অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প নেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা

অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প নেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

এখন থেকে স্বজনপ্রীতি বা কারও প্রভাবে তড়িঘড়ি করে অপ্রয়োজনীয় কোনো প্রকল্প সরকার নেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ চৌধুরী তিতুমীর।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় এনইসি সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা বলেন, প্রকল্প গ্রহণ থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। অতীতে পকেট ভারি করতে প্রকল্প নেওয়া হত। এক্ষেত্রে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’-এর ভূমিকায় ছিল। অকারণে প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণেই বালিশকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বেড়েছে, যা মেটাতে গিয়ে ঋণের চাপে পড়েছে দেশের অর্থনীতি।
রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে নীতিগত কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার। এজন্য সরকারি কর্মকাণ্ড সংশ্লিষ্ট যাবতীয় তথ্য জনগণের সামনে নিয়মিত তুলে ধরা হবে।

এখন থেকে স্বজনপ্রীতি বা কারও প্রভাবে তড়িঘড়ি করে অপ্রয়োজনীয় কোনো প্রকল্প সরকার নেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ চৌধুরী তিতুমীর।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় এনইসি সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা বলেন, প্রকল্প গ্রহণ থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। অতীতে পকেট ভারি করতে প্রকল্প নেওয়া হত। এক্ষেত্রে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’-এর ভূমিকায় ছিল। অকারণে প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণেই বালিশকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বেড়েছে, যা মেটাতে গিয়ে ঋণের চাপে পড়েছে দেশের অর্থনীতি।
রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে নীতিগত কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার। এজন্য সরকারি কর্মকাণ্ড সংশ্লিষ্ট যাবতীয় তথ্য জনগণের সামনে নিয়মিত তুলে ধরা হবে।

অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প নেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

এখন থেকে স্বজনপ্রীতি বা কারও প্রভাবে তড়িঘড়ি করে অপ্রয়োজনীয় কোনো প্রকল্প সরকার নেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ চৌধুরী তিতুমীর।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় এনইসি সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা বলেন, প্রকল্প গ্রহণ থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। অতীতে পকেট ভারি করতে প্রকল্প নেওয়া হত। এক্ষেত্রে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’-এর ভূমিকায় ছিল। অকারণে প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণেই বালিশকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বেড়েছে, যা মেটাতে গিয়ে ঋণের চাপে পড়েছে দেশের অর্থনীতি।
রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে নীতিগত কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার। এজন্য সরকারি কর্মকাণ্ড সংশ্লিষ্ট যাবতীয় তথ্য জনগণের সামনে নিয়মিত তুলে ধরা হবে।

সাধারণ মানুষের সেবায় কোনো হয়রানি নয়: গণপূর্ত মন্ত্রী


