গাজা ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী

গাজা ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে লেবার পার্টির প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ভুল করেছিলাম।’ একইসঙ্গে তিনি অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে সহিংসতায় জড়িতদের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন।
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর লেবার পার্টির দুর্বল প্রতিক্রিয়ার জন্য নিজ দলের সমর্থকদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। বিশেষ করে, তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির দাবি জানাতে অনীহা প্রকাশ করায় তরুণ সমর্থকদের একটি বড় অংশ মুখ ফিরিয়ে গ্রিন পার্টির দিকে ঝুঁকে পড়ে। রক্তক্ষয়ী হামলার শুরুতে স্টারমার এক রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিদের জন্য পানি, খাদ্য ও বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বার্নহ্যাম বলেন, ‘অনেকে মনে করেন যে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের শুরুতে আমার দল সঠিক কাজটি করতে পারেনি। আমি এর জন্য দুঃখিত।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিক্রিয়াটি যথেষ্ট ছিল না। আমরা আরও ভালো করতে পারতাম।’
বার্নহ্যাম স্বীকার করেছেন, যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া, ইসরায়েলি কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এবং সহিংস বসতি স্থাপনকারীদের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে যুক্তরাজ্য যুদ্ধবিরতির ডাক দিতে অনেক দেরি করেছে বলে মত এই নেতার। তিনি বলেন, আমাদের এখন নিজেদের পদক্ষেপকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় হামলা চালিয়ে ফিলিস্তিনিদের হত্যা অব্যাহত রেখেছে এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ বেড়েই চলেছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থাতায় ইসরায়েলের সঙ্গে একটি ‘যুদ্ধবিরতি’ চুক্তি হওয়ার পর থেকে গাজায় ১,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
এ কারণেই যুক্তরাজ্যকে আরও কিছু করতে হবে বলে মনে করেন বার্নহ্যাম। এর মধ্যে গাজায় সহিংসতায় জড়িতদের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে পণ্য বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত।
বার্নহ্যাম বলেছেন, গাজায় ইসরায়েল যে যুদ্ধাপরাধ করেছে তার প্রমাণ ক্রমশ বাড়ছে। তবে তিনি ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থেকেছেন। তিনি বলেন, ‘এর নিষ্পত্তি রাজনীতিবিদদের পরিবর্তে আন্তর্জাতিক আদালতেরই করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, গাজা উপত্যকায় যা ঘটছে তার সমালোচনা করার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের উচিত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং এর ফলস্বরূপ ব্রিটেনে সংঘটিত ইহুদি-বিদ্বেষী সহিংসতার নিন্দা করা।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে লেবার পার্টির প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ভুল করেছিলাম।’ একইসঙ্গে তিনি অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে সহিংসতায় জড়িতদের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন।
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর লেবার পার্টির দুর্বল প্রতিক্রিয়ার জন্য নিজ দলের সমর্থকদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। বিশেষ করে, তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির দাবি জানাতে অনীহা প্রকাশ করায় তরুণ সমর্থকদের একটি বড় অংশ মুখ ফিরিয়ে গ্রিন পার্টির দিকে ঝুঁকে পড়ে। রক্তক্ষয়ী হামলার শুরুতে স্টারমার এক রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিদের জন্য পানি, খাদ্য ও বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বার্নহ্যাম বলেন, ‘অনেকে মনে করেন যে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের শুরুতে আমার দল সঠিক কাজটি করতে পারেনি। আমি এর জন্য দুঃখিত।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিক্রিয়াটি যথেষ্ট ছিল না। আমরা আরও ভালো করতে পারতাম।’
