হাজার মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ছে আগুনের লেলিহান শিখা, আর তার গ্রাস থেকে প্রাণ বাঁচাতে রাতের অন্ধকারেই নিজেদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ওকানাগান হ্রদ সংলগ্ন এলাকায় এখন শুধুই আতঙ্ক আর স্বজন হারানোর আশঙ্কা। দ্রুতগতিতে ধেয়ে আসা ‘বল্ড রেঞ্জ’ দাবানলে ছাই হয়ে যাচ্ছে একের পর এক বসতবাড়ি।
স্থানীয় সিটিভি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, সামারল্যান্ডের প্রায় ১২ হাজার বাসিন্দার সবাইকে এক মুহূর্ত দেরি না করে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পিচল্যান্ড ও তার আশপাশের আরও অন্তত ৮ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ আগুন প্রথমবার দেখা যায়। দেখতে না দেখতেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তাণ্ডবে ইতোমধ্যে ‘ফাউল্ডার’ নামের একটি ছোট জনপদ ছাই হয়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে আসা দৃশ্যগুলোতে দেখা যাচ্ছে এক হৃদয়বিদারক চিত্র। পিছনে দাউদাউ করে জ্বলছে নিজের সাজানো ঘরবাড়ি, আর সামনে বাঁচার তাগিদে ছুটছে মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে পেন্টিকটনের দিকে যাওয়া দক্ষিণের সড়কগুলোতে আশ্রয়প্রার্থীদের গাড়ির ভিড়ে সৃষ্টি হয়েছে মাইলকে মাইল তীব্র যানজট।
পরিস্থিতি এতটাই লাগামহীন যে জরুরি তথ্য কর্মকর্তা এরিক থম্পসন এটিকে এই অঞ্চলের ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে দ্রুতগতির দাবানল বলে উল্লেখ করেছেন। মানুষকে সতর্ক করার কাজে নিয়োজিত থেকেও শেষ পর্যন্ত নিজের পরিবারকে বাঁচাতে জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র (ইওসি) ছেড়ে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন তিনি। এক বার্তায় তিনি বলেন, আমাদের পুরো অঞ্চল আজ এক কঠিন উদ্বেগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই সংকটে আমাদের প্রিয়জনদের জন্য এবং বিশেষ করে যাদের সহায়তার প্রয়োজন, তাদের জন্য শক্ত থাকতে হবে। একে অপরের খোঁজ নেওয়া আর পাশে দাঁড়ানোর এখনই সবচেয়ে বড় সময়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ছে আগুনের লেলিহান শিখা, আর তার গ্রাস থেকে প্রাণ বাঁচাতে রাতের অন্ধকারেই নিজেদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ওকানাগান হ্রদ সংলগ্ন এলাকায় এখন শুধুই আতঙ্ক আর স্বজন হারানোর আশঙ্কা। দ্রুতগতিতে ধেয়ে আসা ‘বল্ড রেঞ্জ’ দাবানলে ছাই হয়ে যাচ্ছে একের পর এক বসতবাড়ি।
স্থানীয় সিটিভি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, সামারল্যান্ডের প্রায় ১২ হাজার বাসিন্দার সবাইকে এক মুহূর্ত দেরি না করে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পিচল্যান্ড ও তার আশপাশের আরও অন্তত ৮ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ আগুন প্রথমবার দেখা যায়। দেখতে না দেখতেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তাণ্ডবে ইতোমধ্যে ‘ফাউল্ডার’ নামের একটি ছোট জনপদ ছাই হয়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে আসা দৃশ্যগুলোতে দেখা যাচ্ছে এক হৃদয়বিদারক চিত্র। পিছনে দাউদাউ করে জ্বলছে নিজের সাজানো ঘরবাড়ি, আর সামনে বাঁচার তাগিদে ছুটছে মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে পেন্টিকটনের দিকে যাওয়া দক্ষিণের সড়কগুলোতে আশ্রয়প্রার্থীদের গাড়ির ভিড়ে সৃষ্টি হয়েছে মাইলকে মাইল তীব্র যানজট।
পরিস্থিতি এতটাই লাগামহীন যে জরুরি তথ্য কর্মকর্তা এরিক থম্পসন এটিকে এই অঞ্চলের ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে দ্রুতগতির দাবানল বলে উল্লেখ করেছেন। মানুষকে সতর্ক করার কাজে নিয়োজিত থেকেও শেষ পর্যন্ত নিজের পরিবারকে বাঁচাতে জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র (ইওসি) ছেড়ে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন তিনি। এক বার্তায় তিনি বলেন, আমাদের পুরো অঞ্চল আজ এক কঠিন উদ্বেগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই সংকটে আমাদের প্রিয়জনদের জন্য এবং বিশেষ করে যাদের সহায়তার প্রয়োজন, তাদের জন্য শক্ত থাকতে হবে। একে অপরের খোঁজ নেওয়া আর পাশে দাঁড়ানোর এখনই সবচেয়ে বড় সময়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কানাডায় ভয়াবহ দাবানল, ঘর ছেড়েছেন ২০ হাজার মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ছে আগুনের লেলিহান শিখা, আর তার গ্রাস থেকে প্রাণ বাঁচাতে রাতের অন্ধকারেই নিজেদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ওকানাগান হ্রদ সংলগ্ন এলাকায় এখন শুধুই আতঙ্ক আর স্বজন হারানোর আশঙ্কা। দ্রুতগতিতে ধেয়ে আসা ‘বল্ড রেঞ্জ’ দাবানলে ছাই হয়ে যাচ্ছে একের পর এক বসতবাড়ি।
স্থানীয় সিটিভি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, সামারল্যান্ডের প্রায় ১২ হাজার বাসিন্দার সবাইকে এক মুহূর্ত দেরি না করে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পিচল্যান্ড ও তার আশপাশের আরও অন্তত ৮ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ আগুন প্রথমবার দেখা যায়। দেখতে না দেখতেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তাণ্ডবে ইতোমধ্যে ‘ফাউল্ডার’ নামের একটি ছোট জনপদ ছাই হয়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে আসা দৃশ্যগুলোতে দেখা যাচ্ছে এক হৃদয়বিদারক চিত্র। পিছনে দাউদাউ করে জ্বলছে নিজের সাজানো ঘরবাড়ি, আর সামনে বাঁচার তাগিদে ছুটছে মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে পেন্টিকটনের দিকে যাওয়া দক্ষিণের সড়কগুলোতে আশ্রয়প্রার্থীদের গাড়ির ভিড়ে সৃষ্টি হয়েছে মাইলকে মাইল তীব্র যানজট।
পরিস্থিতি এতটাই লাগামহীন যে জরুরি তথ্য কর্মকর্তা এরিক থম্পসন এটিকে এই অঞ্চলের ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে দ্রুতগতির দাবানল বলে উল্লেখ করেছেন। মানুষকে সতর্ক করার কাজে নিয়োজিত থেকেও শেষ পর্যন্ত নিজের পরিবারকে বাঁচাতে জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র (ইওসি) ছেড়ে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন তিনি। এক বার্তায় তিনি বলেন, আমাদের পুরো অঞ্চল আজ এক কঠিন উদ্বেগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই সংকটে আমাদের প্রিয়জনদের জন্য এবং বিশেষ করে যাদের সহায়তার প্রয়োজন, তাদের জন্য শক্ত থাকতে হবে। একে অপরের খোঁজ নেওয়া আর পাশে দাঁড়ানোর এখনই সবচেয়ে বড় সময়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ফ্রান্স ও স্পেন