বার্নহ্যাম স্বীকার করেছেন, যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া, ইসরায়েলি কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এবং সহিংস বসতি স্থাপনকারীদের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে যুক্তরাজ্য যুদ্ধবিরতির ডাক দিতে অনেক দেরি করেছে বলে মত এই নেতার। তিনি বলেন, আমাদের এখন নিজেদের পদক্ষেপকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় হামলা চালিয়ে ফিলিস্তিনিদের হত্যা অব্যাহত রেখেছে এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ বেড়েই চলেছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থাতায় ইসরায়েলের সঙ্গে একটি ‘যুদ্ধবিরতি’ চুক্তি হওয়ার পর থেকে গাজায় ১,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
এ কারণেই যুক্তরাজ্যকে আরও কিছু করতে হবে বলে মনে করেন বার্নহ্যাম। এর মধ্যে গাজায় সহিংসতায় জড়িতদের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে পণ্য বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত।
বার্নহ্যাম বলেছেন, গাজায় ইসরায়েল যে যুদ্ধাপরাধ করেছে তার প্রমাণ ক্রমশ বাড়ছে। তবে তিনি ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থেকেছেন। তিনি বলেন, ‘এর নিষ্পত্তি রাজনীতিবিদদের পরিবর্তে আন্তর্জাতিক আদালতেরই করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, গাজা উপত্যকায় যা ঘটছে তার সমালোচনা করার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের উচিত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং এর ফলস্বরূপ ব্রিটেনে সংঘটিত ইহুদি-বিদ্বেষী সহিংসতার নিন্দা করা।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজা ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে লেবার পার্টির প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ভুল করেছিলাম।’ একইসঙ্গে তিনি অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে সহিংসতায় জড়িতদের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন।
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর লেবার পার্টির দুর্বল প্রতিক্রিয়ার জন্য নিজ দলের সমর্থকদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। বিশেষ করে, তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির দাবি জানাতে অনীহা প্রকাশ করায় তরুণ সমর্থকদের একটি বড় অংশ মুখ ফিরিয়ে গ্রিন পার্টির দিকে ঝুঁকে পড়ে। রক্তক্ষয়ী হামলার শুরুতে স্টারমার এক রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিদের জন্য পানি, খাদ্য ও বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বার্নহ্যাম বলেন, ‘অনেকে মনে করেন যে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের শুরুতে আমার দল সঠিক কাজটি করতে পারেনি। আমি এর জন্য দুঃখিত।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিক্রিয়াটি যথেষ্ট ছিল না। আমরা আরও ভালো করতে পারতাম।’
বার্নহ্যাম স্বীকার করেছেন, যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া, ইসরায়েলি কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এবং সহিংস বসতি স্থাপনকারীদের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে যুক্তরাজ্য যুদ্ধবিরতির ডাক দিতে অনেক দেরি করেছে বলে মত এই নেতার। তিনি বলেন, আমাদের এখন নিজেদের পদক্ষেপকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় হামলা চালিয়ে ফিলিস্তিনিদের হত্যা অব্যাহত রেখেছে এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ বেড়েই চলেছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থাতায় ইসরায়েলের সঙ্গে একটি ‘যুদ্ধবিরতি’ চুক্তি হওয়ার পর থেকে গাজায় ১,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
এ কারণেই যুক্তরাজ্যকে আরও কিছু করতে হবে বলে মনে করেন বার্নহ্যাম। এর মধ্যে গাজায় সহিংসতায় জড়িতদের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে পণ্য বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত।
বার্নহ্যাম বলেছেন, গাজায় ইসরায়েল যে যুদ্ধাপরাধ করেছে তার প্রমাণ ক্রমশ বাড়ছে। তবে তিনি ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থেকেছেন। তিনি বলেন, ‘এর নিষ্পত্তি রাজনীতিবিদদের পরিবর্তে আন্তর্জাতিক আদালতেরই করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, গাজা উপত্যকায় যা ঘটছে তার সমালোচনা করার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের উচিত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং এর ফলস্বরূপ ব্রিটেনে সংঘটিত ইহুদি-বিদ্বেষী সহিংসতার নিন্দা করা।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজার অবস্থা এখন কেমন
গাজায় দুর্ভিক্ষ ইসরায়েলের সুপরিকল্পিত নীতির ফল: গবেষণা


